Date : 15th Apr, 2026 | Call 1800 452 567 | info@thewall.in
পদ খোয়ানোর পর এবার নিরাপত্তা! রাঘব চাড্ডার Z+ সুরক্ষা তুলে নিল পাঞ্জাব সরকার, তুঙ্গে জল্পনাফাঁকা স্টেডিয়ামে পিএসএলের আড়ালে ভারতের জ্বালানি সঙ্কট! নকভির ‘যুক্তি’তে হতভম্ব সাংবাদিকভোটের রেজাল্টে পর ফের ডিএ মামলার শুনানি শুনবে সুপ্রিম কোর্ট! ৬০০০ কোটি টাকা দেওয়া হয়েছে, জানাল রাজ্যহরমুজ প্রণালীতে ট্রাম্পের দাপট! মার্কিন যুদ্ধজাহাজের বাধায় ফিরল বিদেশী ট্যাঙ্কারTCS Case: প্রথমে বন্ধুত্ব, তারপর টাকার টোপ! টিসিএসের অফিসে কীভাবে টার্গেট করা হত কর্মীদের‘ফোর্স ৩’ শুটিং জোরকদমে, পুরনো চরিত্রে ফিরছেন জন— নতুন চমক কারা?'মমতা চান না গোর্খারা শান্তিতে থাকুন, অধিকার ফিরে পান', দার্জিলিঙে ভিডিওবার্তা অমিত শাহেরগ্রাহকের পকেট বাঁচাতে ভারি খেসারত দিচ্ছে তেল কোম্পানিগুলি! প্রতিদিন লোকসান ১,৬০০ কোটিরইচ্ছেশক্তির বারুদে আগুন ধরাল ধোনির পেপ টক! নাইটদের বিঁধে দুরন্ত কামব্যাক নুর আহমেদেরময়মনসিংহে দীপুচন্দ্র দাসকে হত্যার প্রধান আসামিকে ১ বছরের অন্তর্বর্তী জামিন, কাঠগড়ায় বিচারপতি

মোদীর পরামর্শে কেরলে খ্রিস্টানদের মধ্যে প্রভাব বৃদ্ধিতে উদ্যোগ বিজেপির

দ্য ওয়াল ব্যুরো: প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির (PM Narendra Modi) নির্দেশ কেরলে (Kerala) খ্রিস্টানদের (Christian) মধ্যে প্রভাব (Outreach) বৃদ্ধি করতে নতুন করে উদ্যোগী হয়েছে বিজেপি (BJP)। দলের জাতীয় সাধারণ সম্পাদক (সংগঠন) বিএল সন্তোষকে এই

মোদীর পরামর্শে কেরলে খ্রিস্টানদের মধ্যে প্রভাব বৃদ্ধিতে উদ্যোগ বিজেপির

শেষ আপডেট: 24 August 2022 06:12

দ্য ওয়াল ব্যুরো: প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির (PM Narendra Modi) নির্দেশ কেরলে (Kerala) খ্রিস্টানদের (Christian) মধ্যে প্রভাব (Outreach) বৃদ্ধি করতে নতুন করে উদ্যোগী হয়েছে বিজেপি (BJP)। দলের জাতীয় সাধারণ সম্পাদক (সংগঠন) বিএল সন্তোষকে এই ব্যাপারে বিশেষ দায়িত্ব দিয়েছে দল। সন্তোষ দিন কয়েক আগে কেরলের প্রধান চার্চগুলির প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠক করেছেন।

বিজেপির এই উদ্যোগ একেবারে নতুন বলা যাবে না। গত কয়েক বছর ধরেই তারা এই পরিকল্পনা নিয়ে এগোচ্ছে। এ বছরের গোড়ায় দলের সভাপতি জেপি নাড্ডা স্বয়ং চার্চ প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠক করেছেন রাজ্য সফরে গিয়ে। কিন্তু রাজ্য নেতাদের মধ্যে তেমন তৎপরতা দেখা যায়নি। সূত্রের খবর, সেই কারণেই প্রধানমন্ত্রী মোদীর নির্দেশ সেখানে বিশেষ দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে সন্তোষকে। তিনি কর্নাটকের আদি বাসিন্দা হলেও দীর্ঘদিন সরাসরি আরএসএসের প্রচারকের দায়িত্ব পালনের সুবাদে কেরলের রাজনীতিতে মুসলিম ও খ্রিস্টানদের ভূমিকা সম্পর্কে ওয়াকিবহাল। এই ব্যাপারে দক্ষিণের ওই রাজ্যটি বড় বিচিত্র। সেখানে হিন্দুত্ববাদীদের মস্তিষ্ক আরএসএসের বিপুল প্রভাব সত্ত্বেও বিজেপি তেমন শক্তিশালী নয়।

দলের প্রাথমিক লক্ষ্য খ্রিস্টান ও হিন্দুদের মধ্যে ঐক্য গড়ে তোলা। দক্ষিণের ওই রাজ্যটিতে ভোটের অঙ্কে হিন্দু, মুসলিম, খ্রিস্টান, প্রধান তিন ধর্মের মানুষই অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। মুসলিম ও খ্রিস্টানদের সিংহভাগ সিপিএম ও কংগ্রেসের সঙ্গে আছে। বিজেপির কৌশল হল, হিন্দু ও খ্রিস্টানদের মধ্যে ঐক্য তৈরি করে মুসলিমদের কোণঠাসা করে ধর্মীয় সমীকরণ জোরদার করা।

প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী সম্প্রতি হায়দরাবাদে বিজেপির জাতীয় কর্মসমিতির বৈঠকে বলেন, শুধু হিন্দু নয়, অন্য ধর্মের সংখ্যালঘুদের পিছিয়ে থাকা অংশের মধ্যে দলের প্রভাব বাড়াতে হবে। প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শকে বিজেপি ভোটের অঙ্কে বাস্তবায়নের কৌশল নিয়েছে। যেমন উত্তরপ্রদেশে তারা পসমন্দা অর্থাৎ মুসলিমদের পশ্চাৎপদ একটি অংশকে কাছে টানার চেষ্টা করছে যারা ওই রাজ্যের পাঁচ কোটি মুসলিমের সিংহভাহ। একই ভাবে কেরলে বিজেপি মনে করছে খ্রিস্টানদের বেশিরভাগকে কাছে টানতে পারলে ভোটের বাক্সে সুফল মিলতে পারে।

গেরুয়া শিবিরের কৌশল আঁচ করে সিপিএম ও কংগ্রেসও খ্রিস্টানদের সখ্য জোরদার করার চেষ্টা শুরু করেছে। মাস তিনেক আগে কেরলের একটি বিধানসভা আসনের উপনির্বাচনে সিপিএম একজন চিকিৎসকে প্রার্থী করে যিনি খ্রিস্টান শুধু নন, কেরলের চার্চগুলির সর্ব বৃহৎ সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত। তাঁকে প্রার্থী করায় ধর্মীয় রাজনীতি করার অভিযোগ ওঠে সিপিএমের অন্দরে। কিন্তু কংগ্রেস প্রার্থীর কাছে হেরে যান সিপিএম প্রার্থী। ফলে খ্রিস্টান ভোট নিয়ে চিন্তা বেড়েছে সিপিএমের।

বিজেপি-সহ গেরুয়াবাদীদের সঙ্গে অতীতে খ্রিস্টানদেরও বিরোধ, সংঘাত হয়েছে। যদিও সব সংখ্যালঘুকে গেরুয়াবাদীরা কোনও দিনই এক চোখে দেখে না। বিগত কয়েক বছর যাবৎ সংখ্যালঘুদের মুসলিম এবং অমুসলিম, এই দুই গোষ্ঠীতে ভাগ করে নিয়েছে তারা। অনেকেই মনে করছেন, মুসলিমদের কোণঠাসা করতে এটা গেরুয়া শিবিরের নয়া কৌশল। তারা অমুসলিম অন্য সংখ্যালঘু ধর্মীয় গোষ্ঠীকে কাছে টানার চেষ্টা করছে। আদালতেও একই ভাবে অমুসলিম সংখ্যালঘুদের স্বার্থরক্ষায় সরব তারা। যদিও খ্রিস্টানদের সঙ্গে হিন্দুত্ববাদীদের বিরোধের দীর্ঘ ইতিহাস রয়েছে। কেরলের ভোট-রাজনীতির বাস্তবতা মাথায় রেখে অতীত ভুলে খ্রিস্টানদের কাছে টানার কৌশল নিয়ে এগচ্ছে হিন্দুত্ববাদীরা। এই লক্ষ্যপূরণে মুসলিমদের বিরুদ্ধে লাভ জিহাদ ইস্যুতে খ্রিস্টান সম্প্রদায়ের মধ্যে জোরদার প্রচার শুরু করেছে গেরুয়া শিবির।

তাতে তারা যথেষ্ট সফল। হালে সিপিএম এবং কংগ্রেসের কয়েকজন খ্রিস্টান নেতা মুসলিমদের বিরুদ্ধে এই ইস্যুতে মুখ খুলেছেন। আবার খ্রিস্টানদের স্বার্থে কাজ করা কেরলের বেশ কয়েকটি সংগঠনকে একত্রিত করে একটি মঞ্চ গড়েছে বিজেপি। বিজেপি সভাপতি জেপি নাড্ডা কেরলে গিয়ে ওই মঞ্চের নেতাদের সঙ্গে বৈঠক করেন। তাদের জনসভায় প্রধান বক্তা হিসাবে হাজির হয়েছিলেন নাড্ডা। রাজ্যের বিজেপি নেতারা খ্রিস্টানদের সংগঠনগুলিকে কথা দিয়েছে কেন্দ্রীয় সরকারের কাছ থেকে তাদের দাবিদাওয়া আদায় করে দেওয়ার চেষ্টা হবে।

আস্থাভোটের আগেই লালুর দলের শীর্ষস্থানীয় নেতাদের বাড়িতে সিবিআই হানা


```