দ্য ওয়াল ব্যুরো: যাদবপুরের সাংসদ মিমি চক্রবর্তীর অসুস্থতার খোঁজ নিয়েছেন বলে আজ সাংবাদিক বৈঠকে জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। একই সঙ্গে তিনি জানিয়েছেন মিমির গলব্লাডারে একটা সমস্যা রয়েছে। তবে ঠিক কী এই সমস্যা, কতদিন ধরে ভুগছেন অভিনেত্রী, এসব নিয়ে কিছু বলেননি মুখ্যমন্ত্রী।
দিন কয়েক আগে কসবার ভুয়ো ভ্যাকসিন শিবিরে প্রতারণার শিকার হন অভিনেত্রী। সামনে আসে দেবাঞ্জন দেব নামে এক জালিয়াতের বিশাল অপকীর্তির কথা। সেই নিয়েই মন্তব্য করতে গিয়ে মুখ্যমন্ত্রী এদিন বলেন, "কানে আসার সঙ্গে সঙ্গে আমরা দেবাঞ্জনের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিয়েছি। সিট গঠন করা হয়েছে। যারা তাকে সাহায্য করেছে তাদের কাউকে রেয়াত করা হবে না। সে যেই হোক না কেন, কড়া ব্যবস্থা নেওয়া হবে। কসবার ওই ভ্যাকসিন ক্যাম্প থেকে যাঁরা ভ্যাকসিন নিয়েছিলেন তাঁদের প্রত্যেকের নাম একত্র করেছে স্বাস্থ্য ভবন। মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন তাঁদের শারীরিক অবস্থার দিকে নজর রাখা হচ্ছে। তাঁদের আবার ভ্যাকসিন দেওয়া যায় কিনা দেখা হবে।"
এর পরেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, "মিমির শরীর অসুস্থ তাই নিয়ে আপনারা যেমন চিন্তিত আমিও তেমন চিন্তিত। আমি নিজেও ওর সঙ্গে কথা বলেছি। ওর একটা গলব্লাডারের প্রবলেমও আছে। যে জন্য ও অসুস্থ হয়েছিল।"
গত পরশু, অর্থাৎ শনিবার সকাল থেকে মিমি চক্রবর্তীর পেটে তীব্র যন্ত্রণা শুরু হয়। নেমে যায় রক্তচাপও। তাঁর শরীর খুব দুর্বল, ডিহাইড্রেশনেও ভুগছিলেন অভিনেত্রী। প্রশ্ন ওঠে, কসবার ভুয়ো টিকাকরণ শিবির থেকে ভ্যাকসিনের ডোজ নেওয়ার পরেই কি এমন পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া দেখা যাচ্ছে!
মিমি সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছিলেন, ভোরে ডাক্তার আসেন তাঁর বাড়িতে। তিনি গলব্লাডারের সমস্যার কারণে নিয়ম করে ওষুধও খেতেন। তার ওপরে ভুয়ো ভ্যাকসিনের ডোজ ঢুকেছে শরীরে। তারপর থেকে কার্যত ট্রমায় ভুগছিলেন অভিনেত্রী। এই ভ্যাকসিনের ডোজ তাঁর শরীরে কী প্রভাব ফেলবে সেই চিন্তা বেড়েছিল তাঁর। আপাতত বাড়িতেই বিশ্রাম নিচ্ছেন মিমি।