
শেষ আপডেট: 9 February 2023 09:29
দ্য ওয়াল ব্যুরো: দিল্লি মদ কেলেঙ্কারিতে (Delhi Liquor Case) যুক্ত থাকার অভিযোগে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ED) রাজেশ জোশী নামে এক ব্যক্তিকে গ্রেফতার করল। তিনি একজন প্রচার বিশেষজ্ঞ (AAP campaigner)।
গত বছর গোয়া বিধানসভার নির্বাচনে আম আদমি পার্টির প্রচারের বরাত পেয়েছিল রাজেশের কোম্পানি। ইডির বক্তব্য, দিল্লির মদ কেলেঙ্কারির টাকা রাজেশের কোম্পানিতেও ঢুকেছে। ঘুষের টাকা আড়াল করতে বেআইনি অর্থ লেনদেনে যুক্ত ছিলেন এই মিডিয়া বিশেষজ্ঞ। ইডির কথায়, রাজেশ একজন মধ্যস্বত্ত্বভোগী।
ইডি এবং সিবিআই আগেই অভিযোগ করেছে, দিল্লির আম আদমি সরকার মদ ব্যবসায়ীদের বাড়তি সুবিধা পাইয়ে দিতেই তাদের আবগারি নীতি বদল করেছিল। নয়া নীতির সুবিধা নিয়ে বাড়তি রোজগারের একটা অংশ ব্যবসায়ীরা আপের দলীয় তহবিলে জমা করে। সেই টাকাই আম আদমি পার্টি খরচ করে গোয়া বিধানসভার ভোটে।
বুধবারই ইডি হায়দরাবাদের একজন অডিটরকে গ্রেফতার করেছে। আপ সরকারের মদনীতি তৈরিতে তাঁর হাত ছিল। বিনিময়ে তিনি ঘুষের টাকা পেয়েছেন। আপ সরকারের বিরুদ্ধে ওঠা মদকাণ্ডে নাম জড়িয়েছে তেলেঙ্গানার মুখ্যমন্ত্রী কে চন্দ্রশখর রাওয়ের কন্যা কে কবিতার। বুধবার ইডির জালে বন্দি অডিটর কেসিআর কন্যার পূর্ব পরিচিত। ইডি এবং সিবিআই ইতিমধ্যে দু’বার জিজ্ঞাসাবাদ করেছে কবিতাকে।
ইডির বক্তব্য, গোয়া আম আদমি পার্টির প্রচারের অন্তত ১০০ কোটি ছিল মদ ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে পাওয়া ঘুষের টাকা। আপ ক্ষমতায় আসছে, এই মর্মে একটি সমীক্ষা রিপোর্ট দলের তরফে তৈরি করে মিডিয়ায় প্রচার করা হয়েছিল। ওই সমীক্ষা বাবদ ৭০ লাখ টাকা ব্যয় হয়েছে বলে আপ নির্বাচন কমিশনের কাছে পেশ করা নথিতে জানিয়েছে। ইডির বক্তব্য, এইভাবে বিপুল পরিমাণ অর্থ বিভিন্ন কোম্পানির অ্যাকাউন্টে জমা করে ঘুষের টাকা আড়াল করার চেষ্টা করেছে আপ।
বীরভূমে দিনে ৩ কোটি টাকা উঠছে পাথরের লরি থেকে, সিবিআই তদন্ত চেয়ে মামলা হাইকোর্টে