ভবানীপুর বিধানসভা কেন্দ্রের কাউন্সিলরদের নিয়ে বৈঠক করতে চলেছেন তিনি। সূত্রের খবর, এদিন সন্ধে ৬টায় কালীঘাটে হবে সেই বৈঠক।
.jpeg.webp)
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়
শেষ আপডেট: 30 January 2026 15:59
দ্য ওয়াল ব্যুরো: ভবানীপুর বিধানসভা কেন্দ্রের (Bhawanipore) কাউন্সিলরদের নিয়ে ফের বৈঠকে (Councillors Meeting) বসতে চলেছেন মুখ্যমন্ত্রী তথা তৃণমূল কংগ্রেস সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)। শুক্রবার সন্ধে ৬টায় কালীঘাটে এই বৈঠক হবে বলে দলীয় সূত্রে জানা গেছে।
ভবানীপুর কেন্দ্রের অন্তর্গত কলকাতা পুরসভার আটটি ওয়ার্ডের নির্বাচিত কাউন্সিলরদেরই এই বৈঠকে উপস্থিত থাকতে বলা হয়েছে।
কলকাতা পুরসভার (KMC) যে আটটি ওয়ার্ড নিয়ে ভবানীপুর বিধানসভা গঠিত, সেগুলি হল ৬৩, ৭০, ৭১, ৭২, ৭৩, ৭৪, ৭৭ এবং ৮২ নম্বর ওয়ার্ড। স্থানীয় স্তরে সংগঠন, নাগরিক পরিষেবা এবং প্রশাসনিক সমন্বয় - এই সব বিষয়েই কাউন্সিলরদের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ। সেই কারণেই মুখ্যমন্ত্রী সরাসরি তাঁদের সঙ্গে আলোচনায় বসছেন বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল।
উল্লেখযোগ্য ভাবে, এর আগেও ভবানীপুর কেন্দ্রকে ঘিরে বৈঠক করেছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। গত বছর, অর্থাৎ ২০২৫ সালের ১৬ ডিসেম্বর, এসআইআর (West Bengal SIR) পর্বের মাঝে ভবানীপুর বিধানসভার বিএলএ (BLA)-দের নিয়ে বৈঠক করেছিলেন তিনি। সেই সময় এসআইআর-এর খসড়া তালিকা প্রকাশের পর ভবানীপুর বিধানসভা এলাকায় প্রায় ৪০ হাজারের বেশি ভোটারের নাম বাদ পড়তে পারে, এমন আশঙ্কা তৈরি হয়েছিল। দলীয় সূত্রে জানা যায়, ওই পরিস্থিতিতে কর্মীদের সতর্ক করা এবং মাঠপর্যায়ে আরও সক্রিয় হওয়ার নির্দেশ দিতেই সেই বৈঠক করেছিলেন তৃণমূল সুপ্রিমো।
এক মাসের ব্যবধানে ফের ভবানীপুর কেন্দ্রকে ঘিরে বৈঠক ডাকায় রাজনৈতিক তাৎপর্য দেখছেন দলেরই একাংশ। এক তৃণমূল কাউন্সিলর জানিয়েছেন, শুক্রবার সকালেই তাঁর সঙ্গে যোগাযোগ করে বৈঠকে যোগ দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। অনেকের মতে, এসআইআর আবহে এবং আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনকে মাথায় রেখেই সংগঠনকে আরও মজবুত করা এবং ওয়ার্ডভিত্তিক কাজের খোঁজ নিতেই এই বৈঠক ডাকা হয়েছে।
ভবানীপুর বিধানসভা কেন্দ্র মুখ্যমন্ত্রীর নিজের কেন্দ্র হওয়ায়, এই এলাকার সংগঠন নিয়ে তিনি বরাবরই বিশেষভাবে নজর রাখেন। নাগরিক সমস্যা, ভোটার তালিকা সংক্রান্ত বিষয়, দলীয় কর্মসূচির বাস্তবায়ন এবং প্রশাসনিক সমন্বয় - সব মিলিয়েই এই বৈঠক গুরুত্বপূর্ণ হতে চলেছে বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল। এসআইআর সংক্রান্ত অভিজ্ঞতার পরিপ্রেক্ষিতে কাউন্সিলরদের কাছ থেকে সরাসরি মতামত ও তথ্য জানার বিষয়টিও আলোচনায় উঠে আসতে পারে বলে সূত্রের খবর।