
শেষ আপডেট: 17 September 2023 12:05
দ্য ওয়াল ব্যুরো: কলকাতা লিগের গ্রুপের শেষ ম্যাচে হার মোহনবাগানের (Mohun Bagan)। তারা ০-১ গোলে হার মানল ডায়মন্ড হারবারের (Diamond Harbour) বিরুদ্ধে। এই দলটি সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের। ডায়মন্ড হারবারের কোচ কিবু ভিকুনা। তাঁর দল বাগানকে হারিয়ে চমক দেখাল। যদিও মোহনবাগান ইতিমধ্যেই লিগের সুপার সিক্সে চলে গিয়েছে। তাই এই হারে সমস্যা হল না। তবুও বড় দলের হারে সমর্থকরা হতাশই।
রবিবার নৈহাটি স্টেডিয়ামের এই ম্যাচে মোহনবাগান পিছিয়ে পড়ে খেলার ৪২ সেকেন্ডেই। গোল করেন বিজয়ী দলের পক্ষে সুপ্রিয় পণ্ডিত। মাঠের বাঁদিক থেকে বিপক্ষ বক্সে ঢুকে কোনাকুনি শটে গোল করেন সুপ্রিয়।
ডায়মন্ড হারবার ম্যাচের অধিকাংশ সময়ে ১০ জনে খেলেছে। তাদের অয়ন মন্ডল ৩৬ মিনিটে দু’বার হলুদ কার্ড দেখে লাল কার্ড দেখে মাঠের বাইরে চলে যান। বাকি সময়ে ১০ জনের ডায়মন্ড হারবারকেও হারাতে পারল না মোহনবাগান। তাদের এই হার লজ্জারই।
মোহনবাগান মাত্র ২৪ পয়েন্ট নিয়ে লিগের সুপার সিক্সে গেল। এতে করে তারা চাপে থাকবে। কারণ লিগের গ্রুপ পয়েন্ট সুপার সিক্সে ক্যারি ফরোয়ার্ড হবে। বাকি পাঁচ দলের পয়েন্ট মোহনবাগানের থেকে বেশি। যতই জুনিয়র দল খেলুক না কেন, বাগানের জার্সির একটা মর্যাদা রয়েছে। সেখানে এই অবস্থান মানতে পারবেন না সমর্থকরা।
ইস্টবেঙ্গল ৩০ পয়েন্ট পেয়ে সুপার সিক্সে গিয়েছে। মহামেডান পেয়েছে ২৯ পয়েন্ট। তারা এদিন নিজেদের মাঠে খিদিরপুরকে হারিয়ে ৫-০ গোলে। ভিকুনার ডায়মন্ড হারবারের পয়েন্টও ২৯। ভবানীপুর ও খিদিরপুরের পয়েন্ট যথাক্রমে ২৭ ও ২৫।
এদিন বাগান গোলের অনেক সুযোগ মিস করেছে। একবার তো ফাঁকা গোলে বল ঠেলতে পারেননি কিয়ান। সুহেল ভাটও মিস করেছেন গোল। তবে সারা ম্যাচে একটিও গোল পেলেন তাঁরা, সেটিও অবাক করার মতো বিষয়।
এদিকে, কিছুদিন আগেই মহামেডান মাঠে ম্যাচ দেখতে দেখতে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়েছিলেন মহামেডান সমর্থক সিরাজুদ্দিন, হাসপাতালে নিয়ে গেলে তাঁর মৃত্যু হয় I আজ সেই মহামেডান মাঠেই কলকাতা লিগের সুপার সিক্সে তাদের খেলার দিনই ইস্টবেঙ্গল ক্লাব এসে দাঁড়ালো সিরাজুদ্দিন এর পরিবারের পাশে I
তাঁর ছেলের হাতে চেক তুলে দিলেন ইস্টবেঙ্গল ক্লাবের কার্যকরি সমিতির সদস্য দেবব্রত সরকার, ছিলেন ক্রীড়ামন্ত্রী অরূপ বিশ্বাস, আই এফ এ সচিব অনির্বাণ দত্ত, মহামেডান স্পোর্টিং ক্লাবের কর্তারাও।
সিরাজ ঝড়ে তাসের ঘরের মতো ভেঙে পড়ল শ্রীলঙ্কা! এশিয়া কাপ জিততে ভারতের দরকার ৫১ রান