
শেষ আপডেট: 10 December 2023 23:53
দ্য ওয়াল ব্যুরো: পিছিয়ে গেল মেট্রোর অরেঞ্জ লাইনের কাজ। আরও এক বছর নিউ গড়িয়া থেকে এয়ারপোর্ট পর্যন্ত মেট্রোর প্রজেক্ট পিছিয়ে দেওয়া হয়েছে। নেপথ্যে জমি জট। আপাতত ২০২৫ সালের আগে এই প্রকল্পের কাজ শেষ হওয়ার সম্ভাবনা কম। এমনটাই রেলওয়ে বিকাশ নিগম লিমিটেড সূত্রের খবর।
২০২১ সালের ৩৪ মার্চ শুরু হয়েছিল নিউ গড়িয়া থেকে এয়ারপোর্টগামী মেট্রোর লাইনের কাজ। নিউ গড়িয়া-এয়ারপোর্ট পর্যন্ত ৩২ কিলোমিটার মেট্রোর এই লাইনকে বলা হয় অরেঞ্জ লাইন। দীর্ঘদিন ধরেই মেট্রোর এই অরেঞ্জ লাইনে চলছে সমস্যা। এই প্রজেক্টের কাজ শুরু হওয়ার পর থেকেই আসতে থাকে একের পর এক বাধা। মূলত, ভিআইপি বাজার, মেট্রো পলিটন এবং চিংড়িঘাটা মোড়ের কাছে মেট্রোর কাজের জন্য রেল বিকাশ নিগম লিমিটেডের জমির প্রয়োজন। আর সেই জায়গা নিয়েই দীর্ঘদিন ধরে চলছে টালবাহানা। জমি সংক্রান্ত জটিলতার কারণেই ক্রমশ পিছিয়ে যাচ্ছে সংশ্লিষ্ট মেট্রোর লাইন নির্মাণের কাজ। এদিকে সময় বেড়ে যাওয়ার কারণে বাড়ছে প্রজেক্টের খরচাও।
সূত্রের খবর, মেট্রোর লাইন নির্মাণকারী সংস্থাকে দুটি জায়গায় সবচেয়ে বেশি সমস্যায় পড়তে হচ্ছে। যা হল হজ হাউস থেকে কৈখালী ক্রসিং পর্যন্ত ৪৫০ মিটার এবং চিনার পার্ক থেকে হলদিরাম পর্যন্ত ৩৪ মিটার জায়গা। প্রাথমিকভাবে প্রথম অংশটিতে মেট্রোর কাজের জন্য জায়গা ছেড়ে দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু চিনার পার্কের কাছে ট্রাফিকের চাপ থাকার জন্য জায়গা খালি পাওয়ার ব্যাপারে পুলিশের অনুমতি পাওয়া যাচ্ছিল না। অবশেষে ওই অংশের কাজের ছাড়পত্র পাওয়া যায়। যদিও হজ হাউস থেকে কৈখালী পর্যন্ত ২১ টি মেট্রোর স্তম্ভ নির্মাণের জন্য রাতে পাঁচ ঘণ্টা ট্রাফিক বন্ধ রাখতে হবে। যার ছাড়পত্র কয়েকদিন আগেই মিলেছে।
প্রসঙ্গত, জমি জট কাটাতে গত মার্চ মাসে নবান্নে একটি উচ্চপর্যায়ের বৈঠক হয়। সেই বৈঠকে রাজ্যের মুখ্যসচিব হরিকৃষ্ণ দ্বিবেদীর পাশাপাশি ছিলেন নির্মাণকারী সংস্থা আরভিএনএল, কলকাতা পুলিশ, কলকাতা পুরসভা এবং সিইএসসির আধিকারিকরা। কিন্তু তারপরও জমি জটের পুরোপুরি সমাধান সূত্র মেলেনি। সংশ্লিষ্ট মেট্রো পরিষেবা চালু হলে মুকুন্দপুর, পিয়ারলেস বা সন্তোষপুরের দিক থেকে সহজে এয়ারপোর্ট পৌঁছতে অনেকটাই সুবিধা হবে বলে আশা শহরবাসীর