পেন্সিল ঢুকিয়ে সাত বছরের মেয়ের ওপর যৌন নির্যাতন স্কুলের শৌচাগারে
দ্য ওয়াল ব্যুরো: স্কুল থেকে বাড়ি ফেরার পরে মেয়ের পোশাক ছাড়াতে গিয়ে মা দেখেন, ইউনিফর্মে রক্তের দাগ। মাত্র সাত বছর বয়স মেয়ের, এ কীসের রক্ত? ভয়ার্ত মুখে শিশুটি জানায়, তার গোপনাঙ্গে যন্ত্রণা হচ্ছে। তড়িঘড়ি তাকে পারিবারিক চিকিৎসকের কাছে নিয়ে
শেষ আপডেট: 13 December 2019 18:30
দ্য ওয়াল ব্যুরো: স্কুল থেকে বাড়ি ফেরার পরে মেয়ের পোশাক ছাড়াতে গিয়ে মা দেখেন, ইউনিফর্মে রক্তের দাগ। মাত্র সাত বছর বয়স মেয়ের, এ কীসের রক্ত? ভয়ার্ত মুখে শিশুটি জানায়, তার গোপনাঙ্গে যন্ত্রণা হচ্ছে। তড়িঘড়ি তাকে পারিবারিক চিকিৎসকের কাছে নিয়ে যান বাবা-মা। চিকিৎসক পরীক্ষা করে জানান, যৌন নির্যাতনের শিকার ওই একরত্তি মেয়েটি।
মুম্বইয়ের মালভানি এলাকার একটি স্কুলে এই ঘটনা ঘটে শুক্রবার। শিশুটির পরিবার তাদের মেয়ের উপরে যৌন নির্যাতনের অভিযোগ দায়ের করেছে আজ শনিবার। শিশুর মা জানিয়েছেন, বাড়ি থেকে বেরোনোর আগে পর্যন্ত শিশুটি সুস্থ ছিল, বাড়ি ফেরে পোশাকে রক্তের দাগ নিয়ে— স্বাভাবিক ভাবেই পুলিশ অনুমান করে, যা কিছু ঘটেছে, স্কুলেই।
শুক্রবার রাতেই শিশুটিতে মালভানির একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। স্ত্রীরোগ বিভাগের শিশু শল্য চিকিৎসক শিশুটিকে পরীক্ষা করে যে রিপোর্ট দেন, তাতে যৌন নির্যাতনের উল্লেখ রয়েছে। সেই নির্যাতন এতই তীব্র যে দীর্ঘক্ষণ শিশুটির গোপনাঙ্গে রক্ত জমাট বেঁধে ছিল। চিকিৎসকদের অনুমান পেন্সিল বা ক্রেয়ন জাতীয় কিছু দিয়ে শিশুটির গোপনাঙ্গে আঘাত করা হয়েছে। এই রিপোর্ট হাতে পাওয়ার পরেই শিশু ও তার পরিবারের সঙ্গে কথা বলে পুলিশ। শিশুটি জানায়, এক ব্যক্তি শৌচাগারে ঢুকে তার উপর নির্যাতন চালিয়েছে।

মালভানি পুলিশের এক শীর্ষ কর্তা জানিয়েছেন, শিশুরা সরল মনে সত্যি কথা বলে, এটাই ধরে নেওয়া হয়। তাই এ সব ক্ষেত্রে যাচাই করার প্রয়োজন হয় না। তবে ওই ব্যক্তি স্কুলেরই কেউ কিনা সেটা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। স্কুল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, বাইরের কোনও লোকের পক্ষে স্কুলে ঢোকা সম্ভব নয়।
শিশু নির্যাতনের এই ঘটনায় ভারতীয় দণ্ডবিধির ৩৭৬ (ধর্ষণ) এবং পকসো আইনের ৪ ও ৮ ধারায় মামলা দায়ের করেছে পুলিশ। স্কুলের ভিতর লাগানো সিসিটিভি ফুটেজ খতিয়ে দেখা হচ্ছে। পুলিশ জানিয়েছে, এখনও অবধি সন্দেহজনক কিছু ধরা পড়েনি সিসিটিভি ক্যামেরায়। তবে খুব দ্রুতই অপরাধীকে ধরে ফেলা হবে বলে জানিয়েছে পুলিশ।