দ্য ওয়াল ব্যুরো: কুমিরের কী করুণ দশা!
গুজরাতের প্রায় ৩০০ কুমিরকে ভিটে ছাড়া করছে রাজ্য সরকার। তবে হ্যাঁ! পুনর্বাসনও পাবে তারা।
নর্মদার উপরেই মূর্তি বসেছে সর্দার বল্লভভাই পটেলের। পৃথিবীর সব থেকে উঁচু স্ট্যাচু। ৫৯৭ ফুট উঁচু ‘স্ট্যাচু অফ ইউনিটি’ বানাতে খরচ হয়েছে প্রায় তিন হাজার কোটি টাকা। তা নিয়ে বিতর্ক তো ছিলই। এ বার তাতে যুক্ত হলো কুমির।
গুজরাত সরকারের পর্যটন দফতর ঠিক করেছে নর্মদার ওই অংশে সি প্লেন সার্ভিস চালু করবে। কিন্তু সেখানে তো কিলবিল করে কুমির। মানুষ জলে নেবে রোমাঞ্চ উপভোগ করবে তা তো আর তারা বুঝবে না। গুজরাত সরকারের দাবি, ওই অংশে রয়েছে প্রায় ৩০০ কুমির। তাই তাদের অন্যত্র সরিয়ে যাওয়ার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।
ইতিমধ্যেই ১২টি কুমিরকে খাঁচায় বন্দি করে ট্রাকে উঠিয়ে অন্যত্র পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে। আগামী প্রায় দেড় মাস ধরে কুমির ধরার এই কাজ চলবে বলে জানা গিয়েছে। গুজরাত সরকার জানিয়েছে ভদোদরা থেকে প্রায় ১০০ কিলোমিটার দূরে ছাড়া হবে কুমিরগুলিকে।
কুমির সরানোর এই ঘটনাতেও তৈরি হয়েছে বিতর্ক। ‘এশিয়ান স্যাংচুয়ারি’ নামের একটি ওয়াইল্ড লাইফ ম্যাগাজিনের সম্পাদক বিট্টু সোহগাল টুইট করে লিখেছেন, “পর্যটনের জন্য কি আমাদের সবার মাথা খারাপ হয়ে গেল!” যদিও গুজরাত সরকার এ ব্যাপারে অনড়। রাজ্য বন্যপ্রাণ বোর্ডের উচ্চপদস্থ আধিকারিক প্রিয়ব্রত গাধভি সংবাদ সংস্থা এএনআই-কে বলেছেন, “যে ভাবে কুমিরদের সরানো হচ্ছে, তা বিজ্ঞানসম্মতভাবেই করা হচ্ছে।” তিনি আরও বলেন, “আমরা জানি ওখানে অনেক এমন কুমির রয়েছে যা লুপ্ত প্রজাতির। সবটা মাথায় রেখেই এই কাজ করা হচ্ছে।”