নোটিস ছাড়াই চার বাংলা ধারাবাহিক বন্ধের সিদ্ধান্ত, প্রতিবাদ টলিপাড়ায়
দ্য ওয়াল ব্যুরো: করোনা সংক্রমণ ও লকডাউনের ফলে এমনিতেই দু’মাসের বেশি সময় ধরে বন্ধ ধারাবাহিক-সিনেমার শ্যুটিং। কাজ নেই অভিনেতা-অভিনেত্রী থেকে টেকনিশিয়ানদের। এর মধ্যেই আচমকা কোনও নোটিস ছাড়াই চারটি ধারাবাহিক বন্ধ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে কালার্স বা
শেষ আপডেট: 16 May 2020 13:38
দ্য ওয়াল ব্যুরো: করোনা সংক্রমণ ও লকডাউনের ফলে এমনিতেই দু’মাসের বেশি সময় ধরে বন্ধ ধারাবাহিক-সিনেমার শ্যুটিং। কাজ নেই অভিনেতা-অভিনেত্রী থেকে টেকনিশিয়ানদের। এর মধ্যেই আচমকা কোনও নোটিস ছাড়াই চারটি ধারাবাহিক বন্ধ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে কালার্স বাংলা। চ্যানেল কর্তৃপক্ষের এই সিদ্ধান্ত হতবাক টলিপাড়া। শুরু হয়েছে প্রতিবাদ।
জানা গিয়েছে, কালার্স বাংলা চ্যানেল ‘নিশির ডাক’, ‘মঙ্গলচণ্ডী’, ‘কনককাঁকন’ ও ‘চিরদিনই আমি যে তোমার’ নামের চারটি ধারাবাহিক বন্ধ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এই সংক্রান্ত ইমেলও নাকি পৌঁছে গিয়েছে প্রযোজনা সংস্থাগুলির কাছে। এই ধারাবাহিকগুলির বদলে অন্য ধারাবাহিক ডাব করে দেখানো হবে বলে জানা গিয়েছে।
কালার্স বাংলার তরফে অবশ্য এই ব্যাপারে বিবৃতি দিয়ে কিছু জানানো হয়নি। তবে প্রযোজনা সংস্থাগুলি জানিয়েছে, তাদের কাছে ইমেল এসেছে। করোনা সংক্রমণ ও লকডাউন পরবর্তী ধাক্কা সামলাতেই নাকি এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। ধারাবাহিকের সম্প্রচার বন্ধ থাকায় আয় কমেছে। তাছাড়া এই ধারাবাহিকগুলির কলাকুশলী থেকে শুরু করে টেকনিশিয়ানদের চুক্তি প্রযোজনা সংস্থার সাথে। চ্যানেলের সঙ্গে তাঁদের কোনও চুক্তি নেই। ফলে ধারাবাহিক বন্ধ করে দিলেও তাঁদের আইনি কোনও হাতিয়ার নেই।
ধারাবাহিক বন্ধের খবর চাউর হওয়ার পর থেকেই আশঙ্কায় অভিনেতা-অভিনেত্রী থেকে শুরু করে টেকনিশিয়ানরা। কারণ, অন্য চ্যানেলগুলিও যদি এই পথে যায়, তাহলে সমস্যা গুরুতর হতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। সবথেকে খারাপ অবস্থা টেকনিশিয়ানদের। অভিনেতা-অভিনেত্রীরা তাও ভাল রোজগার করেন, কিন্তু টেকনিশিয়ানদের প্রাপ্য নিয়ে সমস্যা আজকের নয়। মাঝেমধ্যেই টাকা না পাওয়ার অভিযোগ করেন তাঁরা।
এই পরিস্থিতিতে অনেক অভিনেতা-অভিনেত্রী সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রতিবাদ করেছেন। সবাই মিলে যৌথভাবে চ্যানেল কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে আন্দোলনেরও হুমকি দিচ্ছেন অনেকে। টেকনিশিয়ানদের অনেক জানিয়েছেন, তাঁদের অবস্থা মোটেই ভাল নয়। তাড়াতাড়ি শ্যুটিং শুরু না হলে আর্থিক সঙ্কট আরও বাড়বে। অনেক কলাকুশলীও সেই আশঙ্কা করছেন। এই পরিস্থিতিতে আগামী দিনে টলিপাড়ায় কী ছবি দেখা যায়, সেদিকেই তাকিয়ে সবাই।