Date : 15th Apr, 2026 | Call 1800 452 567 | info@thewall.in
অভিষেক পত্নীকে টার্গেট করছে কমিশন! হোয়াটসঅ্যাপে চলছে নেতাদের হেনস্থার ছক? সরাসরি কমিশনকে চিঠি তৃণমূলেরIPL 2026: আজ আদৌ খেলবেন তো? ‘চোটগ্রস্ত’ বিরাটের অনুশীলনের ভিডিও দেখে ছড়াল উদ্বেগনৌকাডুবিতে ১৫ জনের মৃত্যু, বৃদ্ধার প্রাণ বাঁচাল ইনস্টা রিল, ফোনের নেশাই এনে দিল নতুন জীবন!‘ভূত বাংলা’-তে যিশু সেনগুপ্তর আয় নিয়ে হইচই! ফাঁস হল অঙ্কপদ খোয়ানোর পর এবার নিরাপত্তা! রাঘব চাড্ডার Z+ সুরক্ষা তুলে নিল পাঞ্জাব সরকার, তুঙ্গে জল্পনাফাঁকা স্টেডিয়ামে পিএসএলের আড়ালে ভারতের জ্বালানি সঙ্কট! নকভির ‘যুক্তি’তে হতভম্ব সাংবাদিকভোটের রেজাল্টে পর ফের ডিএ মামলার শুনানি শুনবে সুপ্রিম কোর্ট! ৬০০০ কোটি টাকা দেওয়া হয়েছে, জানাল রাজ্যহরমুজ প্রণালীতে ট্রাম্পের দাপট! মার্কিন যুদ্ধজাহাজের বাধায় ফিরল বিদেশী ট্যাঙ্কারTCS Case: প্রথমে বন্ধুত্ব, তারপর টাকার টোপ! টিসিএসের অফিসে কীভাবে টার্গেট করা হত কর্মীদের‘ফোর্স ৩’ শুটিং জোরকদমে, পুরনো চরিত্রে ফিরছেন জন— নতুন চমক কারা?

দেশজুড়ে হু হু করে বাড়ছে শিশুপাচার ও শিশুশ্রম! আইন আছে, প্রয়োগ নেই

দ্য ওয়াল ব্যুরো: ভারত তথা তৃতীয় বিশ্বের দেশে অত্যন্ত গুরুতর এক সামাজিক সঙ্কট শিশুশ্রম (Exploited Due To Trafficking)। ভারতীয় সংবিধানের ২৩(১) ধারায় কোনও ব্যক্তিকে পাচার করা বা জোর করে বেগার খাটানো আইনত অপরাধ। সন্দেহ নেই এই ধারা শিশুদের ক্ষে

দেশজুড়ে হু হু করে বাড়ছে শিশুপাচার ও শিশুশ্রম! আইন আছে, প্রয়োগ নেই

শেষ আপডেট: 17 April 2023 10:30

দ্য ওয়াল ব্যুরো: ভারত তথা তৃতীয় বিশ্বের দেশে অত্যন্ত গুরুতর এক সামাজিক সঙ্কট শিশুশ্রম (Exploited Due To Trafficking)। ভারতীয় সংবিধানের ২৩(১) ধারায় কোনও ব্যক্তিকে পাচার করা বা জোর করে বেগার খাটানো আইনত অপরাধ। সন্দেহ নেই এই ধারা শিশুদের ক্ষেত্রেও বিশেষভাবে প্রযোজ্য। আবার ২৪ ধারায় শিশুদের সম্পর্কে স্পষ্ট করেই বলা হয়েছে, ১৪ বছরের কমবয়সি কোনও শিশুকে কল-কারখানায় বা খনিতে কাজ করানো যাবে না। এছাড়াও সম্প্রতি ২০১৬ সালে পাশ হওয়া চাইল্ড লেবার (প্রোহিবিশন অ্যান্ড রেগুলেশন) আইনে শিশুশ্রমের ক্ষেত্রে আরও কিছু বিধিনিষেধ জারি হয়েছে।

কিন্তু বাস্তব চিত্র বলছে, এসব আইনকে কলা দেখিয়ে এ দেশে বেড়েই চলেছে শিশুশ্রম ও শিশুপাচারের ঘটনা (Trafficking in India)।

ভারতে শেষ জনগণনা হয়েছিল ২০১১ সালে। তার তথ্য অনুযায়ী দেশে শিশুশ্রমিকের সংখ্যা ১ কোটি ১ লক্ষ। বিভিন্ন ধরনের কাজে বা শিল্পে এরা নিযুক্ত। যেমন ইটভাটা, বয়নশিল্প, ঘরকন্নার কাজ, রেস্তোরাঁ বা চায়ের দোকান, চাষবাস, ভেড়ি এমনকী ভিক্ষাবৃত্তি ও খনিতে কাজও। এই শিশুরা বিভিন্ন ধরনের নির্যাতনেরও শিকার। এদের দিয়ে পর্নোগ্রাফি-সহ নানারকম যৌন ক্রিয়াও করানো হয়।

এনসিআরবি-র রিপোর্ট থেকে জানা যাচ্ছে, দেশে প্রতি আট মিনিটে একজন করে শিশু নিখোঁজ হয়। অধিকাংশ ক্ষেত্রে এদের বিক্রি করে দেওয়া হয় বা কারও চাহিদা পূরণের জন্য কেনা হয়। অনেকসময় কাজের লোভ দেখিয়েও বাচ্চাদের বিভিন্ন জায়গায় নিয়ে যায় পাচারকারীরা। তারপর সুযোগ বুঝে তাদের দাসে পরিণত করে।

আবার অনেক সময় পাচারকারীরা বহুদিন ধরে শিশুদের পরিবারের সঙ্গে খুব ঘনিষ্ঠভাবে মেলামেশা করে পরিবারের বিশ্বাস অর্জন করে। তারপর সুযোগ বুঝে বাচ্চাদের কাজের লোভ ও উজ্জ্বল ভবিষ্যতের স্বপ্ন দেখিয়ে সঙ্গে করে নিয়ে যায়। অবশ্য কিছু ক্ষেত্রে হুমকি দিয়েও জোর করেও পরিবারের থেকে বাচ্চাদের ছিনিয়ে নেওয়া হয়। দেশের একটা বড় সংখ্যক শিশুকে মুম্বইয়ের বিরাট বস্তি অঞ্চল ধারাভি থেকে নানাবিধ অন্যায় শ্রমের কাজের নিয়ে যাওয়া হয়।

ব্রিটেনের স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা এনএসপিসিসি জানিয়েছে, পাচার হওয়া বাচ্চারা একটু ভাল বেতন এবং উজ্জ্বল ভবিষ্যতের স্বপ্নে এমনই বিভোর থাকে যে, তারা জানেই না তাদের সঙ্গে যা ঘটে চলেছে তা আসলে দমন-পীড়ন। যখন তারা বুঝতে শেখে যে তাদের জোর করে কাজ করানো হচ্ছে, তখন শুরু হয় হুমকি। পাচারকারীরা জানায়, পুলিশ বা আইনের দ্বারস্থ হলে বিপদ বাড়বে। ক্রমশ বাচ্চাদের মধ্যে নানারকম দীর্ঘমেয়াদী শারীরিক ও মানসিক সমস্যা দেখা দেয়।

শিশুশ্রমের জটিল চরিত্র ও আইনি ব্যবস্থার নেওয়ায় খামতি থাকার ফলে দেশে বেড়েই চলেছে এই অপরাধ।

পুলের জলে পড়ে গিয়েছিল ৩ বছরের মেয়ে, বুদ্ধি আর সাহস দিয়ে তাকে বাঁচালেন ১৮-র তরুণী


```