দ্য ওয়াল ব্যুরো : নীল জামা, হলুদ পাগড়ি। অভিনেতা তথা রাজনীতিক সানি দেওল সোমবার মনোনয়ন জমা দিলেন গুরুদাসপুর লোকসভা কেন্দ্রে। তার আগে ৬২ বছরের সানি প্রার্থনা করেন অমৃতসরের স্বর্ণমন্দিরে। অমৃতসর থেকে গুরুদাসপুর জায়গাটি ৭৫ কিলোমিটার দূরে।
স্বর্ণমন্দিরে হাত জোড় করে প্রবেশ করেন সানি। তাঁর সঙ্গে ছিলেন সমর্থকরা। মন্দিরের গর্ভগৃহ ‘হরমন্দির সাহিব’-এ তিনি প্রার্থনা করেন। পরে দুর্গিয়ানা মন্দিরেও তিনি পুজো দেন। মনোনয়ন দেওয়ার সময় উপস্থিত ছিলেন সানির ভাই ববি দেওল। গুরুদাসপুরে একসময় সাংসদ ছিলেন আর এক অভিনেতা বিনোদ খন্না। তাঁর বিধবা স্ত্রী কবিতা খন্না সানির মনোনয়ন দেওয়ার সময় উপস্থিত ছিলেন। কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জিতেন্দ্র সিং-ও সানির সঙ্গে ছিলেন।
https://twitter.com/ANI/status/1122654972603031552
গতবারন গুরুদাসপুর থেকে নির্বাচিত হন কংগ্রেসের সুনীল জাখর। তিনি পাঞ্জাব প্রদেশ কংগ্রেসের সভাপতি। এছাড়া ওই কেন্দ্রে প্রার্থী হয়েছেন আম আদমি পার্টির পিটার মাসিহ এবং পিডিএ-র লাল চাঁদ। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী রবিবার সানি দেওলের সঙ্গে দেখা করেন। পরে প্রধানমন্ত্রী টুইট করেন, অভিনেতা চান দেশের উন্নয়ন। এব্যাপারে তাঁর যথেষ্ট আবেগ রয়েছে।
https://twitter.com/narendramodi/status/1122439209095188480
বিজেপির হয়ে বিনোদ খন্না গুরুদাসপুর কেন্দ্র থেকে ১৯৯৮, ১৯৯৯, ২০০৪ ও ২০১৪ সালে জয়লাভ করেন। ২০১৭ সালে তাঁর মৃত্যু হয়। তখন ওই কেন্দ্রে উপনির্বাচন হয়। সেবার বিজেপির প্রার্থী হন স্বর্ণ সিং সালারিয়া। তিনি মুম্বইয়ের এক ধনী ব্যবসায়ী। শোনা গিয়েছিল, কবিতা খন্না ওই কেন্দ্রে প্রার্থী হতে পারেন।
স্বর্ণ সিং সালারিয়া কংগ্রেসের প্রার্থী সুনীল জাখারের কাছে ১ লক্ষ ৯৩ হাজার ভোটে হেরে যান।
সানি রাজনীতিতে যোগ দিয়েছেন ২৩ এপ্রিল। ইতিমধ্যেই তাঁকে আক্রমণ করেছেন বিরোধীরা। পাঞ্জাবের মুখ্যমন্ত্রী অমরিন্দর সিং বলেন, সানি ‘ফিল্মি ফৌজি’। আমি আসল ফৌজি। শনিবার রাজস্থানের বারমেরে রোড শো করেন অভিনেতা।
সানি অতীত দিনের অভিনেতা ধর্মেন্দ্রর ছেলে। আটের দশকের শুরুতে তিনি অভিনয়ে আসেন। তাঁর অভিনীত ব্লকবাস্টার ছবিগুলির মধ্যে আছে বর্ডার, বেতাব, গদর-এক প্রেম কথা, ঘায়েল ইত্যাদি।