কসবা কলেজের ঘটনা সামনে আসার অল্প সময়ের মধ্যেই প্রথমে ৩ জন এবং পরে আরও ১ জন গ্রেফতার হয়েছে। খোদ তৃণমূলের তরফে সাংবাদিক বৈঠক করে পুলিশি ভূমিকার প্রশংসা করা হয়।

ফাইল ছবি
শেষ আপডেট: 30 June 2025 17:14
দ্য ওয়াল ব্যুরো: আইন কলেজে আইনেরই ছাত্রীকে গণধর্ষণ আইনের ছাত্রদের! কসবার ঘটনা (Kasba Law College Incident) তোলপাড় ফেলে দিয়েছে রাজ্যে। একই সঙ্গে ফের প্রশ্ন তুলে দিয়েছে নারী নিরাপত্তার। স্বাভাবিকভাবেই সরকার তো বটেই, পুলিশের ভূমিকা নিয়েও নানা অভিযোগ উঠছে। এই আবহে বার্তা দিল কলকাতা পুলিশ (Kolkata Police)। জানাল, নির্যাতিতাকে দ্রুত বিচার দিতে তাঁরা বদ্ধপরিকর।
কসবা কলেজের ঘটনা সামনে আসার অল্প সময়ের মধ্যেই প্রথমে ৩ জন এবং পরে আরও ১ জন গ্রেফতার হয়েছে। খোদ তৃণমূলের তরফে সাংবাদিক বৈঠক করে পুলিশি ভূমিকার প্রশংসা করা হয়। দাবি করা হয়, ১২ ঘণ্টার মধ্যে অ্যাকশন নিয়েছে তাঁরা। এদিন সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করে একই কথা বলে দ্রুত বিচারের আশ্বাস দিল কলকাতা পুলিশ। কী কী পদক্ষেপ ইতিমধ্যে নেওয়া হয়েছে তা বিস্তারিতভাবে জানিয়েছে তাঁরা।
পোস্ট করে বলা হয়েছে - ঘটনার পর মাত্র ১২ ঘণ্টার মধ্যেই এফআইআরে নাম থাকা তিনজন অভিযুক্তকেই গ্রেফতার করা হয়। অভিযুক্ত ও নির্যাতিতার মেডিকো-লিগ্যাল পরীক্ষা ইতিমধ্যেই সম্পন্ন হয়েছে। ঘটনাস্থল থেকে ফরেনসিক নমুনা সংগ্রহ ও পরীক্ষা শেষ হয়েছে। স্পষ্ট জানান হয়েছে, দোষীরা যাতে কঠোরতম আইনি শাস্তি পায় তা নিশ্চিত করতে বদ্ধপরিকর তাঁরা। একই সঙ্গে যাতে নির্যাতিতা দ্রুত বিচার পান, সেটাও নিশ্চিত করতে সবরকম পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে।
Kasba Law College case update:
All the three FIR-named accused persons have been arrested in less than 12 hours. Another accused person has since been arrested based on evidences. Medicolegal examination of the victim and the accused persons have been completed. Forensic…— Kolkata Police (@KolkataPolice) June 30, 2025
কলেজটি ডে কলেজ। সাধারণত, বিকেল ৪টার মধ্যেই ছুটি হয়ে যায়। তা সত্ত্বেও সেদিন বিকেল ৪টের পর কলেজে ১৭ জন কেন ছিলেন, তা নিয়েই উঠছে প্রশ্ন। প্রাথমিক তদন্তে জানা গিয়েছে, ওই ১৭ জনের মধ্যে কেউ কি কিছু সন্দেহজনক দেখেছিল, না কি অন্য কোনও উদ্দেশ্য নিয়ে তাঁরা থেকে গিয়েছিলেন, তা খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা।
পুলিশ সূত্রে খবর, ইতিমধ্যেই দু’জনকে ডেকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে। তাঁদের বয়ানে মিল খুঁজতে কাজ চলছে। বাকিদেরও শীঘ্রই ডেকে পাঠাবে তদন্তকারী দল।