Date : 15th Apr, 2026 | Call 1800 452 567 | info@thewall.in
ফাঁকা স্টেডিয়ামে পিএসএলের আড়ালে ভারতের জ্বালানি সঙ্কট! নকভির ‘যুক্তি’তে হতভম্ব সাংবাদিকভোটের রেজাল্টে পর ফের ডিএ মামলার শুনানি শুনবে সুপ্রিম কোর্ট! ৬০০০ কোটি টাকা দেওয়া হয়েছে, জানাল রাজ্যহরমুজ প্রণালীতে ট্রাম্পের দাপট! মার্কিন যুদ্ধজাহাজের বাধায় ফিরল বিদেশী ট্যাঙ্কারTCS Case: প্রথমে বন্ধুত্ব, তারপর টাকার টোপ! টিসিএসের অফিসে কীভাবে টার্গেট করা হত কর্মীদের‘ফোর্স ৩’ শুটিং জোরকদমে, পুরনো চরিত্রে ফিরছেন জন— নতুন চমক কারা?'মমতা চান না গোর্খারা শান্তিতে থাকুন, অধিকার ফিরে পান', দার্জিলিঙে ভিডিওবার্তা অমিত শাহেরগ্রাহকের পকেট বাঁচাতে ভারি খেসারত দিচ্ছে তেল কোম্পানিগুলি! প্রতিদিন লোকসান ১,৬০০ কোটিরইচ্ছেশক্তির বারুদে আগুন ধরাল ধোনির পেপ টক! নাইটদের বিঁধে দুরন্ত কামব্যাক নুর আহমেদেরময়মনসিংহে দীপুচন্দ্র দাসকে হত্যার প্রধান আসামিকে ১ বছরের অন্তর্বর্তী জামিন, কাঠগড়ায় বিচারপতিশয়তান বা কালু বলে আর ডাকা যাবে না! স্কুলের খাতায় পড়ুয়াদের নতুন পরিচয় দিচ্ছে রাজস্থান সরকার

লকডাউনে রেস্তোরাঁ বন্ধ, ফের রাজধানীর রাজপথে 'বাবা কা ধাবা'-র কান্তা প্রসাদ

দ্য ওয়াল ব্যুরো: 'বাবা কা ধাবা'। গত বছর লকডাউনের সময় শুধু দিল্লি নয়, গোটা দেশের ঘরে ঘরে ফিরছিল এই নাম। শিবালিক কলোনির রাস্তার ধারে ছাপোষা স্টলে ছোলার কারি, হাতরুটি, ডাল আর তরকারি বেচতেন অশীতিপর কান্তা প্রসাদ। আশপাশে অফিস কাছারি সব বন্ধ। তাই

লকডাউনে রেস্তোরাঁ বন্ধ, ফের রাজধানীর রাজপথে 'বাবা কা ধাবা'-র কান্তা প্রসাদ

শেষ আপডেট: 14 June 2021 04:28

দ্য ওয়াল ব্যুরো: 'বাবা কা ধাবা'। গত বছর লকডাউনের সময় শুধু দিল্লি নয়, গোটা দেশের ঘরে ঘরে ফিরছিল এই নাম। শিবালিক কলোনির রাস্তার ধারে ছাপোষা স্টলে ছোলার কারি, হাতরুটি, ডাল আর তরকারি বেচতেন অশীতিপর কান্তা প্রসাদ। আশপাশে অফিস কাছারি সব বন্ধ। তাই বিক্রিবাটা তেমন চলছিল না। হঠাৎ ইউটিউবার গৌরব ওয়াসানের চোখে পড়ে যান তিনি। সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয় গৌরবের ভিডিও। ক্রমশ ভিড় জমাতে থাকেন সাধারণ মানুষ। বাড়তে থাকে উপার্জন। আসতে থাকে সাহায্যও। যার জেরে কয়েকদিন পরে আস্ত একটি রেস্তোরাঁ খুলে ফেলেন কান্তা। ঠিক এক বছর পরের ঘটনা। ফের কোভিডের লাগামছাড়া সংক্রমণ। ফের লকডাউন। ফের আর্থিক মন্দা। রোজগারে টান। ফলে রেস্তোরাঁর ঝাঁপ চিরতরে ফেলতে বাধ্য হলেন কান্তা। আবার পুরোনো ঠিকানায় ফিরে এসেছেন তিনি। সেই বি ব্লক। সেই শিবালিক কলোনি। মালব্য নগরে রাস্তার ধারের দোকানে আবার হাত রুটি আর তরকারি বিক্রি শুরু করেছেন সস্ত্রীক কান্তা প্রসাদ। অথচ এক বছর আগেও ছবিটা এমন ছিল না। সদ্য হাতে কয়েক লাখ টাকা এসেছে। ঠেলাগাড়ি-জীবন মোটেও পোষাচ্ছিল না। আবার এতদিনকার পেশা ছেড়ে বাড়িতে বসে দিন কাটাবেন— এমন ইচ্ছেও মনে ধরেনি। তাই শেষমেশ মালব্য নগরের একটা জায়গা বেছে ঝাঁ চকচকে রেস্তোরাঁ খুলে বসেন কান্তা প্রসাদ। ছেঁড়া গেঞ্জি আর তেলচিটে লুঙ্গি উধাও। ধোপদুরস্ত সাজে, মাথায় পাগড়ি বেঁধে অর্ডার নিতেন কান্তা। পাশের কুর্সিতে স্ত্রী বাদামি দেবী। হাতে ঝাঁ চকচকে স্মার্টফোন। সারা জীবনের ধারদেনা চুকিয়ে বহাল তবিয়তেই দিন গুজরান হচ্ছিল। এটা বাইরের ছবি। আর পাঁচটা লোক এমনটাই দেখত। কিন্তু কান্তার দাবি, আসল ঘটনা সম্পূর্ণ আলাদা। রমরমিয়ে দোকান খোলা হল বটে। কিন্তু এক-দু'মাস পরেই নয়া অ্যাডভেঞ্চার মুখ থুবড়ে পড়ল। বিক্রিবাটা তলানিতে। লোকজনও তেমন আসে না। লকডাউনের পর সেটাই সামলানোর বাইরে চলে যায়। আগে দিনপিছু সাড়ে তিন হাজার টাকার বিক্রি হত। চলতি বছরের গোড়ায় যা এক হাজারে নেমে আসে! দিল্লির মতো জায়গায় এই উপার্জন, তাও বাড়িতে আটজনের পেট চালানো... বিকল্প কোনও উপায় ছিল না কান্তার। তাই ফেব্রুয়ারিতেই রেস্তোরাঁ বন্ধের সিদ্ধান্ত নেন তিনি। ভাগ্য বিপর্যয়ের পর রীতিমতো বিধ্বস্ত কান্তা প্রসাদ। উগড়ে দিলেন ক্ষোভও। জানালেন, রেস্তোরাঁ খোলার পরিকল্পনাতেই গলদ ছিল। তিনি নিজে এটা চাননি। তুশান্ত আড়খালা নামে এক সমাজকর্মী নাকি তাঁকে উস্কেছিলেন। আশ্বাস দিয়েছিলেন, পাশে থাকবেন। অথচ পাঁচ লাখ টাকা দিয়ে দোকান উদ্বোধনের আগেই নাকি তুশান্ত বেপাত্তা হয়ে যান। কান্তা বলেন, 'বিনিয়োগের টাকাটাও তুলতে পারিনি। রেস্তোরাঁর হাতা-খুন্তি-চেয়ার— সব বেচে দিয়েছি। তারপরও হাতে এসেছে মোটে ৩৬ হাজার।' অন্যদিকে তাঁর বিরুদ্ধে ওঠা সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করেছেন তুশান্ত। তাঁর দাবি, 'রেস্তোরাঁ বসানো থেকে শুরু করে খরিদ্দার ডেকে আনা— কী করিনি? আর কী করার ছিল? প্রসাদের দুই ছেলে বলেছিলেন, তাঁরাই দোকান সামলাবেন। অথচ আর্ধেক সময় তাঁদের কেউ কাউন্টারে থাকতেন না। ফলে অর্ডার এলেও ডেলিভারি হত না।'

```