
প্রতীকী ছবি
শেষ আপডেট: 23 November 2024 11:57
দ্য ওয়াল ব্যুরো: রাজ্যজুড়ে হওয়া ট্যাব কেলেঙ্কারিতে গ্রেফতারির সঙ্গে বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩২। আর ধৃতদের জেরা করে একাধিক নতুন তথ্য পেয়েছে পুলিশ। তদন্তকারীরা জানতে পেরেছেন, বিভিন্ন জেলায় ট্যাব থেকে চুরি করা টাকা রাখার জন্য ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট ভাড়া করা হত। এর জন্য কমিশন পেতেন এজেন্টরা।
পুলিশের তরফে আগেই জানানো হয়েছিল, ট্যাব কেলেঙ্কারির 'এপিসেন্টার' উত্তর দিনাজপুর। সেখান থেকেই বেশিরভাগ গ্রেফতারি হয়েছে। পুলিশি তদন্তে উঠে এসেছে, বিভিন্ন জেলায় একাধিক এজেন্ট রাখত প্রতারকরা। তাদের মূল কাজ ছিল ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট ভাড়া নেওয়া। সেই অ্যাকাউন্টেই টাকা রেখে কমিশন পেত তারা।
সম্প্রতি বিহারের কিষানগঞ্জ জেলার পোথিয়া থানার মিলনচকের কচাখোয়ার বাসিন্দা রবীন্দ্রপ্রসাদ সিংকে এই প্রেক্ষিতে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। তদন্তে জানা গেছে, প্রকৃত উপভোক্তাদের পরিবর্তে অন্যদের অ্যাকাউন্টে টাকা পাচারের ব্যাপারে রবীন্দ্রপ্রসাদ সিংয়ের ভূমিকা ছিল।
ট্যাব কেনার টাকা যাদের অ্যাকাউন্টে জমা পড়েছে এমন ৯ জনকে জিজ্ঞাসাবাদ করেন তদন্তকারীরা। তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করেই বিহারের পথিয়া থানার এলাকার বাসিন্দা রবীন্দ্রপ্রসাদের হদিশ পাওয়া যায়। তদন্তকারী অফিসাররা জানতে পেরেছেন, অ্যাকাউন্টের যাবতীয় নথিপত্র নিজের কাছে রেখে দিত সে। ট্যাব কেনার টাকা সেইসব অ্যাকাউন্টে জমা পড়ার পর তুলে নিত। অ্যাকাউন্ট ভাড়া হিসেবে কাউকে ৩০০ বা কাউকে ৫০০ টাকা দেওয়া হত।
রাজ্যজুড়ে যে ট্যাব কেলেঙ্কারি চলেছে তার পিছনে রয়েছে আন্তঃরাজ্য অসাধু চক্র। মূলত রাজস্থান, মহারাষ্ট্র এবং ঝাড়খণ্ডে সক্রিয় চক্র রয়েছে। কিছুদিন আগে সাংবাদিক বৈঠক করে এমনটাই জানিয়েছিলেন এডিজি দক্ষিণবঙ্গ সুপ্রতিম সরকার। যে পড়ুয়ারা ট্যাব প্রতারণার শিকার হয়েছে তাঁরা তাঁদের টাকা পেয়ে যাবে বলেই আশ্বাস দেন তিনি। তবে এও জানান, হিসেব করে দেখা যাবে ৯৯ শতাংশই ট্যাবের টাকা পেয়েছেন।