দেশের প্রায় ৬০০ জন বিজ্ঞানী, প্রযুক্তিবিদ, শিক্ষক, অধ্যাপক তাঁকেই চিঠি লিখে প্রশ্ন তুলেছিলেন, কীসের ভিত্তিতে এমন দাবি? এর পিছনে কি কোনও বৈজ্ঞানিক পরীক্ষা বা গবেষণা রয়েছে? সেই রিপোর্ট কি কোনও বৈজ্ঞানিক জার্নালে প্রকাশ হয়েছে? যদি তা না হয়, তা হলে রাষ্ট্রীয় কামধেনু আয়োগের চেয়ারম্যান কুসংস্কার ছড়িয়ে সংবিধান বিরোধী কাজ করছেন বলেও বিজ্ঞানীরা মনে করিয়ে দিয়েছিলেন।
মনে করা হচ্ছে, সেসব প্রশ্নরই জবাব নিয়ে এবার সামনে এলেন বল্লভভাই কাঠিরিয়া। রিপোর্চ প্রকাশের পরে তিনি বলেন, "আমি স্পষ্ট দেখতে পাচ্ছি, ভারতীয় গরুদের মধ্যে অসীম সম্ভাবনা আছে। লাগাতার গবেষণা করে গেলে তার ইতিবাচক ফল মিলবে। ভাল প্রভাব পড়বে মানবসভ্যতায়। ইতিমধ্যেই আমি এটুকু নিশ্চিত হয়েছি, গো-বিজ্ঞানকে কাজে লাগিয়ে আমরা ভবিষ্যত প্রজন্মকে রক্ষা করতে পারি নানা ক্ষতি থেকে।"

এখানেই শেষ নয়, আয়োগের তরফে জেলা শিক্ষা আধিকারিকদের চিঠি দিয়ে জানানো হয়েছে, সমস্ত স্কুলের অধ্যক্ষরা যেন পড়ুয়াদের গো-বিজ্ঞানের বিষয়ে উতসাহ দেন। কামধেনু গো-বিজ্ঞানের তরফে সারা ভারতে একটি অনলাইন পরীক্ষাও হতে চলেছে আগামী মাসে। এ পরীক্ষায় সকলে অংশগ্রহণ করতে পারেন। জানা গেছে, গরু নিয়ে ভারতের সংস্কৃতি, গরু থেকে উতপাদিত নানা পদার্থ, গরু সংরক্ষণ, ভারতীয় অর্থনীতিতে গরুর প্রভাব, গরুর নানা বিজ্ঞানসম্মত উপকার, পরিবেশ, সংস্কৃতি ও আধ্যাত্মিকতা-- এই সব কিছুই হবে পরীক্ষার বিষয়। অংশগ্রহণকারী সকলকে সার্টিফিকেট দেওয়া হবে। সফল পরীক্ষার্থীরা পুরস্কারও পাবেন।