
শুভেন্দু অধিকারী ও কুণাল ঘোষ।
শেষ আপডেট: 14 July 2024 20:59
দ্য ওয়াল ব্যুরো: তৃণমূলের ২১ জুলাইয়ের শহিদ সমাবেশের দিনেই রাজ্যজুড়ে 'গণতন্ত্র হত্যা দিবস' পালন করবে বিজেপি। রবিবার রাজভবনের সামনে ধর্না মঞ্চ থেকে একথা ঘোষণা করেছেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। শুভেন্দুর এই কর্মসূচি নিয়েই এবার বড় অভিযোগ আনলেন তৃণমূল নেতা কুণাল ঘোষ।
রবিবার রাতে এক বিবৃতিতে কুণালের দাবি, "বিজেপি দলটাকে বাংলা থেকে এমনিতেই তুলে ফেলার ব্যবস্থা করেছে শুভেন্দুরা। যেটুকু বাকি রয়েছে ২১ জুলাই শহিদ দিবসে 'গণতন্ত্র হত্যা দিবস' পালন দিবসের ডাক দিয়ে নিজেদের কফিনে শেষ পেরেক পুঁতে দেওয়ার ব্যবস্থা করছেন শুভেন্দু।"
১৯৯৩ সালের ২১ জুলাই তৎকালীন যুব কংগ্রেস নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে গণতন্ত্র রক্ষার দাবিতে রাইটার্স অভিযানে গিয়ে শহিদ হয়েছিলেন ১৪ জন তৃণমূল কর্মী। সেই থেকে প্রতি বছরই ২১ জুলাই শহিদ দিবস পালন করে তৃণমূল। সদ্য সমাপ্ত লোকসভা ভোটে বাংলার ২৯ আসনে জয়লাভের পর শহিদ দিবসকে সামনে রেখেই হতে চলেছে তৃণমূলের প্রথম বড় জনসভা। আর এবার ওইদিনই 'গণতন্ত্র হত্যা দিবস' পালনের ডাক দিয়েছেন শুভেন্দু।
তৃণমূলের দাবি, বিজেপির এই 'অসভ্যতা' বাংলার মানুষ ভালভাবে নেবেন না। কুণালের ব্যাখ্যা, ১৯৯৩ সালের ২১ জুলাই সচিত্র পরিচয় পত্রর দাবিতে আন্দোলন করেছিলেন তৎকালীন যুব কংগ্রেস নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ভোটের কারচুপি রুখতে স্লোগান উঠেছিল, 'নো আইকার্ড নো ভোট'। সিপিএম সরকার সেখানে লাঠি, গুলিয়ে চালিয়ে ১৪ জনকে শহিদ করেছিল। ওই আন্দোলন ছিল গণতন্ত্র রক্ষা করার লড়াই। পরে কেন্দ্র বাধ্য হয় সচিত্র পরিচয় পত্র চালু করে। অথচ সেদিনই 'গণতন্ত্র হত্যা দিবস' পালন করতে চাইছে বিজেপি।
যদিও শুভেন্দুর অভিযোগ, প্রতিটি ভোটকে তৃণমূল প্রহসনে পরিণত করেছে। কারচুপির দিক থেকে সিপিএমকেও ছাপিয়ে গিয়েছে তৃণমূল। তাই ২১ জুলাইই 'গণতন্ত্র হত্যা দিবস' পালন করা হবে।