Date : 15th Apr, 2026 | Call 1800 452 567 | info@thewall.in
পদ খোয়ানোর পর এবার নিরাপত্তা! রাঘব চাড্ডার Z+ সুরক্ষা তুলে নিল পাঞ্জাব সরকার, তুঙ্গে জল্পনাফাঁকা স্টেডিয়ামে পিএসএলের আড়ালে ভারতের জ্বালানি সঙ্কট! নকভির ‘যুক্তি’তে হতভম্ব সাংবাদিকভোটের রেজাল্টে পর ফের ডিএ মামলার শুনানি শুনবে সুপ্রিম কোর্ট! ৬০০০ কোটি টাকা দেওয়া হয়েছে, জানাল রাজ্যহরমুজ প্রণালীতে ট্রাম্পের দাপট! মার্কিন যুদ্ধজাহাজের বাধায় ফিরল বিদেশী ট্যাঙ্কারTCS Case: প্রথমে বন্ধুত্ব, তারপর টাকার টোপ! টিসিএসের অফিসে কীভাবে টার্গেট করা হত কর্মীদের‘ফোর্স ৩’ শুটিং জোরকদমে, পুরনো চরিত্রে ফিরছেন জন— নতুন চমক কারা?'মমতা চান না গোর্খারা শান্তিতে থাকুন, অধিকার ফিরে পান', দার্জিলিঙে ভিডিওবার্তা অমিত শাহেরগ্রাহকের পকেট বাঁচাতে ভারি খেসারত দিচ্ছে তেল কোম্পানিগুলি! প্রতিদিন লোকসান ১,৬০০ কোটিরইচ্ছেশক্তির বারুদে আগুন ধরাল ধোনির পেপ টক! নাইটদের বিঁধে দুরন্ত কামব্যাক নুর আহমেদেরময়মনসিংহে দীপুচন্দ্র দাসকে হত্যার প্রধান আসামিকে ১ বছরের অন্তর্বর্তী জামিন, কাঠগড়ায় বিচারপতি

ইদুঁরের দৌরাত্ম্যে শর্টসার্কিট! হলং বাংলোয় আগুন নিয়ে জমা পড়ল রিপোর্ট

আগুন লাগার কারণ অনুসন্ধানে তদন্ত কমিটি গঠন করেছে বনদফতর।

ইদুঁরের দৌরাত্ম্যে শর্টসার্কিট! হলং বাংলোয় আগুন নিয়ে জমা পড়ল রিপোর্ট

হলং বাংলো

শেষ আপডেট: 24 June 2024 08:46

দ্য ওয়াল ব্যুরো: আগুনে ভস্মীভূত হয়ে গিয়েছে হেরিটেজ হলং বাংলো। পুড়ে ছাই বাংলোর আটটি ঘর। গত মঙ্গলবার রাত ৯টা নাগাদ জলদাপাড়ার ওই বাংলোতে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। তিন মাসের জন্য বন্ধ থাকাকালীন অবস্থায় কী করে এমন ঘটনা ঘটল, তা নিয়ে শোরগোল পড়ে যায়। আগুন লাগার কারণ অনুসন্ধানে তদন্ত কমিটি গঠন করেছে বনদফতর। ইতিমধ্যে কমিটির সদস্যরা তদন্ত রিপোর্ট জমা দিয়েছেন।

সূত্রের খবর, কমিটির রিপোর্টে উল্লেখ রয়েছে যে ১৫ জুন থেকে জঙ্গল বন্ধ হয়ে যাওয়ায় বাংলোয় কোনও পর্যটক ছিলেন না। ঘটনার সময় বাংলোর এসি বন্ধ করা ছিল। রক্ষণাবেক্ষণের জন্য মাঝেমধ্যে বারান্দার আলো জ্বালানো হতো। তাই মেইন সুইচ অন ছিল। শর্টসার্কিট থেকেই আগুন লেগেছিল। আর কীভাবে শর্ট সার্কিট হল তারও আভাস পাওয়া গিয়েছে তদন্ত রিপোর্টে।

হলং বাংলোর অগ্নিকাণ্ডের পিছনে মানুষ নয়, ‘ইঁদুরের ভূমিকা’র উল্লেখ করা হয়েছে রিপোর্টে। প্রাথমিক অনুমান, সুইচ বোর্ডের পিছনে ফাঁকা অংশ দিয়ে ইঁদুর ঢুকে বিদ্যুতের তার কেটে দেয়। সেখান থেকে শর্ট সার্কিট ঘটে। হলং বাংলোয় ইদুঁরের উৎপাতের অভিজ্ঞতা রয়েছে পর্যটকদেরও। ফলে ইঁদুরের দৌরাত্ম্যেই অগ্নিকাণ্ড ঘটেছে বলে মনে করছেন আধিকারিকরা।

আগুন লাগার সময়ে হলং বন বাংলোর কর্মীরা আশপাশেই ছিলেন। তাঁরা পোড়া গন্ধ পেয়ে তড়িঘড়ি আগুনের অনুসন্ধানে নেমে পড়েন। এরই মধ্যে বাংলোর চাবি সময়মতো খুঁজে না পাওয়ায় সমস্যা দেখা দেয়। ফলে দরজা ভেঙে আগুন নেভানোর চেষ্টা করা হয়।

তদন্তের রিপোর্ট অনুযায়ী, এসি মেশিন ফেটে যাওয়ার পর আগুন মুহূর্তের মধ্যে বাংলোর সর্বত্র ছড়িয়ে পড়ে। মাত্র ৩০ মিনিটের মধ্যে পুড়ে ছাই হয়ে যায় ঐতিহাসিক বনবাংলো। ৫৭ বছরের পুরনো বাংলোর শুকনো কাঠ দ্রুত জ্বলে উঠেছিল। এছাড়াও বাংলোয় কাঠের রং ও পালিসের জন্যই আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে।

এদিকে হলংয়ের ঘটনার পর রাজ্যের অন্য পর্যটন কেন্দ্রের বাংলোগুলি নিয়েও নতুন করে ভাবনাচিন্তা শুরু হয়েছে। বনদফতরের ছয় সদস্যের কমিটি রাজ্যের সমস্ত জায়গায় আগুন রোধের জন্য পর্যাপ্ত ব্যবস্থা আছে কিনা তা খতিয়ে দেখবেন।


```