দ্য ওয়াল ব্যুরো: সর্বভারতীয় ফুটবল ফেডারেশন আগেই জানিয়েছিল, আইএসএলের মধ্যেই হবে আই লিগের আসর। সেই মতোই কলকাতার যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গনে ৯ জানুয়ারি ঢাকে কাঠে পড়ছে আই লিগের।
মোহনবাগান ও ইস্টবেঙ্গল, কলকাতার দুটি নামী দল এবার নেই, সেই কারণেই আই লিগের উন্মাদনা তেমন থাকবে না। মহামেডান স্পোর্টিং যদিও খেলবে, প্রথমদিন ব্ল্যাক প্যান্থারসরাই খেলবে সুদেভা এফসি-র বিপক্ষে।
করোনাভাইরাসের কারণে এবার আইএসএল পুরোটাই হচ্ছে গোয়ায়। ওই আসরে জৈব সুরক্ষা বলয়ের মধ্যেই টুর্নামেন্ট হচ্ছে। আই লিগও হবে জৈব সুরক্ষা বলয়ের মধ্যে। যুবভারতী ছাড়াও টুর্নামেন্টের বাকি ম্যাচ হবে কল্যাণীতে।
এর আগে আই লিগ দ্বিতীয় ডিভিশন লিগ হয়েছিল কলকাতাতেই। এআইএফএফ দারুণভাবেই আয়োজন করে ওই টু্র্নামেন্ট। মূলপর্বেও সেই কারণেই কলকাতা ও কল্যাণীতে হবে। দুপুর ২টোয় শুরু হবে ম্যাচ। একইদিনে রয়েছে তিনটি ম্যাচ। ওইদিনই বিকেল চারটেয় পাঞ্জাব এফসি ও আইজল এফসি মুখোমুখি হবে কল্যাণীতে। আর সন্ধে ৭টায় একই মাঠে গোকুলাম কেরলের বিরুদ্ধে মাঠে নামবে চেন্নাই সিটি এফসি।
এবার আর প্রতিটি দল নিজেদের ঘরের মাঠে খেলার সুযোগ পাবেন না। করোনা কালে বায়ো বাবলের মধ্যেই থাকতে হবে ফুটবলার ও অফিসিয়ালদের। সেই কারণেই এবার মোট তিনটি ভেন্যুতে হবে লিগ। যুবভারতী ও কল্যাণীর পাশাপাশি কিশোর ভারতী ক্রীড়াঙ্গনেও ম্যাচের আয়োজন করা হচ্ছে। আপাতত প্রথম দশটি রাউন্ডের সূচি ঘোষিত হয়েছে। খেলা দেখা যাবে ডিডি স্পোর্টস ১ এবং ফেসবুকেও সরাসরি সম্প্রচার করা হবে।
সল্টলেকের যুবভারতী, যাদবপুর সন্তোষপুর কিশোর ভারতী, কিংবা কল্যাণী স্টেডিয়াম তিনটি মাঠেই দর্শক প্রবেশের অনুমতি থাকবে না। গ্যালারি থাকবে ফাঁকা। সেই নিয়ে ফেডারেশনের মুখ্য কার্যনির্বাহী দিল্লি নিবাসী সুনন্দ ধর জানিয়েছেন, ‘‘যেহেতু আই লিগ হোম অ্যান্ড অ্যাওয়ে ভিত্তিতে হচ্ছে না, সেই কারণে মাঠে দর্শক থাকলে অসুবিধে হবে। করোনা পরিস্থিতিতে হচ্ছে টুর্নামেন্ট, পুরোটাই বায়ো-বাবল পদ্ধতিতে করা হবে। তাই দর্শক থাকলে ঝুঁকি থাকবে।’’
I-league starts on January 9 at yuba