কাশ্মীরের সেই উইলো ব্যাট ফিরল বিশ্বকাপের মঞ্চে, সৌজন্যে ওমান
দ্য ওয়াল ব্যুরো: যে ব্যাট দিয়ে ভারত (India) কিংবা পাক (Pakistan) দলের ক্রিকেটাররা খেলতে পারতেন, সেই ব্যাট দিয়েই খেলছেন ওমানের ক্রিকেটাররা।
মরুশহরে টোয়েন্টি ২০ বিশ্বকাপের (T20WorldCup) মঞ্চে এই প্রথম উইলো ব্যাট (Willow Bat) ব্যবহার হচ্ছে, স
শেষ আপডেট: 29 October 2021 07:37
দ্য ওয়াল ব্যুরো: যে ব্যাট দিয়ে ভারত (India) কিংবা পাক (Pakistan) দলের ক্রিকেটাররা খেলতে পারতেন, সেই ব্যাট দিয়েই খেলছেন ওমানের ক্রিকেটাররা।
মরুশহরে টোয়েন্টি ২০ বিশ্বকাপের (T20WorldCup) মঞ্চে এই প্রথম উইলো ব্যাট (Willow Bat) ব্যবহার হচ্ছে, সেটি করছেন ওমানের ক্রিকেটাররা। মূলত কাশ্মীরে তৈরি হয় উইলো ব্যাট। কিন্তু আধুনিক ক্রিকেটে নাকি উইলো ব্যাটের তেমন কদর নেই। সেই কারণে বাকি দেশগুলির ব্যাটসম্যানরা ব্যবহার না করলেও ওমান বহাল তবিয়তে ব্যবহার করছে, তাদের ব্যাটসম্যানরা খেলছেনও।
ঘরোয়া ক্রিকেটে উইলো ব্যাটের দারুণ চাহিদা। এই ব্যাট খুবই শক্তপোক্ত। যদিও বিদেশের বাজারে বলা হয়, ইংল্যান্ডে তৈরি ব্যাটে না খেললে নাকি আধুনিক ক্রিকেটে টিকে থাকা যায় না।
সেদিক থেকে ওমান ক্রিকেট সংস্থার কাছে কৃতজ্ঞ কাশ্মীরের উইলো ব্যাটের ব্যবসায়ীরা। লকডাউনে তাদের বাজার নেই বললেই চলে। তাই নতুন করে তারা স্বপ্ন দেখছেন ভাল কিছুর আশায়।
ফের যমজ সন্তানের বাবা হতে চলেছেন রোনাল্ডো, নিজেই দিলেন খুশির খবর
কাশ্মীরের ব্যাট প্রস্তুতকারক সংস্থার কর্ণধার ফজুল কবির বলেছেন, ‘‘এই শিল্পের সঙ্গে জড়িত ৪০০টি পরিবার। লকডাউনে তাঁদের কাজে ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। এবার আন্তর্জাতিক মঞ্চে আমাদের তৈরি ব্যাট ব্যবহার হচ্ছে, এটা আমাদের কাছে গর্বের বিষয়।’’
একটা সময় ভারত ও পাকিস্তানে একচেটিয়া ছিল কাশ্মীরের উইলো ব্যাটের ব্যবহার। এমনকি শ্রীলঙ্কার বেশ কিছু নামী তারকাও এই ব্যাটে খেলেছেন। একটা সময় কলকাতায় এই ব্যাট পাওয়া যেত হাতিবাগানের দাশগুপ্ত অ্যান্ড স্পোর্টসে। সেইসময় ওই সংস্থার কর্ণধার প্রয়াত সোমনাথ দাশগুপ্ত এই ব্যাট এনে দিতেন নামী তারকাদের।
শ্রীলঙ্কার তিলকরত্নে দিলশানও এই ব্যাটে খেলতেন। ব্যবস্থা করেছিলেন সোমনাথবাবুই। কাশ্মীরে মোট দেড় হাজার শ্রমিক ছিলেন এই ব্যাট তৈরি করার কাজে। লকডাউনের সময় খেলাধুলো বন্ধ হয়ে যাওয়ায় অনেকেই অন্য পেশায় চলে যান। রুগ্ন হতে থাকে এই শিল্প। অবশেষে ওমানের হাত ধরে অক্সিজেন পেলেন ব্যাট ব্যবসায়ীরা।
পড়ুন দ্য ওয়ালের সাহিত্য পত্রিকা 'সুখপাঠ'