Date : 15th Apr, 2026 | Call 1800 452 567 | info@thewall.in
'মমতা চান না গোর্খারা শান্তিতে থাকুন, অধিকার ফিরে পান', দার্জিলিঙে ভিডিওবার্তা অমিত শাহেরগ্রাহকের পকেট বাঁচাতে ভারি খেসারত দিচ্ছে তেল কোম্পানিগুলি! প্রতিদিন লোকসান ১,৬০০ কোটিরইচ্ছেশক্তির বারুদে আগুন ধরাল ধোনির পেপ টক! নাইটদের বিঁধে দুরন্ত কামব্যাক নুর আহমেদেরময়মনসিংহে দীপুচন্দ্র দাসকে হত্যার প্রধান আসামিকে ১ বছরের অন্তর্বর্তী জামিন, কাঠগড়ায় বিচারপতিশয়তান বা কালু বলে আর ডাকা যাবে না! স্কুলের খাতায় পড়ুয়াদের নতুন পরিচয় দিচ্ছে রাজস্থান সরকার‘পাশে মোল্লা আছে, সাবধান!’ এবার শুভেন্দুর বিরুদ্ধে কমিশনে নালিশ তৃণমূলেরWest Bengal Election 2026: বাম অফিসে গেরুয়া পতাকা! মানিকচকে চরম উত্তেজনা, থানায় বিক্ষোভ বামেদেরপয়লা বৈশাখে শুটিং শুরু, যিশুর কামব্যাক—‘বহুরূপী ২’ কি ভাঙবে সব রেকর্ড?‘কেকেআরের পাওয়ার কোচ রাসেল ২৫ কোটির গ্রিনের থেকে ভাল!’ আক্রমণে টিম ইন্ডিয়ার প্রাক্তন তারকাবিহারে আজ থেকে বিজেপি শাসন, রাজনীতির যে‌ অঙ্কে পদ্মের মুখ্যমন্ত্রী আসলে নীতীশেরই প্রথম পছন্দ

কৃষক আন্দোলনে নতুন কৌশল, দিল্লি সীমান্ত থেকে সরছেন অনেকে

দ্য ওয়াল ব্যুরো : দিল্লির সীমান্তে গাজিপুর ও সিংঘু থেকে হালকা হচ্ছে ভিড়। কেন্দ্রীয় সরকারের তিনটি কৃষি আইনের বিরুদ্ধে আন্দোলন চলছে ৮০ দিনের বেশি। সরকারের সঙ্গে ১১ বার বৈঠকে বসেছেন কৃষক নেতারা। তাতেও কোনও সমাধান হয়নি। অনেক কৃষক ফিরে যাচ্ছেন গ

কৃষক আন্দোলনে নতুন কৌশল, দিল্লি সীমান্ত থেকে সরছেন অনেকে

শেষ আপডেট: 16 February 2021 03:43

দ্য ওয়াল ব্যুরো : দিল্লির সীমান্তে গাজিপুর ও সিংঘু থেকে হালকা হচ্ছে ভিড়। কেন্দ্রীয় সরকারের তিনটি কৃষি আইনের বিরুদ্ধে আন্দোলন চলছে ৮০ দিনের বেশি। সরকারের সঙ্গে ১১ বার বৈঠকে বসেছেন কৃষক নেতারা। তাতেও কোনও সমাধান হয়নি। অনেক কৃষক ফিরে যাচ্ছেন গ্রামের পথে। এক মাস আগে দিল্লি সীমান্তে যত কৃষক ছিলেন, এখন রয়েছেন তার অর্ধেক। কৃষক নেতাদের কাছে জানতে চাওয়া হয়, আন্দোলনে কি ভাটা পড়েছে? তাঁরা বলেন, এবার নতুন কৌশলে আন্দোলন হবে। দিল্লি সীমান্তে আর বেশি মানুষ অবস্থান করবেন না। অনেকে নিজেদের গ্রামে গিয়ে আন্দোলন করবেন। বিভিন্ন রাজ্যে বড় আকারের জনসমাবেশ করে কৃষক আন্দোলনের পক্ষে জনমত তৈরি করা হবে। কৃষক নেতা রাকেশ টিকায়েত স্থির করেছেন, এবার দেশ জুড়ে কিষাণ মহাপঞ্চায়েত করা হবে। আগামী ১০ দিন হরিয়ানা, মহারাষ্ট্র ও রাজস্থানে বেশ কয়েকটি মহাপঞ্চায়েতে তিনি নিজে উপস্থিত থাকবেন। দিল্লি সীমান্তে উপস্থিত এক কৃষক বলেন, "এখানে ১০ লক্ষ কৃষক জমায়েত হলেই বা কী যায় আসে? সরকার কি আমাদের দাবি মেনে নেবে? আমরা সারা দেশ জুড়ে প্রতিবাদ করব।" গাজিপুর প্রটেস্ট কমিটির সদস্য জগতার সিং বাজওয়া বলেন, "সরকারের একগুঁয়েমির কথা চিন্তা করে আমরা দিল্লি সীমান্তে বড় জমায়েত করেছিলাম। কৃষক নেতারা তাঁদের কৌশল বদলাচ্ছেন। তাঁরা চান, প্রতিটি গ্রামের প্রতিটি বাড়ির মানুষ কৃষক আন্দোলনের কথা জানুক। আমরা আগামী দিনে নানা জায়গায় মহাপঞ্চায়েত করব।" পরে তিনি বলেন, "যুবকদের এনার্জিকে আমরা কাজে লাগাতে চাই। আন্দোলনের পাশাপাশি কৃষকদের নিজেদের কাজও করতে হবে।" তাঁর দাবি, আগামী দিনে প্রয়োজন হলে কৃষকরা অল্পদিনের নোটিশে ফের দিল্লি সীমান্তে উপস্থিত হবেন। ম্যাগসাইসাই পুরস্কার পাওয়া সমাজকর্মী সন্দীপ পাণ্ডে বলেন, "আগে পাঞ্জাব ও হরিয়ানার নানা জায়গায় ছোট ছোট সভা হচ্ছিল। এখন সেখানে আন্দোলন তীব্রতর হচ্ছে।" তাঁর কথায়, "আন্দোলনে বিকেন্দ্রীকরণ ঘটছে। বিহার এবং উত্তরপ্রদেশের পূর্বাঞ্চলে কৃষকরা জনসভা করছেন।" এখনও পর্যন্ত কৃষক আন্দোলনের এপিসেন্টার হয়ে রয়েছে পাঞ্জাব ও হরিয়ানা। রাজস্থান ও উত্তরপ্রদেশের কৃষকদের একাংশ আন্দোলনে যোগ দিয়েছিলেন। উত্তরাখণ্ড, তামিলনাড়ু, মধ্যপ্রদেশ ও মহারাষ্ট্রেও কৃষক আন্দোলনের কিছু প্রভাব পড়েছিল। কৃষকদের অভিযোগ, নতুন কৃষি আইনগুলি কার্যকরী হলে তাঁরা ফসলের ন্যূনতম সহায়ক মূল্য পাবেন না। কৃষি ক্ষেত্রের দখল নেবে বিভিন্ন কর্পোরেট সংস্থা।

```