Date : 15th Apr, 2026 | Call 1800 452 567 | info@thewall.in
পদ খোয়ানোর পর এবার নিরাপত্তা! রাঘব চাড্ডার Z+ সুরক্ষা তুলে নিল পাঞ্জাব সরকার, তুঙ্গে জল্পনাফাঁকা স্টেডিয়ামে পিএসএলের আড়ালে ভারতের জ্বালানি সঙ্কট! নকভির ‘যুক্তি’তে হতভম্ব সাংবাদিকভোটের রেজাল্টে পর ফের ডিএ মামলার শুনানি শুনবে সুপ্রিম কোর্ট! ৬০০০ কোটি টাকা দেওয়া হয়েছে, জানাল রাজ্যহরমুজ প্রণালীতে ট্রাম্পের দাপট! মার্কিন যুদ্ধজাহাজের বাধায় ফিরল বিদেশী ট্যাঙ্কারTCS Case: প্রথমে বন্ধুত্ব, তারপর টাকার টোপ! টিসিএসের অফিসে কীভাবে টার্গেট করা হত কর্মীদের‘ফোর্স ৩’ শুটিং জোরকদমে, পুরনো চরিত্রে ফিরছেন জন— নতুন চমক কারা?'মমতা চান না গোর্খারা শান্তিতে থাকুন, অধিকার ফিরে পান', দার্জিলিঙে ভিডিওবার্তা অমিত শাহেরগ্রাহকের পকেট বাঁচাতে ভারি খেসারত দিচ্ছে তেল কোম্পানিগুলি! প্রতিদিন লোকসান ১,৬০০ কোটিরইচ্ছেশক্তির বারুদে আগুন ধরাল ধোনির পেপ টক! নাইটদের বিঁধে দুরন্ত কামব্যাক নুর আহমেদেরময়মনসিংহে দীপুচন্দ্র দাসকে হত্যার প্রধান আসামিকে ১ বছরের অন্তর্বর্তী জামিন, কাঠগড়ায় বিচারপতি

দেশের ১৪টি ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজে আঞ্চলিক ভাষায় পঠনপাঠনের সিদ্ধান্ত, পড়ানো হবে বাংলাতেও

দ্য ওয়াল ব্যুরো: ইংরাজি মাধ্যম স্কুলে পড়াশোনা না করা ছাত্রছাত্রীদের অনেকেই উচ্চশিক্ষার সময় ইঞ্জিনিয়ারিং পড়তে গিয়ে ভাষাগত সমস্যার মুখে পড়েন। ইংরাজিতে লেখা বই পড়ে পঠনপাঠন চালাতে গিয়ে ধাক্কা খেতে হয় অনেককেই। পড়া বুঝতে, লিখতে সমস্যা হয়। এ

দেশের ১৪টি ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজে আঞ্চলিক ভাষায় পঠনপাঠনের সিদ্ধান্ত, পড়ানো হবে বাংলাতেও

শেষ আপডেট: 17 July 2021 05:26

দ্য ওয়াল ব্যুরো: ইংরাজি মাধ্যম স্কুলে পড়াশোনা না করা ছাত্রছাত্রীদের অনেকেই উচ্চশিক্ষার সময় ইঞ্জিনিয়ারিং পড়তে গিয়ে ভাষাগত সমস্যার মুখে পড়েন। ইংরাজিতে লেখা বই পড়ে পঠনপাঠন চালাতে গিয়ে ধাক্কা খেতে হয় অনেককেই। পড়া বুঝতে, লিখতে সমস্যা হয়। এ বার সেই সমস্যা সমাধানেই দেশের অন্তত ১৪টি ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজে আঞ্চলিক ভাষায় পঠনপাঠনের সিদ্ধান্ত নিল ‘অল ইন্ডিয়া কাউন্সিল ফর টেকনিক্যাল এডুকেশন’ (এআইসিটিই)। যে সমস্ত আঞ্চলিক ভাষায় ওই প্রযুক্তির বই ছাপানো হবে, তার মধ্যে বাংলাও থাকবে বলে জানা গেছে। এআইসিটিই-র তরফে জানা গেছে, প্রথম ধাপে ১৪টি কলেজের অন্তত হাজার জন পড়ুয়াকে আঞ্চলিক ভাষায় পড়াশোনা করার অনুমতি দেওয়া হবে। এই পড়ুয়াদের মধ্যে উত্তরপ্রদেশের চারজন, রাজস্থানের দুজন এবং মধ্যপ্রদেশ ও উত্তরাখণ্ডের দুজনকে হিন্দিতে পড়াশোনা করার সুযোগ দেওয়া হবে। তাছাড়া অন্ধ্রপ্রদেশ, মহারাষ্ট্র, পশ্চিমবঙ্গ ও তামিলনাড়ু থেকে আসা ছাত্রছাত্রীদেরও মাতৃভাষায় তথা তেলুগু, মারাঠি, বাংলা, তামিলে ইঞ্জিনিয়ারিং পড়ার সুযোগ দেওয়া হবে। নতুন শিক্ষানীতিতে মাতৃভাষা ও আঞ্চলিক ভাষায় পঠনপাঠনে জোর দেওয়ার কথা বলেছে সরকার। ১৯৬৮ সালের কেন্দ্রীয় সরকারি শিক্ষানীতিতে খুব স্পষ্ট করে বলা আছে, অ-হিন্দিভাষী রাজ্যগুলির ক্ষেত্রে শিক্ষণীয় তিনটি ভাষা হল, আঞ্চলিক ভাষা, হিন্দি ও ইংরেজি। ২০২০ সালের নতুন শিক্ষানীতিও তা-ই। সাধারণত দেখা গেছে,  গ্রাম থেকে পড়তে আসা অনেক পড়ুয়াই ভাষার কারণে সমস্যার মুখে পড়েন। এই অসুবিধার কারণে পড়ুয়াদের অনেকে মাঝপথে ইঞ্জিনিয়ারিং পড়া ছেড়ে দিয়েছেন, এমন ঘটনাও ঘটেছে। তাই ইঞ্জিনিয়ারিং শিক্ষার ক্ষেত্রেও আঞ্চলিক ভাষায় পঠনপাঠনে জোর দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হচ্ছে। তবে এক্ষেত্রে কিছু সমস্যার কথাও ভাবছেন শিক্ষাবিদরা। যেমন, ইঞ্জিনিয়ারিং পাঠক্রমের চার বছরই পুরোপুরি ভাবে আঞ্চলিক ভাষায় পড়ে পাশ করলে কিন্তু চাকরির বাজারে অসুবিধায় পড়বেন পড়ুয়ারা। বিভিন্ন ইঞ্জিনিয়ারিং বা প্রযুক্তিগত শব্দ আঞ্চলিক ভাষায় পড়লে ভবিষ্যতে সমস্যা হতে পারে বলেও মনে করা হচ্ছে।

```