দ্য ওয়াল ব্যুরো: বহু প্রতীক্ষিত মোহনবাগানের বার্ষিক সভা হতে চলেছে ১৩ ফেব্রুয়ারি শনিবার ময়দান তাঁবুতে। এই নিয়ে পরিস্থিতি গরমই বলা যায়। কেননা সমর্থকদের একাংশ ক্ষোভে ফুটছে ক্লাবের নানা পরিস্থিতি নিয়ে। অনেক সমর্থকই মানতে চাইছেন না এটিকে-র সঙ্গে দলের এই সংযুক্তিকরণ।
এই সভায় সমর্থকদের রোষানলের মধ্যে পড়তে পারেন মোহনবাগান ক্লাবের শীর্ষ আধিকারিকরা। সেই কারণেই তাঁবুতে শুক্রবার রাত থেকেই বসেছে পুলিশী প্রহরা। ইতিমধ্যেই তাঁবুর সামনের দেওয়ালে পোস্টার পড়েছে ‘‘রিমুভ এটিকে’’ নামে, এমনকি এও লেখা রয়েছে, ‘‘মেরিনার্স নট ফর সেল।’’
সমর্থকদের অন্ধকারে রেখে কী করে এটিকে-র সঙ্গে গাঁটছড়া বাঁধল শতাব্দিপ্রাচীন ক্লাব। এমনকি সংযুক্তিকরণের পরে মোহনবাগান ব্র্যান্ডকে কাজে লাগিয়ে যেভাবে এটিকে-র আধিকারিকরা ব্যবসা করছেন, সেই নিয়ে সোচ্চার হতে দেখা যাবে বিভিন্ন ফ্যান গোষ্ঠীকে।
পাশাপাশি চলতি আইএসএলে এটিকে-মোহনবাগানের তৃতীয় কিট জার্সি নিয়েও ক্ষোভ রয়েছে। কারণ ওই কালো জার্সি ছিল গতবার এটিকে-র অ্যাওয়ে জার্সি। কিভাবে ওই জার্সি পরে খেলেছেন ফুটবলাররা, সেই প্রশ্নও তোলা হবে।
https://twitter.com/TFGfootball/status/1360077631744483333
ইতিমধ্যেই একাধিক ফ্যান ফোরাম ও ফ্যান ক্লাব আগামীকাল মোহনবাগান তাঁবু অভিযানের ডাক দিয়েছে। ফলে আগামীকাল কার্যত অগ্নিগর্ভ পরিস্থিতি নিতে পারে গোষ্ঠ পাল সরণী। এই পরিস্থিতিতে ক্লাবের এমন গুরুত্বপূর্ণ দিনে যাতে এই ধরণের প্রতিবাদ না হয়, তার জন্য কড়া ব্যবস্থা নিতে চলেছেন মোহনবাগান ক্লাব কর্তারা।
এমনকি এই সভায় থাকতে পারেন এটিকে-র বড় অংশীদার তথা সিইএসসি-র মালিক সঞ্জীব গোয়েঙ্কা। তিনি মোহনবাগান ক্লাবের সদস্যও বটে, এছাড়াও উৎসব পারেখরাও থাকবেন, সেই কারণেই বিক্ষুব্ধ সমর্থকদের কারণে ক্লাবের গরিমা কালিমালিপ্ত না হয়, সেই জন্য পুলিশী প্রহরা থাকছে।
এমনকি ক্লাবের এক বড় কর্তা শুক্রবার বলেছেন, ‘‘ক্লাবের সদস্য ছাড়া কারওর অনুমতি নেই ক্লাবের ত্রিসীমানায়। সমর্থকরা গন্ডগোল করতে এলে পুলিশ নিজেদের মতো করে ব্যবস্থা গ্রহণ করবে। কারণ আমরা শান্তি চাই, এই বাতাবরণেই বার্ষিক সভা করব।’’ প্রসঙ্গত, এবার নির্বাচন না হওয়ায় বর্তমান পদাধিকারীরাই থেকে যাবেন ক্ষমতায়।