সীমান্তের নদীতে বয়ে এ দেশে ভেসে এল পাক বালকের দেহ! প্রথা ভেঙে ফিরিয়ে দিল সেনা
দ্য ওয়াল ব্যুরো: ১৫-২০ ফুট চওড়া একটি নদী। দুই পারে দুই দেশ। ভারত ও পাকিস্তান। এ পারের মানুষের কাছে সে নদীর নাম কিষানগঙ্গা, ও পারে সেটাই নীলম। সেই নদীতেই ভেসে এল পাকিস্তানের এক বালকের দেহ। প্রোটোকল ভেঙে সেই দেহ ফিরিয়ে দিল পাক সেনাবাহিনী।
স
শেষ আপডেট: 12 July 2019 12:48
দ্য ওয়াল ব্যুরো: ১৫-২০ ফুট চওড়া একটি নদী। দুই পারে দুই দেশ। ভারত ও পাকিস্তান। এ পারের মানুষের কাছে সে নদীর নাম কিষানগঙ্গা, ও পারে সেটাই নীলম। সেই নদীতেই ভেসে এল পাকিস্তানের এক বালকের দেহ। প্রোটোকল ভেঙে সেই দেহ ফিরিয়ে দিল পাক সেনাবাহিনী।
সেনা সূত্রের খবর, কাশ্মীরের গুরেজ এলাকার নিয়ন্ত্রণ রেখা সংলগ্ন নদীর তীরে এসে ঠেকেছিল সাত বছরের ছেলেটির দেহ। সেখান থেকে তিতওয়াল ২০০ কিলোমিটার দূর। তিতওয়াল হল প্রান্তিকতম সেনাচৌকি, যেখান দিয়ে দুই দেশের মধ্যেই প্রয়োজনীয় আদানপ্রদান চলে। অবশ্যই সেনাবাহিনীর কড়া প্রহরায়।
কিন্তু এই ঘটনায়, ওই ২০০ কিলোমিটার দূরত্ব নিয়ে যেতে গিয়ে দেহটি পচে যাওয়ার সম্ভাবনা ছিল। এমনিতেও সে দেহ জলে ডুবে গিয়ে অনেকটাই নষ্ট হয়ে গিয়েছিল। তাই দু'দেশের সরকারি ভাবে আদানপ্রদানের জায়গা তিতওয়ালের ২০০ কিমি আগেই গুরেজ সীমান্তে পাক সেনার হাতে দেহটি তুলে দিলেন ভারতীয় জওয়ানরা।
https://twitter.com/ChinarcorpsIA/status/1149318698353618944
সেনাবাহিনী সূত্রের খবর, নীলম অর্থাৎ কিষানগঞ্জ নদী ধরে গুরেজের আচুরা সিন্ধিয়াল এলাকায় ঢুকে পড়েছিল আবিদ আহমেদ শেখ নামের ওই ছেলেটির দেহ। তার বাড়ি বালুচিস্তানের গিলগিটে বলে জানা গিয়েছে। কয়েক দিন আগে পাহাড়ি পথ দিয়ে স্কুলে যেতে গিয়ে নিখোঁজ হয়ে যায় এই বালক। জানা যায়, সে পা পিছলে নীলম নদীতে পড়ে যায়। তার পরেই গুরেজে নিয়ন্ত্রণ রেখার কাছ থেকে তার দেহ উদ্ধার করা হয়।