দ্য ওয়াল ব্যুরো : টোয়েন্টি ২০ ক্রিকেট নাকি চটজলদির খেলা? সেখানে হতে হবে দারুণ ফিট, থাকতে হবে চরম অ্যাথলেটিক?
শনিবার আইপিএলের প্রথম ম্যাচ দেখার পরে সকলেই এই সারসত্য বুঝতে চাইবেন কিনা, সেই নিয়ে সংশয় রয়েছে। কেননা চেন্নাই ও মুম্বই দুটি দলেই কয়েকজন ক্রিকেটারদের ‘মধ্যপ্রদেশ’ এমন বিস্ফারিত হয়েছে যে কেউ কেউ প্রশ্ন করছেন, আরে এতো একেবারে ভুরিবাজদের আইপিএল হচ্ছে!
মৌচাকে ঢিল ছুঁড়তে কেউ সাহস পাচ্ছিলেন না। অবশেষে নামী ধারাভাষ্যকার হর্ষ ভোগলের একটি ট্যুইটে হাসির ফোয়ারা শুরু হয়ে যায়। তিনি খেলা চলাকালীন একটি ট্যুইটে লেখেন, ‘‘আজ কয়েকজনের পেট দেখে বেশ স্বাস্থ্যকর মনে হচ্ছে।’’ কারণ সৌরভ তিওয়ারিকে দেখে প্রথমেই মনে হয়েছে তিনি একেবারেই ফিট নন। পেটে চর্বি এমনভাবে জমেছে রানিং বিটুইন দ্য উইকেটের মাঝে তাঁকে বেশ কাহিল মনে হয়েছে।
শুধু সৌরভ কেন, ম্যাচের নায়ক আম্বাতি রায়ডুরও ‘মধ্যপ্রদেশ’ স্বাস্থ্যসম্মত মনে হয়েছে। এমনকি পীষূস চাওলারও ভুরি বেড়েছে। অনেকেই মনে করছেন, লকডাউনের সময় জিমন্যাসিয়াম বন্ধ ছিল। তখন বাড়ির বাইরে কেউ বেরোতে পারেননি। তাই বাড়িতে থেকে ফিটনেসের দফারফা হয়েছে।
তবুও অবশ্য সৌরভ টেনেছেন ম্যাচে মুম্বইকে। কিন্তু এই যেখানে শরীরের অবস্থা, সেখানে টানা লিগে খেলার ধকল তাঁরা নিতে পারবেন কিনা, সেটি নিয়েও জল্পনা চলছে। আবার মুম্বইয়ের নেতা রোহিত শর্মা বরাবরই দোহারা চেহারার। কিন্তু লকডাউনে রোহিত আরও ভারী হয়েছেন।
সবেমাত্র একটি ম্যাচ হয়েছে। বেশিরভাগের ধারণা, ঝুলি থেকে বেড়াল একটা করে বেরোবে এবার। করোনা আবহের মধ্যে ছয় মাস প্রায় বসেছিলেন ক্রিকেটাররা। এম এস ধোনির মতো কজন রয়েছেন, যারা অবসরের মধ্যেও নিজেকে তৈরি রেখেছেন। না হলে বেশিরভাগই বাড়িতে থাকলেও কায়িক পরিশ্রম না করে পেট ভর্তি চর্বি নিয়ে আইপিএলে খেলতে এসেছেন। বহু বিদেশীও নাকি স্বাস্থ্য নিয়ে খেলতে নামবেন।
আগেই পেশাদার লিগ, তারওপর প্রতিটি দলের রিজার্ভ বেঞ্চ প্রস্তুত। তাই কেউ যদি এই চেহারার কারণে চোট পান, তা হলে তাঁকে লম্বা টুর্নামেন্টে ছুটিতে পাঠিয়ে দেওয়া হবে, এটা নিশ্চিত।