
সঞ্জয় রায়
শেষ আপডেট: 20 January 2025 12:21
দ্য ওয়াল ব্যুরো: সোমবার সাজা ঘোষণা আরজি কর কাণ্ডে দোষী সাব্যস্ত সঞ্জয় রায়ের। তার আগের রাতে কার্যত উদাসীন ছিলেন তিনি। এমনটাই জেল সূত্রে খবর। রোজকারের মতো খাওয়া-দাওয়া তো ছিলই, ক্যারমও খেলেছেন তিনি বলে জানা গেছে।
গত শনিবার রায়দানের পর হতাশাগ্রস্ত হয়ে গেছিলেন সঞ্জয় রায়। রাতে কিছু খাননি বলে খবর ছিল। তবে রবিবার সকাল থেকে একেবারেই স্বাভাবিক ছিলেন তিনি। নিয়ম করে খাবার খান, এমনকী অন্য বন্দিদের সঙ্গে ক্যারমও খেলেন! জেল সূত্রে খবর, রবিবার সারাদিন সঞ্জয়কে দেখে মনেই হয়নি তাঁকে সোমবার যাবজ্জীবন বা ফাঁসির সাজা দেওয়া হতে পারে।
ভারতীয় ন্যায় সংহিতার ৬৪, ৬৬ এবং ১০৩ এর ৩ উপধারায় সঞ্জয় রায়ের বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা হয়েছে। ভারতীয় ন্যায় সংহিতার ৬৪ ধারায় ধর্ষণ, ৬৬ ধাারায় ধর্ষণের সময় এমন আঘাত করা, যার জেরে মৃত্যু হতে পারে এবং ১০৩ এর ধারায় খুনের মামলা আনা হয়েছে। যার অর্থ সর্বোচ্চ সাজা মৃত্যুদণ্ড এবং সর্বনিম্ন সাজা যাবজ্জীবন কারাদণ্ড। যদিও রায়দানের পর সঞ্জয় দাবি করেছিলেন তিনি নির্দোষ, তাঁকে ফাঁসানো হয়েছে।
দোষী সাব্যস্ত সঞ্জয় আদালতে চিৎকার করে বলেছিলেন, 'আমার গলায় রুদ্রাক্ষের মালা ছিল। ধস্তাধস্তিতে তা ছিঁড়ে যেতে পারত।' পাশাপাশি যাঁরা যাঁরা এই ঘটনায় যুক্ত তাঁদের কেন ছেড়ে দেওয়া হল? প্রশ্ন তোলেন সঞ্জয়। বিচারকের উদ্দেশে বলেন, 'আমাকে ফাঁসানো হয়েছে স্যার'। প্রতিবাদী জুনিয়র ডাক্তার থেকে শুরু করে সাধারণ মানুষের একাংশও মনে করে, এই ঘটনায় আরও অনেকে জড়িত। কিন্তু সিবিআই মনে করেছে, সঞ্জয় একাই দোষী। আর তাঁদের একাধিক রিপোর্টেও বলা হয়েছে যে এই কাজ কারও একার পক্ষে করা সম্ভব।
শিয়ালদহ আদালত সোমবার কী সাজা ঘোষণা করে সেটাই এখন দেখার।