
শেষ আপডেট: 27 August 2024 17:29
দ্য ওয়াল ব্যুরো: বিজেপি বাংলা বনধ ডাকার পরক্ষণেই নবান্ন স্পষ্টতই জানিয়ে দিল, রাজ্যকে স্তব্ধ করে দেওয়ার প্রয়াস সমর্থনীয় নয়। তাই বনধ মেনে নেওয়া হবে না। সাধারণ মানুষের কাছেও সরকারের অনুরোধ তাঁরা যেন বনধে অংশগ্রহণ না করেন।
নবান্ন অভিযানের পরদিনই বাংলা বনধ ডাকার পরিকল্পনা শুভেন্দু অধিকারীরা আগে থেকেই করে রেখেছিলেন। সেই মোতাবেক রাজ্য বিজেপি সভাপতি সুকান্ত মজুমদার বুধবার ১২ ঘণ্টা বাংলা বনধের ডাক দেওয়ার পর নবান্নে সাংবাদিক বৈঠক করেন মুখ্যমন্ত্রীর মুখ্য উপদেষ্টা আলাপন বন্দ্যোপাধ্যায়।
আলাপনবাবু বলেন, জোর করে অচলাবস্থা তৈরির বিরুদ্ধে বিচারব্যবস্থার বিভিন্ন নির্দেশ রয়েছে। রাজ্য সরকারও সিদ্ধান্ত নিয়েছে, বুধবার জনজীবন সচল রাখা হবে। সবকিছু চালু থাকবে। সরকারি কর্মচারীদের প্রতি সরকারের নির্দেশ, অফিস কাছারিতে অবশ্যই স্বাভাবিকভাবে আসবেন। দোকানপাট খোলা থাকবে। সরকার তার জন্য সকল অনুকূল ও আইনানুগ ব্যবস্থা নেবে। কারও কোনও ক্ষতি হলে সরকার সেই দিকটাও দেখবে। যানবাহণ চলাচলও স্বাভাবিক রাখতে হবে।
মুখ্যমন্ত্রীর মুখ্য উপদেষ্টা আরও বলেন, “আজ রাজ্যে দফায় দফায় অশান্তি তৈরি করার চেষ্টা হয়েছে। ছাত্রদের প্রতি আমাদের পূর্ণ সহানুভূতি রয়েছে। নির্যাতিতা ছাত্রীর উপর যে অপরাধ সংঘটিত হয়েছে তার সুবিচার আমরা সকলেই চাই। সিবিআইয়ের কাছে পূর্ণাঙ্গ এবং দ্রুততম নায্য তদন্ত ও সুবিচার চাওয়ার অধিকারও আমাদের সকলেরই রয়েছে। কিন্তু জোর করে যেভাবে অচলাবস্থা তৈরি চেষ্টা হয়েছে বা হচ্ছে তা সরকার মেনে নেবে না।
তাঁর কথায়, “ছাত্রছাত্রীদের পড়াশুনা, পরীক্ষা প্রভৃতি রয়েছে ও চলছে। শারদ উৎসবে বেচাকেনা শুরু হয়ে গেছে। ব্যবসায়ী, কর্মজীবী, পেশাজীবী, বুদ্ধিজীবী বৃহৎ সংখ্যক মানুষের জীবিকা এতে বিপন্ন হচ্ছে। শিক্ষা ও স্বাস্থ্য পরিষেবা বিপন্ন হচ্ছে”। আলাপন বোঝাতে চান, এই কারণেই বাংলায় বনধ পালন করা কাঙ্খিত নয়।