দ্য ওয়াল ব্যুরো: জয়! রবিবার পাঞ্জাবের মাটিতে মিনার্ভা পাঞ্জাবের বিরুদ্ধে খেলতে নামার আগে এই একটা কথাই ঘুরছিল ইস্টবেঙ্গল ফুটবলার থেকে শুরু করে সমর্থকদের মনে। ৭৫ মিনিট পর্যন্ত সেই জয়কেই ইস্টবেঙ্গলের থেকে দূরে রেখেছিলেন মিনার্ভা ডিফেন্ডাররা। কিন্তু শেষ মূহূর্তে জ্বলে উঠলেন লাল-হলুদের মেক্সিকান মায়েস্ত্রো এনরিকে এসকুইদার। ৭৫ মিনিটে করা তাঁর বাঁ'পায়ের গোলেই লিগের আশা জিইয়ে রাখল ইস্টবেঙ্গল।
শুরু থেকেই অবশ্য আক্রমণ-প্রতি-আক্রমণের খেলা চলছিল। দু'দলই নিজেদের মধ্যে বল ধরে খেলার চেষ্টা করছিল। একদিকে ইস্টবেঙ্গল আক্রমণে জবির না থাকা যেমন সমস্যার সৃষ্টি করেছিল কোচ আলেজান্দ্রো মেনেন্ডেজের জন্য, তেমনই প্রতিপক্ষের মাঝমাঠে সিরিয়ান আল-আমনার থাকাটাও চিন্তার কারণ ছিল স্প্যানিশ কোচের। আমনার পায়েই খেলা তৈরি হচ্ছিল মিনার্ভার। অন্যদিকে ইস্টবেঙ্গল জোর দিয়েছিল মাঝমাঠ দখলের।
২৫ মিনিটের মাথায় এনরিকের দূরপাল্লার শট একটুর জন্য বাইরে চলে যায়। ৩০ মিনিটের মাথায় মিনার্ভার ব্যারসের শট পোস্টে লেগে ফিরে আসে। একই ছবি দেখা যায় বিপরীত বক্সেও। ৩৮ মিনিটের মাথায় টনি ডোভালের ক্রসে কোলাডর হেড ক্রসবারে লেগে বেরিয়ে যায়।
দ্বিতীয়ার্ধে গোলের জন্য আরও ঝাঁপায় ইস্টবেঙ্গল। অন্যদিকে নিজেদের ডিফেন্স জমাট রাখে মিনার্ভা। ফলে সুযোগ তৈরি হলেও গোল আসছিল না। ৭২ মিনিটের মাথায় সামাদ আলি মল্লিকের বাঁ পায়ের শট দুরন্ত বাঁচান মিনার্ভা গোলকিপার অক্ষদীপ নাথ। কিন্তু তিন মিনিট পরেই দেখা গেল মেক্সিকান ম্যাজিক। বক্সের বাইরে থেকে এনরিকের জন্য বল সাজিয়ে দেন ডানমাওয়াইয়া। বক্সের মধ্যে থেকে বাঁ'পায়ের শটে বল জালে জড়িয়ে দেন এনরিকে।
গোল খেয়ে শোধের জন্য আক্রমণে ওঠে মিনার্ভা। কিন্তু গোলকিপার রক্ষিত ডাগরের হাতে সব আক্রমণ প্রতিহত হয়ে যায়। শেষ পর্যন্ত ১-০ গোলেই ম্যাচ জেতে লাল-হলুদ ব্রিগেড।
এই জয়ের ফলে ১৯ ম্যাচে ৩৯ পয়েন্ট ইস্টবেঙ্গলের। অন্যদিকে ১৯ ম্যাচে ৪০ পয়েন্ট চেন্নাইয়ের। অর্থাৎ শেষ রাউন্ডের খেলাতেই ফয়সালা হবে লিগের। সে দিনও অবশ্য এই মিনার্ভার দিকেই তাকিয়ে থাকতে হবে লাল-হলুদ ব্রিগেডকে। কারণ শেষ ম্যাচে এই মিনার্ভার বিপক্ষেই যে খেলতে নামবে চেন্নাই।