
শেষ আপডেট: 15 November 2023 19:12
দ্য ওয়াল ব্যুরো: ফের সীমান্তে বড় সাফল্য পেল বিএসএফ। পেট্রাপোল সীমান্তে এক যাত্রীবেশী পাচারকারীর দেহে তল্লাশি চালিয়ে তার মলদ্বার থেকে ১,০৫৯.৪০ গ্রাম ওজনের দুটি সোনার নলাকার বল উদ্ধার করলেন জওয়ানরা। বাজেয়াপ্ত হওয়া সোনার ভারতীয় বাজার মূল্য প্রায় ৬৪ লক্ষ টাকা!
বিএসএফ সূত্রের খবর, ধৃত পাচারকারীর নাম ফয়জল আলি খান ওরফে মহম্মদ ফলিল (৫৯)। বাড়ি তামিলনাড়ুর থন্ডি থানার নাম্বুথালাই গ্রামে। বিএসএফের দাবি, জেরায় সোনা পাচারের কথা স্বীকার করেছে অভিযুক্ত।
পেট্রাপোল সীমান্ত দিয়ে সোনা পাচারের খবর ছিল জওয়ানদের কাছে। গোপন সূত্রে পাওয়া সেই খবরের ভিত্তিতে আগে থেকেই সতর্ক ছিলেন ১৪৫ ব্যাটালিয়নের জওয়ানরা। মঙ্গলবার রাতে পেট্রাপোল সীমান্তে মেটাল ডিটেক্টরে যাত্রীদের রুটিন তল্লাশির সময়, বাংলাদেশের এক যাত্রীর শরীরের নীচের অংশে কিছু ধাতব পদার্থের উপস্থিতির ইঙ্গিত পান জওয়ানরা।
কর্তব্যরত কর্মীরা পুঙ্খানুপুঙ্খ চেকআপের জন্য তাকে টয়লেটে নিয়ে যান। বিএসএফ জানিয়েছে, তল্লাশির সময় ওই ব্যক্তির মলদ্বার থেকে দুটি সোনার নলাকার বল উদ্ধার করা হয়। এরপরই অভিযুক্তকে গ্রেফতার করে বিএসএফ।
মুম্বই থেকে মালয়েশিয়া, এমনকী বাংলাদেশের বিভিন্ন স্থানে টেক্সটাইলের কাজের সঙ্গে যুক্ত অভিযুক্ত। জেরায় বিএসএফকে সে জানিয়েছে, ১৩ নভেম্বর মালয়েশিয়া থেকে ঢাকা হয়ে ভারতে ফেরার সময় বেনাপোল বাসস্ট্যান্ডে সিদ্দিকী নামে এক শ্রীলঙ্কান নাগরিকের সঙ্গে দেখা করেন। সে তাকে ওই সোনার নলাকার বলদুটি চেন্নাইয়ে পৌঁছে দিতে বলেছিল। পারিশ্রমিক হিসেবে তাকে ১০ হাজার টাকাও দেয় ওই শ্রীলঙ্কান নাগরিক। অভিযুক্তের বয়ান খতিয়ে দেখছে পুলিশ। একই সঙ্গে ধৃতকে জেরা করে চক্রের বাকিদের খোঁজে শুরু হয়েছে তল্লাশি অভিযান।
বিএসএফের ডিআইজি এ কে আর্য বলেন, “পাচারকারীরা গরিব মানুষকে টার্গেট করে। অর্থের প্রলোভন দেখিয়ে তাঁরা এই কাজ করেন। ধৃত ব্যক্তিকে জেরা করে তেমনটাই জানা যাচ্ছে।” এই বিষয়ে সীমান্তের বাসিন্দাদের চোরাচালানকারীদের ফাঁদে পা না দেওয়ারও পরামর্শ দিয়েছেন তিনি।