দ্য ওয়াল ব্যুরো : বিহারের প্রাক্তন সমাজকল্যাণমন্ত্রী মঞ্জু ভার্মাকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না। বিহার সরকার মঙ্গলবার একথা জানিয়েছিল সুপ্রিম কোর্টে। তখন বিচারপতিরা মন্তব্য করেন, আশ্চর্য ব্যাপার। সরকার জানে না এক প্রাক্তন মন্ত্রী কোথায় লুকিয়ে আছেন? বুধবার বিচারপতিরা ফের মন্তব্য করলেন, 'অল ইজ নট ওয়েল ইন বিহার', বিহারে সবকিছু ঠিকঠাক চলছে না।
গত এপ্রিলে জানা যায়, বিহারের মুজফফরপুরে এক অনাথ আশ্রমে ৩০ টি মেয়ে যৌন নির্যাতনের শিকার । যে ব্যক্তির স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা ওই অনাথ আশ্রম চালায়, সেই এর জন্য দায়ী । তার নাম ব্রজেশ ঠাকুর। তদন্তে জানা যায়, মঞ্জু ভার্মার স্বামী চন্দ্রশেখর ভার্মার সঙ্গে ব্রজেশের যোগাযোগ আছে। তখন মঞ্জু ইস্তফা দেন। তাঁর বাড়িতে তদন্ত করতে গিয়ে সিবিআই ৫০ টি তাজা কার্তুজ পায়।
গত মঙ্গলবার সুপ্রিম কোর্ট নির্দেশ দেয়, ব্রজেশ ঠাকুরকে বিহারের জেল থেকে সরিয়ে পঞ্জাবের পাতিয়ালায় পাঠানো হোক। কারণ সে খুবই প্রভাবশালী ব্যক্তি। বিহারের জেল থেকেই তদন্তে বাধা দিতে পারে।
চন্দ্রশেখর ভার্মা জামিনের জন্য আবেদন করেছিলেন। আবেদন নাকচ হয়ে যাওয়ায় গত সোমবার আত্মসমর্পণ করেছেন। কিন্তু মঞ্জু ভার্মাকে এখনও খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না।