
শেষ আপডেট: 5 December 2020 18:30
তবে বোঝার পরে একমুহূর্তও সময় নষ্ট করেননি তাঁরা। দেখার জন্য হুমড়ি খেয়ে পড়েন নি কেউ। তীরে আনার কয়েক মিনিটের মধ্যে জাল কেটে তিমিটিকে ছেড়ে দেওয়ার জন্য তৎপর হয়ে ওঠেন তাঁরা প্রত্যেকে। জানা যায় বিপন্ন প্রজাতির এই প্রাণীর ওজন এক হাজার কিলোগ্রাম। ফলে সহজ ছিল না কাজটা। কিন্তু প্রাণীটার প্রাণ বাঁচানোর তাগিদ অনুভব করে শেষ পর্যন্ত সমুদ্রে ছেড়ে দিতে পেরেছিলেন তিমিটাকে।
এতটাই ভারি যে ছেড়ে দেওয়ার আগে দুবার চেষ্টা করেও তাঁরা পারেননি। তারপর সমুদ্রের জলে ঠেলে দিলেই তিমিটা নিজেই সাঁতার কেটে ভিতরে চলে যায়। তারপরেই খুশিতে মেতে ওঠেন সকলে। একটা প্রাণী তাঁর নিজের জগতে ফিরতে পেরে যতটা খুশি হয়েছে, ততটাই আনন্দ অনুভব করেছেন মৎস্যজীবীরা।
এই কাজের জন্য মৎস্যজীবীদের ভূয়সী প্রশংসা করেছেন কেরালা সরকার। মৎস্যজীবীদের পুরস্কৃতও করা হবে বলে জানা যাচ্ছে। কারণ বেশিরভাগ সময় দেখা যায় বিপন্ন বা বিরল প্রজাতির প্রাণী, মাছ হাতে পেলেই অনেকে মোটা টাকার লোভে তাদের বিক্রি করে দিতে চান জেলেরা। কারণ এই প্রাণীদের চামড়া, মাংস, লিভার থেকেই নানা দামী ওষুধ তৈরি হয়। আবার কখনও দামি রেস্তোরাঁর মালিকেরাও কিনে নেন। কিন্তু এতজন মৎস্যজীবী মিলে একটা প্রাণীকে স্বাভাবিক অবস্থায় তার জগতে ফিরিয়ে দিতে পেরেছেন, এই কাজের জন্য তাঁদের প্রশংসা করছেন গোটা রাজ্যবাসী।