
বাপের বাড়ি থেকে ফেরার পরেই মিলল বধূর দেহ!
শেষ আপডেট: 4 September 2024 19:29
দ্য ওয়াল ব্যুরো, হুগলি: রাগ করে বাপের বাড়ি তারকেশ্বরে চলে গিয়েছিলেন বধূ। সেখান থেকে মগড়ায় নিজের বাড়িতে ফিরে রহস্যমৃত্যু হল তাঁর। স্বামীর বিরুদ্ধে খুনের অভিযোগ উঠেছে। এই ঘটনা ঘিরে শোরগোল পড়ে গেছে এলাকায়।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, মৃতের নাম শিল্পা রায়। তাঁর বাপেরবাড়ি তারকেশ্বর ৮ নম্বর ওয়ার্ডে। ২০১০ সালে মগড়া গজঘণ্টা মালিকপাড়ার বাসিন্দা গৌতম মালিকের সঙ্গে বিয়ে হয়। দম্পতির দুই সন্তান রয়েছে। গৌতম ইঞ্জিন ভ্যান চালক।
পরিবারের অভিযোগ, গৌতম মদ খেয়ে প্রায় দিন মারধর করত স্ত্রীকে। দুজনের মধ্যে প্রায়ই অশান্তি হত। সপ্তাহ খানেক আগেও দম্পতির মধ্যে তুমুল ঝগড়া হয়। সেই সময়ে গৌতম শিল্পাকে মারধর করে বলে অভিযোগ। রাগ করে বাপের বাড়ি চলে যান শিল্পা। মঙ্গলবার শ্বশুরবাড়ি গিয়ে এক প্রকার হাতে পায়ে ধরে স্ত্রীকে বাড়ি ফিরিয়ে নিয়ে আসেন গৌতম। ভোরে মগড়ার বাড়িতে ফিরে আসেন তাঁরা। সকালে জানা যায়, ঘরে মধ্যে থেকে শিল্পাকে মৃত অবস্থায় পরে থাকতে দেখেন স্থানীয়রা।
যুবকের বৌদি সুজাতা মালিক বলেন, " দুজনের মধ্যে প্রায়ই অশান্তি হতো। বুধবার সকালে ঘর থেকে দেওরকে বেরিয়ে যেতে দেখেছিলাম। আমাদের সঙ্গে কোনও সম্পর্ক ছিল না।"
মৃতার ভাই দীপঙ্কর রায় বলেন, "বিয়ের পর থেকে দিদির উপর অত্যাচার চলত। আগেও মারধর করেছে। তখন দিদি আমাদের বাড়ি চলে আসে। সকালে পাশের বাড়ি থেকে একজন ফোন করে আমাদের খবর দেয়। দিদিকে শ্বাসরোধ করে মেরে ফেলেছে গৌতম।"
বধূর বড়দি পাপিয়া প্রামানিকের কথায়, "নেশা করে বোনের উপর অত্যাচার করত গৌতম। ওকে খুন করার উদ্দেশে বাড়ি নিয়ে চলে এসেছিল। আমার বোনকে যেভাবে মেরেছে ওরও সেরকম শাস্তি চাই।"
পুলিশ মৃতদেহ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য চুঁচুড়া ইমামবাড়া হাসপাতালে পাঠায়। তবে ঘটনার পর থেকেই অভিযুক্তে খোঁজ পাওয়া যাচ্ছে না। পুলিশ তল্লাশি শুরু করেছে।