
শেষ আপডেট: 25 August 2023 10:23
দ্য ওয়াল ব্যুরো: গত বুধবার যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের (Jadavpur University) ক্যাম্পাসে দেখা যায় সেনা উর্দিধারী জনা কুড়িজনকে! যা নিয়ে বিতর্ক চলছেই। বৃহস্পতিবার এই বিষয়ে পুলিশ স্বতঃপ্রণোদিত মামলা রুজু করেছে। জানা গিয়েছিল, এই ঘটনায় বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার স্নেহমঞ্জু বসুকে ডাকবে লালবাজার। শুক্রবার জানা গেছে, শুধু রেজিস্ট্রার নন, বিশ্ববিদ্যালয়ের ডিন অফ স্টুডেন্টস (Dean of Students) রজত রায় ও অন্তর্বর্তীকালীন উপাচার্য বুদ্ধদেব সাউকেও নোটিস পাঠানো হয়েছে।
বুধবার হঠাৎ করেই যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাসে ভারতীয় সেনার পোশাক পরা বেশ কয়েকজনকে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা যায়। তাতেই একাধিক প্রশ্ন উঠতে শুরু করে। কে তাঁদের ডেকে পাঠিয়েছে, সত্যিই তাঁরা সেনাকর্মী কিনা, সেই প্রশ্ন উঠতে শুরু করে।
পরে অবশ্য জানা যায়, তাঁরা হলেন 'এশিয়ান হিউম্যান রাইটসসোস্যাইটি’ নামে একটি সংগঠনের সদস্য। তাঁদের কেউ ডেকে পাঠায়নি, তাঁরা সম্পূর্ণ নিজেদের উদ্যোগেই যাদবপুরে গিয়েছিলেন। কিন্তু কার অনুমতিতে তাঁরা বিশ্ববিদ্যালয়ে ঢুকলেন, সেটাই এখন বড় প্রশ্ন।
যাদবপুরের ছাত্র মৃত্যুর ঘটনার (Jadavpur University Student Death Case) পর থেকেই একাধিক প্রশ্ন সামনে আসছে। বিশ্ববিদ্যালয়ে র্যাগিং, মদ্যপান, গাঁজা সেবন, কিংবা যৌনতা- একাধিক বিষয় নিয়ে উত্তাল রাজ্য রাজনীতি। পুলিশ তদন্তে নেমেছে। বিশ্ববিদ্যালয়ও একাধিক নিয়ম বলবৎ করেছে। সেখানে ক্যাম্পাসে বহিরাগতদের অবাধ যাতায়াত আটকাতে, একাধিক নিয়মের কথা বলা হয়েছে।
সূত্রের খবর, যে সংস্থার প্রতিনিধি হিসেবে জনা ২০ যুবক-যুবতী সেনার পোশাক পরে বিশ্ববিদ্যালয়ে গিয়েছিলেন, সেই সংস্থার প্রধানকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে। সেনা বাহিনীর পোশাক পরে তাঁরা কীভাবে অরবিন্দ ভবনের কাছে পৌঁছাল, কার অনুমতি ছিল তাতে, সেটাই জানার চেষ্টা করছে পুলিশ।
এদিকে, যাদবপুর কাণ্ডে মেন হস্টেলের আরও কয়েকজন আবাসিককে তলব করা হয়েছে শুক্রবার।সূত্রের খবর, বিশ্ববিদ্যালয়ের তিনতলায় যেখানে ঘটনা ঘটে, তার ওপরের তলায় থাকতেন ওই চার পড়ুয়া। সেদিন রাতে ঠিক কী ঘটেছিল, সেটাই জানতে চাইছেন তদন্তকারী অফিসাররা।
আরও পড়ুন: রাজ্যপালের মাথায় কে যে এসব ঢোকায়! মিজোরামে ব্রিজ কেন ভাঙল সেও তাহলে দেখুন: তৃণমূল