দ্য ওয়াল ব্যুরো: আইসিসি তাঁকে একবছর প্রায় নির্বাসন দিয়েছিল। তিনি মাঠে ফেরার আগে দিয়েছেন ফিটনেস পরীক্ষা। খেলতে নামবেন বঙ্গবন্ধু টোয়েন্টি ২০ ক্রিকেট টুর্নামেন্টে।
তার আগেই যদিও ভারতে আসছেন বাংলাদেশের নামী অলরাউন্ডার শাকিব আল হাসান। তিনি একটি বায়ো বাবল বিমানের সূচনায় থাকার আমন্ত্রন পেয়েছেন। করোনা কালে সব ব্যবসার সঙ্গেই ক্ষতি হয়েছে বিমান সংস্থাগুলিরও, তাদেরও অনেক কর্মীকে করতে হয়েছে ছাঁটাই।
এই পরিস্থিতি থেকে উদ্ধারের জন্য বিশেষ বিমানের ব্যবস্থা করছে সব দেশের বিমান সংস্থা। বাংলাদেশও তার ব্যতিক্রম হবে কেন? সেই কারণেই তারা বায়ো বাবল (জৈব সুরক্ষা বলয় বিমান পরিষেবা) বিমানের ব্যবস্থা করছে। তার প্রথম বিমান আসতে পারে ভারতে, আরও ভাল করে বললে কলকাতায়। সেই বিশেষ বিমানে যাত্রী হওয়ার আমন্ত্রন পেয়েছেন এই নামী মহাতারকা।
ঢাকায় ভারতের যা হাই কমিশন অফিস রয়েছে, সেই অফিসে গিয়ে আধিকারিকদের সঙ্গে কথা বলে এসেছেন শাকিব। বিষয়টি নিশ্চিত করে বাংলাদেশে অবস্থিত ভারতীয় হাইকমিশন টুইট করেছে, ‘‘বাংলাদেশের প্রাক্তন অধিনায়ক শাকিব আল হাসানকে পেয়ে আজ ভারতীয় হাইকমিশন আনন্দিত। তিনি ভারত ও বাংলাদেশ দুই দেশেই ভীষণ জনপ্রিয়। তিনি এয়ার বাবল ব্যবস্থাপনা যাচ্ছেন ভারতে।’’
ভারত ও বাংলাদেশ বিমান পরিষেবা শুরু হয়েছিল, কিন্তু গত কয়েক সপ্তাহ আগেই তা বন্ধ হয়ে যায়। এয়ার ইন্ডিয়া, ভিসতারা, ইন্ডিগো, স্পাইসিজেট ও গো-এয়ার ভারতের পাঁচ এয়ারলাইন্সও জানিয়েছিল তারা পরিষেবা দেবে। কিন্তু কোভিড পরিস্থিতির কারণে সেটি বন্ধ হয়ে যায়।
এই নিয়ে আধিকারিকরা গুরুত্ব দিয়ে ভেবে ঠিক করেন, তারা কোভিডের জন্য বিশেষ বিমান আনবেন, যাতে থাকবে জৈব সুরক্ষা বলয়। সেই মতোই আনুষ্ঠানিক সূচনা করতে চাইছেন কোনও খ্যাতনামা ক্রিকেটারকে দিয়ে, যিনি ভারত ও বাংলাদেশ দুটি দেশেই জনপ্রিয়। শাকিবকে আমন্ত্রন সেই কারণেই।
প্রথমে এয়ার লাইন্স সংস্থার আধিকারিকরা চেষ্টা করেছিলেন সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়কে দিয়ে এই কাজটি করানোর। কিন্তু বোর্ড প্রেসিডেন্ট এই মুহূর্তে খুবই ব্যস্ত, তিনি সময় দিতে পারেননি। সেই কারণেই শাকিবকে দিয়ে সূচনা করানো হচ্ছে। বাংলাদেশের তারকা ক্রিকেটার নিজেও উচ্ছ্বসিত এই ঘটনায়, তিনি বলেছেন, ‘‘এই সময় কালে যাত্রীদের পরিষেবা দেওয়ার জন্য এই ব্যবস্থা দরকার ছিল। আমি দেখে জানাব আমার কেমন অনুভূতি হয়েছে।’’