ডিডিকার বাঁ'পায়ের জাদু, কোলাডোর বুলেট-শট, চার্চিলকে হারিয়ে দু'নম্বরে উঠে এল ইস্টবেঙ্গল
দ্য ওয়াল ব্যুরো: মিথ ভাঙলো ইস্টবেঙ্গল। এতদিন অবধি ময়দানে চালু কথা ছিল, যে দল বড় ম্যাচ জেতে, সেই দল নাকি পরের ম্যাচেই হোঁচট খায়। সে সব প্রবাদ ঘুচিয়ে গ্যালারিতে বসে থাকা আলেমাও চার্চিলের গোটা পরিবারের সামনে চার্চিল ব্রাদার্সকে দুরমুশ করলো ইস্
শেষ আপডেট: 20 December 2018 13:26
দ্য ওয়াল ব্যুরো: মিথ ভাঙলো ইস্টবেঙ্গল। এতদিন অবধি ময়দানে চালু কথা ছিল, যে দল বড় ম্যাচ জেতে, সেই দল নাকি পরের ম্যাচেই হোঁচট খায়। সে সব প্রবাদ ঘুচিয়ে গ্যালারিতে বসে থাকা আলেমাও চার্চিলের গোটা পরিবারের সামনে চার্চিল ব্রাদার্সকে দুরমুশ করলো ইস্টবেঙ্গল। তাও আবার গোয়ার মাটিতে।
শুরুটা অবশ্য হয়েছিল অন্যভাবে। খেলার শুরুতেই ইস্টবেঙ্গল ডিফেন্সকে ঝটকা দেয় চার্চিল। লাল-হলুদের বাতিল প্লাজার হাত ধরেই গোলের মুখ খোলে তারা। ২ মিনিটের মাথায় বাঁ প্রান্তে বল ধরে বেশ কিছুটা দৌড়ে বক্সের মধ্যে প্লাজার উদ্দেশে বল রাখেন সিসে। বাঁ পায়ের শটে রক্ষিত ডাগরকে পরাস্ত করে সেই বল জালে জড়িয়ে দেন প্লাজা। গোল খেয়ে কিছুটা খেলা ধরার চেষ্টা করে ইস্টবেঙ্গল। কাসিম আইদারা ও ব্র্যান্ডনের শট ভালো বাঁচান চার্চিল গোলকিপার ভাস্করণ।
যদিও আক্রমণের চাপ বেশি ছিল চার্চিলের। অন্যদিকে মাঝেমধ্যে আক্রমণে উঠছিল ইস্টবেঙ্গল। ৩৪ মিনিটের মাথায় লালরিন্ডিকার কর্নার থেকে চলতি বলে টপ বক্সের মাথা থেকে ডান পায়ের দুরন্ত শটে গোল করে সমতা ফেরান লাল-হলুদের নতুন বিদেশি স্যান্টোস কোলাডো। প্রথমার্ধের বাকি সময় গোল হয়নি।
দ্বিতীয়ার্ধে অবশ্য আক্রমণের গতি বেশি থাকে ইস্টবেঙ্গলের। মাঝমাঠের আধিপত্য নিয়ে নেন আইদারা, লালরিন্ডিকারা। দুই প্রান্ত ধরে কোলাডো ও সামাদের আক্রমণ সমস্যায় ফেলছিল রেড ব্রিগেডের ডিফেন্সকে। এর মধ্যেই কিছু আক্রমণ তুলে আনার চেষ্টা করে চার্চিল। কিন্তু অ্যাকোস্টা ও বোরহার জমাট ডিফেন্সে সব আক্রমণ আটকে যাচ্ছিল। অন্যদিকে কিছু সহজ সুযোগ নষ্ট করেন জবি জাস্টিনরা।
৭২ মিনিটের মাথায় প্রায় ৪০ গজ দূর থেকে লালরিন্ডিকার বাঁ পায়ে নেওয়া ফ্রিকিক চার্চিল গোলকিপারের সামনে ড্রপ করে গোলে ঢুকে যায়। এগিয়ে যায় ইস্টবেঙ্গল। তারপরে গোল শোধ করার অনেক চেষ্টা করে চার্চিল। কিন্তু ইস্টবেঙ্গলের জমাট ডিফেন্স সব আক্রমণ থামিয়ে দেয়। খেলা শেষ হওয়ার আগে দ্বিতীয় হলুদ কার্ড দেখে মাঠ ছাড়েন পরিবর্ত হিসেবে নামা বালি গগনদীপ।
এই জয়ের ফলে পরপর তিন ম্যাচে জয় পেল ইস্টবেঙ্গল। সেই সঙ্গে লিগের তালিকায় দুই নম্বরে উঠে এল ইস্টবেঙ্গল। সামনে এখন শুধু চেন্নাই সিটি এফসি।