Date : 15th Apr, 2026 | Call 1800 452 567 | info@thewall.in
ফাঁকা স্টেডিয়ামে পিএসএলের আড়ালে ভারতের জ্বালানি সঙ্কট! নকভির ‘যুক্তি’তে হতভম্ব সাংবাদিকভোটের রেজাল্টে পর ফের ডিএ মামলার শুনানি শুনবে সুপ্রিম কোর্ট! ৬০০০ কোটি টাকা দেওয়া হয়েছে, জানাল রাজ্যহরমুজ প্রণালীতে ট্রাম্পের দাপট! মার্কিন যুদ্ধজাহাজের বাধায় ফিরল বিদেশী ট্যাঙ্কারTCS Case: প্রথমে বন্ধুত্ব, তারপর টাকার টোপ! টিসিএসের অফিসে কীভাবে টার্গেট করা হত কর্মীদের‘ফোর্স ৩’ শুটিং জোরকদমে, পুরনো চরিত্রে ফিরছেন জন— নতুন চমক কারা?'মমতা চান না গোর্খারা শান্তিতে থাকুন, অধিকার ফিরে পান', দার্জিলিঙে ভিডিওবার্তা অমিত শাহেরগ্রাহকের পকেট বাঁচাতে ভারি খেসারত দিচ্ছে তেল কোম্পানিগুলি! প্রতিদিন লোকসান ১,৬০০ কোটিরইচ্ছেশক্তির বারুদে আগুন ধরাল ধোনির পেপ টক! নাইটদের বিঁধে দুরন্ত কামব্যাক নুর আহমেদেরময়মনসিংহে দীপুচন্দ্র দাসকে হত্যার প্রধান আসামিকে ১ বছরের অন্তর্বর্তী জামিন, কাঠগড়ায় বিচারপতিশয়তান বা কালু বলে আর ডাকা যাবে না! স্কুলের খাতায় পড়ুয়াদের নতুন পরিচয় দিচ্ছে রাজস্থান সরকার

৩.৪৮ কোটি টাকা কর ফাঁকির অভিযোগ, এ আর রহমানকে নোটিস পাঠালো মাদ্রাজ হাই কোর্ট

দ্য ওয়াল ব্যুরো: কর ফাঁকি দিয়েছেন এ আর রহমান। তাও আবার ৩ কোটি ৪৭ লক্ষ টাকা! সম্প্রতি এমনই গুরুতর অভিযোগ উঠেছে সঙ্গীত পরিচালক এ আর রহমানের বিরুদ্ধে। ২০১১-২০১২ আর্থিকবর্ষে এ আর রহমান এই বড় অঙ্কের কর ফাঁকি দেন বলে অভিযোগ এনেছে আয়কর দফতর। এই

৩.৪৮ কোটি টাকা কর ফাঁকির অভিযোগ, এ আর রহমানকে নোটিস পাঠালো মাদ্রাজ হাই কোর্ট

শেষ আপডেট: 12 September 2020 02:42

দ্য ওয়াল ব্যুরো: কর ফাঁকি দিয়েছেন এ আর রহমান। তাও আবার ৩ কোটি ৪৭ লক্ষ টাকা! সম্প্রতি এমনই গুরুতর অভিযোগ উঠেছে সঙ্গীত পরিচালক এ আর রহমানের বিরুদ্ধে। ২০১১-২০১২ আর্থিকবর্ষে এ আর রহমান এই বড় অঙ্কের কর ফাঁকি দেন বলে অভিযোগ এনেছে আয়কর দফতর। এই বিষয়ে মাদ্রাজ হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয় আয়কর বিভাগ। আর তার ভিত্তিতেই গায়ককে নোটিস পাঠিয়েছে আদালত। জানা গিয়েছে, ২০১১ সালে ব্রিটেনের একটি টেলিকম কোম্পানির সঙ্গে চুক্তি হয়েছিল রহমানের। তিন বছরের ওই চুক্তিতে শর্ত ছিল কোম্পানির জন্য রিংটোন কম্পোজ করবেন তিনি। সূত্রের খবর, রিংটোন কম্পোজ করার জন্য পারিশ্রমিক বাবদ ৩ কোটি ৪৭ লক্ষ টাকা নিয়েছিলেন রহমান। তবে অভিযোগ, কর ফাঁকি দেওয়ার জন্য এই টাকা নিজের ব্যক্তিগত অ্যাকাউন্টে নেননি তিনি। তার বদলে এ আর রহমান ফাউন্ডেশন নামে যে চ্যারিটি ট্রাস্ট রয়েছে সেই অ্যাকাউন্টে টাকা নেন সঙ্গীত পরিচালক। অথচ এই সংস্থার ফরেন কন্ট্রিবিউশন রেগুলেশন লাইসেন্স (এফসিআরএ) ছিল না। আয়কর দফতরের দাবি, এ ভাবে পারিশ্রমিকের টাকা স্বেচ্ছাসেবী সংস্থার অ্যাকাউন্টে নেওয়া কার্যত বেআইনি। এই টাকা কেবল ব্যক্তিগত অ্যাকাউন্টেই নেওয়া যায়। অথবা এই টাকার ক্ষেত্রে যে পরিমাণ আয়কর হয় তা দেওয়ার পর বাকি টাকা স্বেচ্ছাসেবী সংস্থায় দেওয়া যেতে পারে। কিন্তু রহমান তা না করে নিয়ম ভেঙেছেন। আর সেই কারণেই মাদ্রাজ হাই কোর্টের তরফে তাঁকে নোটিস পাঠানো হয়েছে। বিচারপতি টি এস শিবাগনানম এবং ভি ভাবনানি সুব্বারোয়ানের বেঞ্চের তরফে এই নোটিস পাঠানো হয়েছে সঙ্গীত পরিচালককে। এর আগে আয়কর দফতরের অভিযোগের বিরুদ্ধে চেন্নাইয়ের অ্যাপিলেট ট্রাইব্যুনালে আবেদন করেছিলেন এ আর রহমান। ২০১৯ সালের সেপ্টেম্বর মাসে অ্যাপিল আদালত রহমানের পক্ষে রায় দেয়। এরপর নিজেদের অভিযোগ নিয়ে মাদ্রাজ হাই কোর্টের দ্বারস্থ হয় আয়কর দফতর। তার ভিত্তিতেই শুক্রবার সঙ্গীত পরিচালককে নোটিস পাঠিয়েছে আদালত। উল্লেখ্য, চলতি বছরের ফেব্রুয়ারি মাসে এ আর রহমানকে সেন্ট্রাল এক্সাইজ এবং জিএসটি বাবদ জরিমানা মিলিয়ে ৬ কোটি ৭৯ লক্ষ টাকা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছিল আয়কর দপ্তর। তবে সেই নির্দেশে সাময়িকভাবে স্থগিতাদেশ জারি করেছিল মাদ্রাজ হাই কোর্ট। প্রসঙ্গত, ২০০৯ সালে নিজের নামে এই  স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা তথা এনজিওটি খোলেন রহমান এবং তাঁর পরিবারের সদস্যরা। চলতি বছর ফেব্রুয়ারি মাসে লাইসেনস পেয়েছেন তিনি। মূলত সমাজের পিছিয়ে পড়া মানুষ এবং মানসিক ও শারীরিকভাবে বিশেষ ক্ষমতা সম্পন্নদের শিক্ষা, সঙ্গীত ও উন্নত জীবনযাপনের সুযোগ তৈরি করে দেওয়ার জন্য কাজ করে এ আর রহমান ফাউন্ডেশন।

```