পুলিশের বাধা টপকেই নবান্নমুখী হয় জনতা। তাঁদের রুখতে এখানেও জল কামান ছুড়তে শুরু করে পুলিশ। বিক্ষোভকারীদের হঠাতে লাঠি নিয়ে তেড়ে যায়। ঘটনাস্থল থেকে আটক করা হয় বেশ কয়েকজনকে।
তুমুল উত্তেজনা ছড়ায় সাঁতরাগাছিতেও। বেলা একটার কিছু আগে আন্দোলনকারীদের একটি দল নবান্নের দিকে ব্যারিকেড ভাঙার চেষ্টা করে। এই ঘটনা ঘিরে রীতিমতো রণক্ষেত্রের চেহারা নেয় গোটা এলাকা। আন্দোলনকারীদের রুখতে সোমবার থেকেই রাস্তা খুঁড়ে ব্যারিকেড বসিয়েছিল পুলিশ। পাকাপোক্ত সেই ব্যারিকেডও উপরে ফেলেন আন্দোলনকারীরা। পুলিশকে লক্ষ্য করে ইট পাথর ছুড়তে দেখা যায় তাঁদের। তবে তারা নবান্নমুখী হতেই লাঠি নিয়ে তাড়া করে পুলিশ।
নবান্ন অভিযান ঘিরে অগ্নিগর্ভ পরিস্থিতি তৈরি হয় হাওড়া ব্রিজের উপরেও। এখানেও আন্দোলনকারীদের সামাল দিতে জল কামান ও কাঁদানে গ্যাসের শেল ফাটাতে শুরু করে পুলিশ। ধোঁয়া ও জলের তোড়ে কিছুটা ছত্রভঙ্গ হলেও পরক্ষণেই ফের এককাট্টা হয়ে ব্যারিকেড ভাঙতে উদ্দত হয় জনতা। জনতার ছোড়া ইটে মাথা ফাটে চণ্ডীতলার আইসির। মাথায় গুরুতর চোট পান ব়্যাফের এক জওয়ানও। বেলা যত গড়াতে থাকে ততই বেড়েছে আন্দোলনের ঝাঁঝ। বেলা সাড়ে তিনটেতেও পুলিশের বাধা টপকে নবান্নের দিকে এগোনোর চেষ্টা করছে আন্দোলনকারীরা।


