ভিড় এড়াতে মদের দোকান বন্ধের সিদ্ধান্ত মুম্বইয়ে, রাতে জারি নির্দেশিকা
দ্য ওয়াল ব্যুরো: ভারতে সবথেকে বেশি করোনা সংক্রমণ দেখা গিয়েছে মুম্বইয়ে। কিন্তু তারমধ্যেও সোমবার থেকে তৃতীয় পর্যায়ের লকডাউন শুরু হওয়ার সময় কিছু ক্ষেত্রে ছাড় দেওয়া হয়েছিল। তার মধ্যে অন্যতম ছিল মদের দোকান। কিন্তু দু’দিনে লকডাউন অথবা সামাজিক দূর
শেষ আপডেট: 6 May 2020 06:41
দ্য ওয়াল ব্যুরো: ভারতে সবথেকে বেশি করোনা সংক্রমণ দেখা গিয়েছে মুম্বইয়ে। কিন্তু তারমধ্যেও সোমবার থেকে তৃতীয় পর্যায়ের লকডাউন শুরু হওয়ার সময় কিছু ক্ষেত্রে ছাড় দেওয়া হয়েছিল। তার মধ্যে অন্যতম ছিল মদের দোকান। কিন্তু দু’দিনে লকডাউন অথবা সামাজিক দূরত্ব না মেনে যে সংখ্যক মানুষ মদের দোকানে লাইন দিয়েছেন তা চিন্তায় ফেলেছে প্রশাসনকে। আর তাই বুধবার থেকে ফের মদের দোকান বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বৃহন্মুম্বই মিউনিসিপ্যালিটি ( বিএমসি )।
মুম্বই পুলিশ জানিয়েছে, সোমবার মদের দোকান খোলার সঙ্গে সঙ্গেই মানুষ ভিড় করেন। যত সময় বাড়ে ভিড় বাড়তে থাকে। পরিস্থিতি সামলাতে হিমশিম খেতে হয় পুলিশকে। কোথাও কোথাও তো জনতার সঙ্গে গণ্ডগোলও হয় পুলিশের। মদের দোকানের সামনে সরকারের তরফে একাধিক নির্দেশিকা দেওয়া হলেও একটাও মানা হয়নি।
এই ঘটনার পরে মুম্বই পুলিশের তরফে জানিয়ে দেওয়া হয় শহরের সব জায়গায় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা তাদের পক্ষে সম্ভব নয়। তারপর রাতে বৃহন্মুম্বই মিউনিসিপ্যালিটির আধিকারিকরা এই সিদ্ধান্ত নেন। রাতেই নির্দেশিকা জারি করে জানিয়ে দেওয়া হয়, বুধবার সকাল থেকে আর মদের দোকান খুলবে না মুম্বইয়ে।
জানা গিয়েছে, শুধু মদের দোকান নয়, নিত্য প্রয়োজনীয় সামগ্রী বাদ দিয়ে যে সব পরিষেবার উপর ছাড় দেওয়া হয়েছিল, সব ছাড় তুলে নেওয়া হয়েছে। শুধুমাত্র মুদিখানা ও ওষুধের দোকান ছাড়া আর কিছুই খোলা থাকবে না। বিএমসির তরফে জানানো হয়েছে, এইসব পরিষেবা চালু থাকলে মুম্বইয়ের পরিস্থিতি আরও খারাপ হতে পারে। কারণ মুম্বইয়ে সংক্রমণের হার এখনও ঊর্ধ্বমুখী। যতদিন না তা স্থিতিশীল হচ্ছে, এইসব পরিষেবা বন্ধ রাখা হবে বলেই জানানো হয়েছে।
এখনও পর্যন্ত শুধুমাত্র মুম্বইয়ের ১০ হাজারের বেশি মানুষ কোভিড ১৯-এ আক্রান্ত হয়েছেন। এই সংখ্যাটা রাজধানী দিল্লির দ্বিগুণেরও বেশি। এতরকমের ব্যবস্থা নেওয়ার পরেও আক্রান্তের সংখ্যা বেড়েই চলেছে। দেশের বাণিজ্যনগরীতে এই অবস্থা হওয়ায় চিন্তায় প্রশাসন। যত তাড়াতাড়ি সম্ভব মুম্বইয়ের অবস্থা স্বাভাবিক করার চেষ্টা করছে তারা। আর তাই এইসব কড়া পদক্ষেপ নিতে হচ্ছে প্রশাসনকে।