সোমবার রাতে হাসনাবাদের সদরপুর এলাকা থেকে চকমরিচার বাসিন্দা রফিকুল খানকে গ্রেফতার করা হয়। রফিকুল এই হত্যাকাণ্ডের ষড়যন্ত্রে জড়িত বলে পুলিশের দাবি।

প্রতীকী ছবি
শেষ আপডেট: 15 July 2025 09:47
দ্য ওয়াল ব্যুরো: ৭২ ঘণ্টার মধ্যে একের পর এক গ্রেফতার করে ভাঙড়ের তৃণমূল নেতা রেজ্জাক খাঁ (Rajjak Khan) হত্যাকাণ্ডে (Murder) তদন্তে গতি আনল পুলিশ (police)। সোমবার রাতে হাসনাবাদের সদরপুর এলাকা থেকে চকমরিচার বাসিন্দা রফিকুল খানকে গ্রেফতার করা হয়। রফিকুল এই হত্যাকাণ্ডের ষড়যন্ত্রে জড়িত বলে পুলিশের দাবি। তাঁর বিরুদ্ধে পূর্বপরিকল্পিত হত্যার অভিযোগ রয়েছে।
তদন্তে উঠে এসেছে, খুনের অন্তত ১৫ দিন আগেই রেজ্জাক খাঁকে সরিয়ে দেওয়ার পরিকল্পনা করা হয়েছিল। কিন্তু তখন সুযোগ না পাওয়ায় সেই ছক সফল হয়নি। পরে ফের নতুন করে পরিকল্পনা করে নির্জন জায়গায় রেজ্জাককে হত্যা করা হয়। এ নিয়ে মোট গ্রেফতারের সংখ্যা দাঁড়াল পাঁচ।
এই ঘটনার নেপথ্যে রাজনৈতিক প্রতিহিংসার অভিযোগ তুলে প্রথম থেকেই আইএসএফ-এর দিকে আঙুল তুলেছেন ক্যানিং পূর্বের তৃণমূল বিধায়ক শওকত মোল্লা। রবিবার গ্রেফতার হওয়া মোফাজ্জেল মোল্লা সম্পর্কে তাঁর অভিযোগ, সে আইএসএফ-এর হয়ে এই খুনে মদত দিয়েছে। যদিও মোফাজ্জেল নিজেও তৃণমূল নেতা। পুলিশ এই হত্যায় রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বিতার জোরালো সম্ভাবনা খতিয়ে দেখছে।
এর আগে সোমবার গ্রেফতার হওয়া আজাহারউদ্দিন মোল্লাও একসময় আইএসএফ-এর সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। পরে শওকত মোল্লার হাত ধরে তৃণমূলে যোগ দেন। জানা গিয়েছে, বোমা বাঁধতে গিয়ে আহত হওয়ার পর তিনি দলবদল করেন।
রেজ্জাক খাঁ হত্যায় সম্প্রতি ধৃত রফিকুল কোন রাজনৈতিক দলের সদস্য, তা এখনও স্পষ্ট নয়। পুলিশ তদন্ত চালিয়ে যাচ্ছে। পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠায় এলাকায় মোতায়েন রয়েছে অতিরিক্ত পুলিশবাহিনী।