নিষিদ্ধ সত্ত্বেও এবারও যে শব্দবাজি ফাটানো হবে এবং অনেকেই নিয়ম ভাঙবেন তা কার্যত পরিষ্কার। সেই পরিপ্রেক্ষিতেই কড়া অবস্থান কলকাতা হাইকোর্টের।

মনোজ পন্থ
শেষ আপডেট: 16 October 2025 15:57
দ্য ওয়াল ব্যুরো: সামনেই কালীপুজো (Kalipuja)। নিষিদ্ধ সত্ত্বেও এবারও যে শব্দবাজি (Crackers) ফাটানো হবে এবং অনেকেই নিয়ম ভাঙবেন তা কার্যত পরিষ্কার। সেই পরিপ্রেক্ষিতেই কড়া অবস্থান কলকাতা হাইকোর্টের (Calcutta High Court)। রাজ্যের উচ্চ আদালত মুখ্যসচিব মনোজ পন্থকে (Manoj Pant) আধঘণ্টার ডেডলাইন দিয়েছে! শব্দবাজি বন্ধের ইস্যুতেই এই পদক্ষেপ হাইকোর্টের।
গত ২২ সেপ্টেম্বর মুখ্যসচিব একটি বিজ্ঞপ্তি জারি করেছিলেন। তাতে বলা হয়েছিল, শব্দবাজি নিয়ে যে যে গাইডলাইন রয়েছে তা মেনে চলতে হবে। কলকাতা হাইকোর্টে সেই সংক্রান্ত মামলার শুনানি হয়েছে বৃহস্পতিবার।
সেই শুনানিতে বিচারপতি বিশ্বজিৎ বসু জানতে চান, আদতে সেই গাইডলাইন ফলো কড়া হচ্ছে কিনা। কিন্তু সেই নিয়ে কোনও নির্দিষ্ট তথ্য তিনি পাননি। তাতেই ক্ষোভ প্রকাশ করেন।
কলকাতা হাইকোর্টের পর্যবেক্ষণ, বিষয়টি নিয়ে উদাসীন রাজ্য সরকার। শুধুমাত্র বিজ্ঞপ্তি জারি করেই দায় এড়ানোর চেষ্টা করা হয়েছে। এরপরই রাজ্যের মুখ্যসচিবকে আধঘণ্টার মধ্যে এই ইস্যুতে রিপোর্ট দেওয়ার নির্দেশ দেন বিচারপতি। যদি সেটাও না মানা হয়, তাহলে তাঁকে আদালতে তলবও করা হতে পারে।
ইতিমধ্যে অবশ্য কলকাতা পুলিশ কমিশনার মনোজ ভার্মা জানিয়েছেন, শব্দবাজি ফাটালে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। স্পষ্ট বলা হয়েছে, শব্দবাজি ছাড়াও ২০১৯ সালের বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, ফানুস ওড়ানোর উপর নিষেধাজ্ঞা বহাল রয়েছে এবং সেই নির্দেশ পুনরায় কার্যকর করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার থেকে ধর্মতলার শহিদ মিনারে আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয়েছে বাজি বাজার। এদিন বেলায় বাজার পরিদর্শনে আসেন কলকাতা পুলিশ কমিশনার মনোজ ভার্মা (Manoj Verma)। সেখানে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে আরও একবার নিষিদ্ধ বাজি (Restricted firecrackers) ও সবুজ বাজি (Green Firecrackers) নিয়ে কথা বলেন।
কলকাতা পুলিশের (Kolkata Police) তরফে জানানো হয়েছে, মোট ১ হাজার ৪০৩টি বাজি প্রস্তুতকারক সংস্থার বাজি বাজারে বিক্রি করার জন্য বৈধ বলে গণ্য হবে। নগরপাল পরিদর্শনে গিয়ে দেখেন, বাজারে শুধুমাত্র বৈধ বাজিই বিক্রি হচ্ছে কিনা। এছাড়াও, নিয়ম অনুযায়ী প্রতিটি দোকানের মধ্যে যথেষ্ট ফাঁক রাখা হয়েছে কিনা, সেটিও খতিয়ে দেখা হয়।