Date : 15th Apr, 2026 | Call 1800 452 567 | info@thewall.in
'মমতা চান না গোর্খারা শান্তিতে থাকুন, অধিকার ফিরে পান', দার্জিলিঙে ভিডিওবার্তা অমিত শাহেরগ্রাহকের পকেট বাঁচাতে ভারি খেসারত দিচ্ছে তেল কোম্পানিগুলি! প্রতিদিন লোকসান ১,৬০০ কোটিরইচ্ছেশক্তির বারুদে আগুন ধরাল ধোনির পেপ টক! নাইটদের বিঁধে দুরন্ত কামব্যাক নুর আহমেদেরময়মনসিংহে দীপুচন্দ্র দাসকে হত্যার প্রধান আসামিকে ১ বছরের অন্তর্বর্তী জামিন, কাঠগড়ায় বিচারপতিশয়তান বা কালু বলে আর ডাকা যাবে না! স্কুলের খাতায় পড়ুয়াদের নতুন পরিচয় দিচ্ছে রাজস্থান সরকার‘পাশে মোল্লা আছে, সাবধান!’ এবার শুভেন্দুর বিরুদ্ধে কমিশনে নালিশ তৃণমূলেরWest Bengal Election 2026: বাম অফিসে গেরুয়া পতাকা! মানিকচকে চরম উত্তেজনা, থানায় বিক্ষোভ বামেদেরপয়লা বৈশাখে শুটিং শুরু, যিশুর কামব্যাক—‘বহুরূপী ২’ কি ভাঙবে সব রেকর্ড?‘কেকেআরের পাওয়ার কোচ রাসেল ২৫ কোটির গ্রিনের থেকে ভাল!’ আক্রমণে টিম ইন্ডিয়ার প্রাক্তন তারকাবিহারে আজ থেকে বিজেপি শাসন, রাজনীতির যে‌ অঙ্কে পদ্মের মুখ্যমন্ত্রী আসলে নীতীশেরই প্রথম পছন্দ

কোথাও ভাঙছে দেওয়াল, কোথাও নদীবাঁধ ভেঙে ভেসে যাচ্ছে গ্রাম, বানভাসি মুম্বইতে থামছে না মৃত্যুমিছিল

দ্য ওয়াল ব্যুরো: গত ছ'দিন ধরে বৃষ্টি থামার নাম নেই। জলের তোড়ে কোথাও দেওয়াল ভেঙে মানুষ মরছে, আবার কোথাও হুড়মুড়িয়ে ভেঙে পড়ছে বাঁধ। ভেসে যাচ্ছে গ্রামের পর গ্রাম। বানভাসি মুম্বইতে শুরু হয়েছে মৃত্যুমিছিল। উনিশের বর্ষা ফিরিয়ে এনেছে ২০০৫ সালের

কোথাও ভাঙছে দেওয়াল, কোথাও নদীবাঁধ ভেঙে ভেসে যাচ্ছে গ্রাম, বানভাসি মুম্বইতে থামছে না মৃত্যুমিছিল

শেষ আপডেট: 3 July 2019 18:30

দ্য ওয়াল ব্যুরো: গত ছ'দিন ধরে বৃষ্টি থামার নাম নেই। জলের তোড়ে কোথাও দেওয়াল ভেঙে মানুষ মরছে, আবার কোথাও হুড়মুড়িয়ে ভেঙে পড়ছে বাঁধ। ভেসে যাচ্ছে গ্রামের পর গ্রাম। বানভাসি মুম্বইতে শুরু হয়েছে মৃত্যুমিছিল। উনিশের বর্ষা ফিরিয়ে এনেছে ২০০৫ সালের সেই ভয়ঙ্কর স্মৃতি। পুরসভা সূত্র জানিয়েছে, রবিবার রাত থেকে শহরে বৃষ্টি হয়েছে ৫৪০ মিলিমিটার। মুম্বইয়ের পুর কমিশনার প্রবীণ পরদেশির কথায়, শহরে জুন মাসে বৃষ্টি হয় গড়ে ৫১৫ মিলিমিটার। জুলাইয়ের শুরুতে দু’দিনেই ৫৪০ মিলিমিটার বৃষ্টি হয়েছে। আকাশভাঙা এই বৃষ্টি আর মৃত্যু দেখে প্রমাদ গুনেছে বৃহন্মুম্বই পুরসভা। টুইট করে নাগরিকদের সতর্ক করেছে মুম্বই পুলিশও। বলা হয়েছে, ‘‘খুব দরকার না পড়লে বাড়ি থেকে বেরোবেন না।’’ নাগাড়ে বৃষ্টিতে জলের তলায় রাস্তাঘাট। তছনছ হয়ে গেছে বিমান ও রেল পরিষেবা। স্কুল, কলেজ-সহ সমস্ত সরকারি অফিস আজ বন্ধ রাখার নির্দেশ দিয়েছে প্রশাসন। মুম্বই হাওয়া অফিস জানিয়েছে, বৃষ্টি এখনই থামার লক্ষণ দেখা যাচ্ছে না। বরং আজও ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। ২০০৫-এর ১৬ জুলাই এমনই ভয়াবহ অবস্থার সাক্ষী হয়েছিল মুম্বইবাসী। টানা ২৪ ঘণ্টার বৃষ্টিতে ডুবে গিয়েছিল মুম্বই ও শহরতলি এলাকা। তৈরি হয়েছিল বন্যা পরিস্থিতির। তুমুল বৃষ্টিতে মঙ্গলবার রাতে ভেঙে পড়েছে  মহারাষ্ট্রের রত্নগিরি জেলায় তিওয়ারে নদীবাঁধ। জলের ধাক্কায় ভেসে গিয়েছে ৭টি গ্রাম। ভেঙে গিয়েছে অন্তত ১২টি বাড়ি। এখনও পর্যন্ত ২৩ জনের মৃত্যুর আশঙ্কা করা হচ্ছে। মৃতের সংখ্যা বাড়ার সম্ভাবনা। খোঁজ মিলছে না অন্তত ২০ জনের।  পুলিশ জানিয়েছে, এখনও পর্যন্ত ১১টি দেহ উদ্ধার করা হয়েছে। জেলা প্রশাসন জানিয়েছে, রত্নগিরির চিপলুন তালুকের তিওয়ারে জলাধারটির ২০ লক্ষ ঘন মিটার জলধারণের ক্ষমতা রয়েছে। ভারী বৃষ্টিতে এটির দেওয়াল ভেঙে যায়। এ দিকে গ্রামবাসীদের দাবি, প্রায় ১৪ বছরের পুরনো বাঁধটিতে ইতিমধ্যেই ফাটল দেখা গিয়েছিল। জেলা প্রশাসনকে জানালেও ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। এনসিপি নেতা ধনঞ্জয় মুন্ডে টুইট করে জানিয়েছেন, "পরিকাঠামো গত ত্রুটিতেই ভেঙেছে বাঁধ। প্রশাসনিক কর্তাদের গাফিলতিও রয়েছে।বিষয়টি খতিয়ে দেখতে মহারাষ্ট্র সরকারকে আবেদন করা হয়েছে। " মৃতদের পরিবারকে ৪ লক্ষ টাকা করে ক্ষতিপূরণ দেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন মহারাষ্ট্রের মুখ্যমন্ত্রী দেবেন্দ্র ফডণবীস। মহারাষ্ট্রের জলসম্পদ মন্ত্রী গিরীশ মহাজন বলেছেন, কোন পর্যায়ের গাফিলতিতে নদীবাঁধ ভেঙে এমন বিপর্যয় ঘটেছে সেটা তদন্ত করতে সিট-কে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এ দিকে মালাড (পূর্ব) এলাকায় দেওয়াল ভেঙে পড়ার ঘটনায় মৃতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২৬। জখম অন্তত ৭৮ জন। মুম্বইয়ের কাছে কল্যাণেও একটি স্কুলের দেওয়াল ভেঙে পড়ে তিন জনের মৃত্যুর খবর মিলেছে। মৃতদের মধ্যে রয়েছে শিশুও। ধ্বংসস্তূপ সরিয়ে দেহ উদ্ধারের কাজ চালাচ্ছে পুলিশ ও জাতীয় বিপর্যয় মোকাবিলা দল। নামানো হয়েছে ডগ স্কোয়াড। মুম্বই শহর ও শহরতলিতে রেল যোগাযোগ একেবারেই বিপর্যস্ত। সোমবার মাঝরাতে সেন্ট্রাল রেলওয়ে থেকে টুইট করে বলা হয়েছে, আমরা প্রকৃতির রোষের শিকার হয়েছি। কুরলা থানে এলাকা দিয়ে ট্রেন চালানো কঠিন হয়ে দাঁড়িয়েছে। সুবার্বান ট্রেন সার্ভিস আপাতত বন্ধ রাখা হচ্ছে। মানুষের অসুবিধার জন্য দুঃখিত। মঙ্গলবার সকালে ওয়েস্ট ও সেন্ট্রাল রেলওয়ে থেকে টুইট করে জানানো হয়েছে, কোন কোন লাইন দিয়ে এদিন ট্রেন চালানো হচ্ছে। এ দিকে বৃষ্টির জেরে জলমগ্ন মুম্বই বিমানবন্দরের রানওয়ে। জমা জলে ঘুরে বেড়াচ্ছে মাছ। পরিষেবা একেবারে শিকেয়। মঙ্গলবারই রানওয়েতে অবতরণের সময় কটা স্পাইসজেট বিমান নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলে।  যদিও বড়সড় কোনও দুর্ঘটনা ঘটেনি। যাত্রীদের নিরাপদে বার করে আনা হয়। বিপদ এড়াতে মুম্বই বিমানবন্দরের মূল রানওয়ে আপাতত বন্ধ রাখা হয়েছে। দ্বিতীয় একটি রানওয়ে থেকে বিমান ওঠানামা করছে। এখনও অবধি ৫২টি উড়ান বাতিল হয়েছে, ৫৪টি উড়ানের মুখ ঘুরিয়ে আহমেদাবাদ, গোয়া, বেঙ্গালুরুর দিকে পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে। ছত্রপতি শিবাজি মহারাজ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের তরফে টুইট করে জানানো হয়েছে, রানওয়ে স্বাভাবিক করতে আরও ৪৮ ঘণ্টা সময় লাগবে। রানওয়ে থেকে জল সরানোর কাজ শুরু করে দেওয়া হয়েছে।

```