পুলিশ জানিয়েছে, তদন্তে সম্ভাব্য সবদিক খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
.jpeg.webp)
প্রতীকী ছবি।
শেষ আপডেট: 1 July 2025 12:31
দ্য ওয়াল ব্যুরো: শাড়িতে জড়ানো যুবকের রক্তাক্ত দেহ, পাশে রক্তমাখা কোদাল। উত্তর ২৪ পরগনার হাড়োয়া থানা (Haroa) এলাকার রায়খাঁ গ্রামের এ ঘটনায় মঙ্গলবার সকালে জোর চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে। ঘটনার পর থেকেই সন্তানকে নিয়ে পলাতক ছিলেন স্ত্রী। পরে ২৪ পরগনার চণ্ডীতলা থানা এলাকার বাপের বাড়ি থেকে অভিযুক্ত গৃহবধূকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার ধৃতকে আদালতে পেশ করা হবে।
প্রাথমিক তদন্তে পুলিশের অনুমান, ধৃত পুষ্প মণ্ডলই তার স্বামীকে খুন করে থাকতে পারে। তবে কী কারণে খুন তা এখনও স্পষ্ট নয়। পরকীয়ার প্রসঙ্গও উঠছে। পুলিশ জানিয়েছে, তদন্তে সম্ভাব্য সবদিক খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
পুলিশ জানিয়েছে, মৃত ব্যক্তির নাম লক্ষ্মীকান্ত মণ্ডল। স্ত্রী ও ১০ বছরের ছেলেকে নিয়ে রায়খাঁ গ্রামে বসবাস করতেন লক্ষ্মীকান্ত। সোমবার রাতে নিজ ঘর থেকেই রক্তাক্ত অবস্থায় উদ্ধার হয় তাঁর ঝুলন্ত দেহ। গলায় শাড়ির ফাঁস লাগানো ছিল। শরীরের একাধিক জায়গায় গভীর আঘাতের চিহ্ন, বাঁ হাতের একটি আঙুল ভাঙা— সব মিলিয়ে মৃত্যু ঘিরে রহস্য ঘনিয়েছে।
স্থানীয়দের দাবি, এমন নৃশংসভাবে মৃত্যু স্বাভাবিক নয়। মৃত্যুর পিছনে কোনও গভীর ষড়যন্ত্র রয়েছে বলে সন্দেহ। ঘটনাস্থল থেকে উদ্ধার হয়েছে রক্তমাখা কোদাল। চিকিৎসকেরা প্রাথমিকভাবে জানিয়েছেন, মৃত্যু আগে মারধর করা হয়ে থাকতে পারে।
হাড়োয়া থানার এক অফিসার জানান, “ময়নাতদন্তের রিপোর্ট এলেই স্পষ্ট হবে মৃত্যুর সঠিক কারণ। আপাতত খুনের ধারায় মামলা রুজু করা হয়েছে। খুনের তদন্ত চলছে। শিশুটির সন্ধানও চলছে।”
মৃত লক্ষ্মীকান্তর পরিবারের দাবি, এটি একটি ঠান্ডা মাথায় পরিকল্পিত খুন। দোষীর কঠোর শাস্তির দাবিও জানিয়েছে পরিবার।