
শেষ আপডেট: 8 February 2021 12:46
আর্থ মুভার ও শাবল নিয়ে কয়েকশ স্থানীয় মানুষ সুড়ঙ্গের মুখ খোলার চেষ্টা করছেন। ইন্দো টিবেটান বর্ডার পুলিশ ও ন্যাশনাল ডিজাস্টার রেসপন্স ফোর্স ও স্টেট ডিজাস্টার রেসপন্স টিমের কর্মীরাও ত্রাণের কাজ শুরু করেছেন। সুড়ঙ্গের ভিতরে ১০০ মিটার পর্যন্ত জায়গা পরিষ্কার করা হয়েছে। ত্রাণকর্মীরা মনে করছেন, আরও ১০০ মিটার জায়গা ধুলো ও পাথর সরিয়ে পরিষ্কার করলে তবেই সুড়ঙ্গে ঢোকা যাবে। আইটিবিপি-র মুখপাত্র বিবেক কুমার পাণ্ডে সোমবার বিকালে জানান, আরও কয়েক ঘণ্টার মধ্যে আরও ১০০ মিটার জায়গা পরিষ্কার হয়ে যাবে বলে আশা করা হচ্ছে।
https://twitter.com/adgpi/status/1358701908626575364
সুড়ঙ্গের বাইরে এখন ড্রাগন লাইট সেট, অক্সিজেন সিলিন্ডার এবং স্ট্রেচার আনা হয়েছে। রবিবার সন্ধ্যায় কাছেই একটি ছোট সুড়ঙ্গ থেকে উদ্ধার করা হয়েছে ১২ জনকে।
রবিবার চামোলি পুলিশ টুইট করে জানায়, 'তপোবন রাইনি অঞ্চলে হিমবাহ ভেঙে পড়েছে। তার ফলে হৃষিগঙ্গা বিদ্যুৎ প্রকল্পের ক্ষতি হয়েছে। অলকানন্দা নদীতে জল বাড়ছে। নদীর তীরে যাঁরা বাস করেন, তাঁদের যত তাড়াতাড়ি সম্ভব সরে আসতে বলা হচ্ছে।'
প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী টুইট করে বলেন, উত্তরাখণ্ডের মানুষ যাতে নিরাপদে থাকেন, সেজন্য সারা দেশ প্রার্থনা করছে। তিনি নিজে সারাক্ষণ পরিস্থিতির ওপরে নজর রাখছেন।
প্রধানমন্ত্রী লিখেছেন, "উত্তরাখণ্ডে যে দুর্ভাগ্যজনক পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে, আমি তার দিকে নজর রাখছি। উত্তরাখণ্ডের পাশে আছে সারা ভারত।" পরে তিনি লিখেছেন, "আমি কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা বলছি। এনডিআরএফের কতগুলি টিম পাঠানো হল, ত্রাণের কাজ কীভাবে চলছে, আমি খবর রাখছি।"
উত্তরাখণ্ডের পরিস্থিতি নিয়ে টুইট করেন রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোবিন্দ। তিনি লিখেছেন, "যোশীমঠের কাছে হিমবাহ ভেঙে ধস নামার খবরে অত্যন্ত উদ্বিগ্ন হয়েছি। সেখানকার মানুষ যাতে নিরাপদে থাকে সেজন্য প্রার্থনা করি।" কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ এদিন উত্তরাখণ্ডের মুখ্যমন্ত্রী ত্রিবেন্দ্র সিং রাওয়াতের সঙ্গে কথা বলেন। মুখ্যমন্ত্রীকে তিনি আশ্বাস দেন, পরিস্থিতি মোকাবিলায় কেন্দ্রীয় সরকার সবরকম সাহায্য দিতে প্রস্তুত।