
শেষ আপডেট: 27 December 2023 23:01
দ্য ওয়াল ব্যুরো: শ্মশানের সৎকার কর্মীদের আর ডোম বলে ডাকা যাবে না। সরকারি বিভিন্ন কাজে খাতায়-কলমে আর লেখা যাবে না ডোম শব্দটি।
বুধবার রাজ্য মন্ত্রিসভার বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। শ্মশানে মরা পোড়ানোর কাজ যাঁরা করেন এখন থেকে তাঁদের সৎকার কর্মী হিসেবে ডাকতে হবে।
বুধবার মন্ত্রিসভার বৈঠকে একাধিক সিদ্ধান্ত নিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। চা বাগানের শ্রমিকদের হাতে পাট্টা তুলে দেওয়ার সিদ্ধান্ত থেকে শুরু করে পঞ্চায়েত কর্মীদের হেলথ স্কিমের সুবিধা। তারই সঙ্গে ডোমেদের নাম পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
প্রশাসনের দাবি, এটি একটি যুগান্তকারী পদক্ষেপ। ডোমেদের নাম পরিবর্তনের বিষয়টি নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই আলোচনা চলছিলসরকারের অন্দরে। নাম পরিবর্তনের জন্য আগেই জানিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।
এদিন মন্ত্রিসভার বৈঠকের পর রাজ্যের জলসম্পদ উন্নয়ন মন্ত্রী মানুষ ভূঁইয়া সাংবাদিকদের এ খবর জানান। তিনি বলেন, "এখন থেকে অফিসিয়ালি কাজকর্ম শ্মশানে মরা পোড়ানোর কাজ যাঁরা করেন তাঁদের আর ডোম বলা যাবে না। লেখা যাবে না সরকারের অফিসিয়াল কাজকর্মেও। তাঁদের নামকরণ করা হয়েছে সৎকার কর্মী।"
মানসবাবু জানিয়েছেন, সলিড ওয়েস্ট ম্যানেজমেন্টের অধীনে শীঘ্রই ৯ জন সৎকারকর্মীকে নিয়োগ করা হবে।
সম্প্রতি উত্তরবঙ্গ সফরে গিয়েছিলেন মুক্যমন্ত্রী। তখনই চা বাগানের শ্রমিকদের পাট্টা বিতরণের কথা জানিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। এদিন মন্ত্রিসভার বৈঠকে এ ব্যাপারে চূড়ান্ত সিলমোহর দেওয়া হয়েছে। একইসঙ্গে পঞ্চায়েত কর্মীদের দাবি মেনে তাঁদের সকলকে স্বাস্থ্য পরিষেবার অধীনে নিয়ে আসার সিদ্ধান্ত নিয়েছে মন্ত্রিসভা। এছাড়াও হোমিওপ্যাথি ডিসপেনসারির জন্য ২৯টি নতুন পদ তৈরি করছে রাজ্য।