
শেষ আপডেট: 8 March 2024 17:25
দ্য ওয়াল ব্যুরো: স্কুল সার্ভিস কমিশনের নিয়োগ দুর্নীতির মামলায় নয়া মোড়! তদন্তের গতি প্রকৃতি নিয়ে এদিন আদালতের তীব্র ভর্ৎসনার মুখে পড়লেন এসএসসির আইনজীবী। এরপরই মামলা থেকে অব্যাহতি নিলেন এসএসসি আইনজীবী ডক্টর সুতনু পাত্র। তাৎপর্যপূর্ণভাবে এদিন আদালতে হাজিরা হয়েছিলেন এসএসসির চেয়ারম্যান।
শুক্রবার মামলা শুনানি চলাকালীন মামলাকারীদের আইনজীবী আশিস কুমার চৌধুরী জানান, "কম নম্বরেও চাকরি পেয়েছে এবং প্যানেলের উপর দিকে থাকা প্রার্থীরা চাকরি পায়নি। হাইকোর্টের নির্দেশে এসএসসি মাত্র কয়েকজনকে চাকরি দিলেও বহু বঞ্চিত প্রার্থী যারা মেধা তালিকায় শীর্ষে ছিল তাঁরা এখনও চাকরি পায়নি।"
চাকরিপ্রার্থীদের আইনজীবী আশিসবাবু আদালতে আরও জানান, "প্রচুর শূন্যপদ থাকা সত্বেও এসএসসি তালিকা প্রকাশ করেনি। এসএসসির স্বচ্ছতা থাকলে সব চাকরি প্রার্থী চাকরি পেয়ে যেত।"নাইসার দেওয়া তথ্যের ব্যাপারে স্কুল সার্ভিস কমিশনের কাছে তথ্য জানতে চেয়েছিলেন বিচারপতি দেবাংশু বসাকের ডিভিশন বেঞ্চ। দিনের পর দিন কেটে গেলেও তথ্য দিতে পারছে না এসএসসি।
এঘটনায় আদালতে ক্ষুব্ধ বিচারপতির পর্যবেক্ষণ, "প্রতিদিন সময় চাইছেন। কত দিন চলতে পারে এটা? গত মঙ্গলবার থেকে স্কুল সার্ভিস কমিশনের কাছে কিছু তথ্য চাওয়া হচ্ছে নাইসার ব্যাপারে।কিন্তু তার উত্তর দিতে পারছেন না আপনি। আপনি তার মানে আদালতকে সহযোগিতা করতে পারছেন না।"
একই সঙ্গে বেঞ্চের পর্যবেক্ষণ, "এসএসসির কোনও আধিকারিক তাঁদেরই দেওয়া হলফনামা পড়ে না, আর তাই তথ্যও জানে না!"
এরপরই এসএসসির আইনজীবী সুতনু পাত্র এই মামলা থেকে অব্যাহতি চান। বিচারপতি বসাকের ডিভিশন বেঞ্চ সঙ্গে সঙ্গে তা গ্রহণ করে। পরে বিচারপতির নির্দেশে আদালতে হাজির হন এসএসসির চেয়ারম্যান সিদ্ধার্থ মজুমদার।
তিনি আদালতকে জানান, ২০১৬ সালের নবম, দশম, একাদশ, দ্বাদশ গ্রুপ সি ও গ্রুপ ডি নিয়োগ পরীক্ষার বেশ কিছু তথ্য অমিল রয়েছে। তবে যা নথি আছে তার ভিত্তিতেই আদালতের প্রশ্নের উত্তর দেওয়ার চেষ্টা করব।'
এ ব্যাপারে সোমবার পরবর্তী শুনানি হবে। সেদিন এসএসসিকে নিয়োগ সংক্রান্ত প্রশ্নের জবাব দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন বিচারপতি দেবাংশু বসাক ও বিচারপতি শব্বার রশিদির বিশেষ ডিভিশন বেঞ্চ।