Date : 15th Apr, 2026 | Call 1800 452 567 | info@thewall.in
পদ খোয়ানোর পর এবার নিরাপত্তা! রাঘব চাড্ডার Z+ সুরক্ষা তুলে নিল পাঞ্জাব সরকার, তুঙ্গে জল্পনাফাঁকা স্টেডিয়ামে পিএসএলের আড়ালে ভারতের জ্বালানি সঙ্কট! নকভির ‘যুক্তি’তে হতভম্ব সাংবাদিকভোটের রেজাল্টে পর ফের ডিএ মামলার শুনানি শুনবে সুপ্রিম কোর্ট! ৬০০০ কোটি টাকা দেওয়া হয়েছে, জানাল রাজ্যহরমুজ প্রণালীতে ট্রাম্পের দাপট! মার্কিন যুদ্ধজাহাজের বাধায় ফিরল বিদেশী ট্যাঙ্কারTCS Case: প্রথমে বন্ধুত্ব, তারপর টাকার টোপ! টিসিএসের অফিসে কীভাবে টার্গেট করা হত কর্মীদের‘ফোর্স ৩’ শুটিং জোরকদমে, পুরনো চরিত্রে ফিরছেন জন— নতুন চমক কারা?'মমতা চান না গোর্খারা শান্তিতে থাকুন, অধিকার ফিরে পান', দার্জিলিঙে ভিডিওবার্তা অমিত শাহেরগ্রাহকের পকেট বাঁচাতে ভারি খেসারত দিচ্ছে তেল কোম্পানিগুলি! প্রতিদিন লোকসান ১,৬০০ কোটিরইচ্ছেশক্তির বারুদে আগুন ধরাল ধোনির পেপ টক! নাইটদের বিঁধে দুরন্ত কামব্যাক নুর আহমেদেরময়মনসিংহে দীপুচন্দ্র দাসকে হত্যার প্রধান আসামিকে ১ বছরের অন্তর্বর্তী জামিন, কাঠগড়ায় বিচারপতি

মাঝরাতে ইএসআইতে কণ্ঠস্বরের ‘স্যাম্পেল টেস্ট’, ভোররাতে কাকু ফিরলেন এসএসকেএমে, সেখানেও নাটক

সন্ধেবেলা এসএসকেএমের হৃদরোগ বিভাগের কেবিন থেকে খয়েরি রঙের চাদর মুড়ি দিয়ে বের হয়েছিলেন ‘কাকু’। মুখে ছিল মাস্ক।

মাঝরাতে ইএসআইতে কণ্ঠস্বরের ‘স্যাম্পেল টেস্ট’, ভোররাতে কাকু ফিরলেন এসএসকেএমে, সেখানেও নাটক

শেষ আপডেট: 4 January 2024 08:37

দ্য ওয়াল ব্যুরো: প্রায় সাড়ে চার মাস পর এসএসকেএম হাসপাতালের বাইরে বের হন সুজয়কৃষ্ণ ভদ্র ওরফে ‘কালীঘাটের কাকু’। গত ২২ অগস্ট এসএসকেএম হাসপাতালের কার্ডিওলজি বিভাগে ভর্তি করা হয়েছিল তাঁকে। কার্ডিওলজি ব্লকের তিন তলায় একটি এসি কেবিনে ভর্তি ছিলেন ‘কাকু’। সুজয়কৃষ্ণের কণ্ঠস্বরের নমুনা নেওয়া নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে টানাপড়েন চলছিল। এর আগে একবার নমুনা নিতে গিয়ে এমএসভিপি-র বাধার মুখে পড়েছিল ইডি। সেই নিয়ে জল আদালত অবধি গড়িয়েছিল। প্রসঙ্গত, গত বছর ডিসেম্বরের শুরুতে জোকা ইএসআই হাসপাতালের অ্যাম্বুল্যান্স গিয়েও ফিরে এসেছিল। তারপর গতকাল বুধবার রাতে জোকা ইএসআই হাসপাতালে ‘ভয়েস স্যাম্পেল টেস্ট’ এর জন্য নিয়ে যাওয়া হয় কাকুকে। ভোররাতে আবার ফিরিয়েও আনা হয় এসএসকেএম হাসপাতালে। সেখানে পৌঁছেও নাকি দীর্ঘক্ষণ অপেক্ষা করতে হয় তাঁকে।

বুধবার সন্ধে থেকে শুরু হয় তোড়জোড়। এসএসকেএমের কার্ডিওলজি বিভাগের সামনে এসে পৌঁছয় ইএসআই হাসপাতালের অ্যাম্বুল্যান্স। মোতায়েন করা হয় কেন্দ্রীয় বাহিনী। নিরাপত্তার ঘেরাটোপে কালীঘাটের কাকুকে নিয়ে যাওয়া হয় জোকা ইএসআই হাসপাতালে। দীর্ঘ সময় ধরে সেখানে চলে তাঁর ‘ভয়েস স্যাম্পেল টেস্ট’ এর প্রক্রিয়া। সূত্রের খবর, রাত ৩টে ২০ মিনিট নাগাদ আবার তাঁকে ফিরিয়ে আনা হয় এসএসকেএম হাসপাতালে।

সন্ধেবেলা এসএসকেএমের হৃদরোগ বিভাগের কেবিন থেকে খয়েরি রঙের চাদর মুড়ি দিয়ে বের হয়েছিলেন ‘কাকু’। মুখে ছিল মাস্ক। হুইলচেয়ারে করে তাঁকে তোলা হয় অ্যাম্বুলেন্সে। কণ্ঠস্বর পরীক্ষার পরও হুইলচেয়ারে বসেই আবার অ্যাম্বুলেন্সে ওঠেন তিনি। ফেরত আনা হয় এসএসকেএমে। ফেরার পরে নাকি দীর্ঘসময় এসএসকেএমের দরজাতেই অপেক্ষা করতে হয় কাকুকে। কারণ এসএসকেএমের গেট বন্ধ ছিল। ভোররাতে কার্ডিওলজি বিভাগে ফের ঢোকানো হয় তাঁকে।

কালীঘাটের কাকুর কণ্ঠস্বরের নমুনা সংগ্রহ করা নিয়ে চূড়ান্ত নাটকীয়তা হয়েছে। এই ভয়েস স্যাম্পেল টেস্টকে ডাক্তারি ভাষায় বলে ফরেন্সিক ভয়েস অ্যানালিসিস। কণ্ঠস্বরের পিচ বা তীক্ষ্ণতা পরীক্ষা করা হয়। কোনও ব্যক্তি কীভাবে কথা বলছেন, তাঁর ভয়েস বা গলার জোর কতটা, কথা বলার সময় কখন থামছেন সেসব সূক্ষ্ম বিষয়গুলো পরীক্ষা করা হয়। সাধারণত ভয়েস টেস্টের সময় কোনও একটা লেখা পড়তে বলা হয়।  তখন সেই কণ্ঠস্বরকে ডিজিটালি রেকর্ড করা হয়। এরপর অন্য কোনও জায়গা থাকে পাওয়া কণ্ঠস্বরের নমুনার সঙ্গে সেটি মিলিয়ে দেখা হয়। এর একটি বিশেষ প্রক্রিয়াও আছে। এর থেকে বোঝা যেতে পারে দুটি কণ্ঠস্বর এক কিনা।


```