কাশ্মীরের শৈত্যপ্রবাহে যুবভারতীতে 'নৌকাডুবি'
দ্য ওয়াল ব্যুরো: মেসন রবার্টসন। রবিবাসরীয় যুবভারতীতে এই একটা নামই কাঁটা হয়ে দাঁড়ালো কোচ শঙ্করলাল চক্রবর্তী ও তাঁর দলের জন্য। চোট সারিয়ে ফিরে সনির বিশ্বমানের গোলও হার বাঁচাতে পারলো না বাগানের। রবার্টসনের জোড়া গোলে ঘরের মাঠে হলো নৌকাডুবি।
ঘর
শেষ আপডেট: 6 January 2019 10:27
দ্য ওয়াল ব্যুরো: মেসন রবার্টসন। রবিবাসরীয় যুবভারতীতে এই একটা নামই কাঁটা হয়ে দাঁড়ালো কোচ শঙ্করলাল চক্রবর্তী ও তাঁর দলের জন্য। চোট সারিয়ে ফিরে সনির বিশ্বমানের গোলও হার বাঁচাতে পারলো না বাগানের। রবার্টসনের জোড়া গোলে ঘরের মাঠে হলো নৌকাডুবি।
ঘরের মাঠে এ দিন জয় পাওয়ার জন্য প্রথম থেকেই ঝাঁপিয়েছিল মোহনবাগান। সনির গতি ব্যবহার করে আক্রমণ তুলে আনছিল বাগান। মাটিতে বল রেখে গতিশীল ফুটবল হচ্ছিল। অন্যদিকে ডিফেন্ডার মেসন রবার্টসনকে আক্রমণে তুলে এনে চমক দিয়েছিলেন কাশ্মীর কোচ। কিন্তু বাগানের সব আক্রমণ আটকে দিচ্ছিল চলতি আই লিগে সবথেকে কম গোল খাওয়া রিয়েল কাশ্মীর ডিফেন্স। নিজেদের রক্ষণ সামলে মাঝেমধ্যেই প্রতিআক্রমণে উঠে আসছিলেন তেতে, রবার্টসনরা।
৩২ মিনিটের মাথায় ডানপ্রান্ত ধরে সুরচন্দ্রের ঠিকানা লেখা ক্রস দুরন্ত হেডে জালে জড়িয়ে দেন মেসন রবার্টসন। খেলার গতির বিপরীতে গোল পেয়ে যায় কাশ্মীর। গোল খেয়ে শোধ দেওয়ার জন্য মরিয়া হয়ে ওঠে বাগান। তার ফলও মেলে। ৪২ মিনিটের মাথায় বক্সের বাইরে থেকে ডান পায়ের বিশ্বমানের গোলে বাগানের হয়ে গোল শোধ করেন সনি। গোল করার পর গ্যালারির কাছে গিয়ে হাত জোড় করে তাঁর সেলিব্রেশনই বুঝিয়ে দিল, এতদিন খেলতে না পারায় সমর্থকদের কাছে ক্ষমা চেয়ে নিলেন সনি।
দ্বিতীয়ার্ধে অনেক বেশি আক্রমণাত্মক শুরু করে কাশ্মীর। দুই দলই আক্রমণ তুলে আনছিল। কিন্তু গোল আসছিল না। এর মধ্যেই ৭০ মিনিটের মাথায় বক্সের বাইরে বল পেয়ে ডান পায়ের জোরালো শটে প্রথম পোস্ট দিয়ে বল জালে জড়িয়ে দেন সেই রবার্টসন। কাশ্মীর এগিয়ে যায় ২-১ গোলে। গোল করার পরেই অবশ্য নিজের প্রধান ভূমিকা অর্থাৎ ডিফেন্সে নেমে আসেন রবার্টসন। ডিফেন্সে লোক বাড়িয়ে ঝাঁপ বন্ধ করে দেয় কাশ্মীর।
তারপরেও গোল শোধ করার জন্য অনেক চেষ্টা করে সবুজ-মেরুন ব্রিগেড। কিন্তু বাগানের সব আক্রমণ রুখে দেন বিলালের নেতৃত্বে কাশ্মীর ডিফেন্স। হেনরি-ডিকা জোড়া স্ট্রাইকারেও গোল আসেনি বাগানের।
এই জয়ের ফলে ফের লিগের লড়াইয়ে ফের দুই নম্বরে উঠে এল কাশ্মীর। অন্যদিকে ঘরের মাঠে ফের হারের ফলে তলিয়ে গেল বাগানের লিগ চ্যাম্পিয়ন হওয়ার স্বপ্ন।