দ্য ওয়াল ব্যুরো : শুক্রবার বৈঠকে বসেছিল পণ্য ও পরিষেবা কর কাউন্সিল। সেখানে সিদ্ধান্ত হয়, করোনা সংকটের মধ্যে জিএসটি-র লেট ফি-তে ছাড় দেওয়া হবে। দেরি করে জিএসটি জমা দিলে যে সুদ দিতে হত, তাও মকুব করা হবে। অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমন এদিন বলেন, কেন্দ্রীয় সরকারের জিএসটি আদায় হয়েছে ৪৫ শতাংশ কম। ফলে রাজ্যগুলিকে ক্ষতিপূরণ দিতে সমস্যা হবে। রাজ্যগুলি দাবি করছে, বাজার থেকে ঋণ নিয়ে তাদের ক্ষতিপূরণ দেওয়া হোক। জিএসটি কাউন্সিলের পরবর্তী বৈঠক হবে জুলাইতে। সেখানে ওই দাবি নিয়ে আলোচনা হবে।
অর্থমন্ত্রী বলেন, “যাঁদের নতুন করে কর জমা দেওয়ার দরকার নেই অথচ ২০১৭-র জুলাই থেকে ২০২০-র জানুয়ারির মধ্যে রিটার্ন জমা দেননি, তাঁদের থেকে লেট ফি নেওয়া হবে না। যাঁদের ট্যাক্স জমা দেওয়ার আছে, তাঁদের থেকে লেট ফি নেওয়া হবে সর্বোচ্চ ৫০০ টাকা।” আগে এই লেট ফি-র পরিমাণ ছিল ১০ হাজার টাকা।
এর আগে ফেব্রুয়ারি, মার্চ ও এপ্রিল মাসে দেরি করে রিটার্ন জমা দেওয়ার জন্য সুদের হার ১৮ শতাংশ থেকে কমিয়ে নয় শতাংশ করা হয়েছিল। যে সংস্থাগুলির বার্ষিক বাৎসরিক লেনদেন পাঁচ কোটি টাকার মধ্যে, অর্থাৎ যাদের স্মল ট্যাক্সপেয়ার বলা হয়, তাদের জন্য ওই ছাড় দেওয়া হয়েছিল। শুক্রবার স্থির হয়েছে, স্মল ট্যাক্সপেয়াররা যদি ৩০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে রিটার্ন ফাইল করেন, তাহলে মে, জুন ও জুলাই মাসের লেট ফি ও সুদ পুরোপুরি মকুব করা হবে।
জিএসটি কাউন্সিলের জুলাই মাসের মিটিং-এ মূলত রাজ্যগুলিকে কমপেনসেশন সেস দেওয়া নিয়ে আলোচনা হবে। গত ডিসেম্বর থেকে ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত রাজ্যগুলিকে ৩৬ হাজার ৪০০ কোটি টাকা ক্ষতিপূরণ দেওয়ার কথা ছিল। অর্থমন্ত্রী এদিন বলেন, যদি বাজার থেকে ঋণ নিয়েই ক্ষতিপূরণ দিতে হয়, তাহলে ওই ঋণ কে কখন শোধ করবে, তা নিয়ে আলোচনা করতে হবে।