লাল-হলুদের বাতিল ঘোড়া জাল ছিঁড়ে দিল বাগানের
দ্য ওয়াল ব্যুরো: সমুদ্রের তীর থেকে এসে গঙ্গাপারের ক্লাবকে দাঁড় করিয়ে হারিয়ে গেল চার্চিল ব্রাদার্স। মাঝে কয়েকটা বছর ভালো যাচ্ছিল না। তবে এ দিন যেন সেই পুরনো চার্চিলের দেখা মিলল যুবভারতীর সবুজ গালিচায়। সৌজন্যে, সিসে ও ইস্টবেঙ্গলের বাতিল উইলিস
শেষ আপডেট: 25 November 2018 13:31
দ্য ওয়াল ব্যুরো: সমুদ্রের তীর থেকে এসে গঙ্গাপারের ক্লাবকে দাঁড় করিয়ে হারিয়ে গেল চার্চিল ব্রাদার্স। মাঝে কয়েকটা বছর ভালো যাচ্ছিল না। তবে এ দিন যেন সেই পুরনো চার্চিলের দেখা মিলল যুবভারতীর সবুজ গালিচায়। সৌজন্যে, সিসে ও ইস্টবেঙ্গলের বাতিল উইলিস প্লাজা।
খেলার শুরুটা অবশ্য হয়েছিল অন্যভাবে। আক্রমণের আধিক্য ছিল বাগানের। এ দিন শুরু থেকেই সনি নর্ডিকে খেলিয়েছিলেন কোচ শঙ্করলাল চক্রবর্তী। ১৫ মিনিটের মাথায় বক্সের বাইরে থেকে নেওয়া সনির শট পোস্টে লেগে ফেরে। এরই মাঝে প্রতিআক্রমণে দু-একটা সুযোগ তৈরি করে চার্চিল। ২০ মিনিটের মাথায় প্রতিআক্রমণ থেকেই প্রথম গোল তুলে নেয় গোয়ার দলটি। মোহন ডিফেন্সের ভুলে বক্সের মধ্যে বল পান সিসে। ঠাণ্ডা মাথায় বাঁ পায়ের প্লেসিংয়ে বল জালে জড়িয়ে দেন সিসে। শিল্টন ঝাঁপিয়েও বলের নাগাল পাননি।
এরপর সবুজ-মেরুন বক্সে একের পর এক চাপ তৈরি করে চার্চিল ব্রাদার্স। একের পর এক ক্রস ভেসে আসতে থাকে বাগান বক্সে। ৩৬ মিনিটের মাথায় শিল্টনের ভুলে দ্বিতীয় গোল পেতে পারত চার্চিল। এই সময় খেই হারিয়ে ফলে বাগানের মাঝমাঠ। চাপে পড়ে যায় ডিফেন্স। ৪০ মিনিটের পর ফের খেলায় ফেরে বাগান। প্রথমার্ধের বাকি সময়টা আক্রমণ করে গেলেও গোলের দেখা মেলেনি। মরিয়া ডিফেন্স করতে থাকে চার্চিল। এক শূন্য গোলে পিছিয়েই বিরতিতে লকার রুমে যান ইউটা কিনাওকি, সনি নর্ডিরা।
দ্বিতীয়ার্ধে শুরু থেকে ব্যবধান বাড়ানোর জন্য ঝাঁপায় চার্চিল। ৫১ মিনিটের মাথায় বক্সের মধ্যে প্লাজার হেড মোহন ডিফেন্ডার দলরাজের গায়ে লেগে ঢুকে যায় গোলের মধ্যে। ২-০ গোলে এগিয়ে যায় চার্চিল। ৪ মিনিট পর ফের গোল। সিসের মাইনাস থেকে চারজন ডিফেন্ডারের মধ্যে থেকে স্পট জাম্প করে বাজ পাখির ক্ষিপ্রতায় হেডারে নিজের দ্বিতীয় ও দলের তৃতীয় গোল করেন উইলিস প্লাজা। ৩-০ গোলে এগিয়ে যায় অ্যাওয়ে দল।
তারপর গোল পরিশোধের জন্য মরিয়া চেষ্টা করলেও গোল আসেনি। কিসেকার গোল ফাউলের কারণে বাতিল হয়ে যায়। এ দিন বাগানের দুই স্ট্রাইকার ডিকা ও হেনরি ছিলেন একদম নিষ্প্রভ। সনি কিছুটা চেষ্টা করলেও গোলের মুখ খুলতে পারেননি। ৮৯ মিনিটে সিসের শট বারে লেগে বেরিয়ে যায়। নাহলে আরও দুঃখ ছিল বাগানের কপালে। ফলে আগের দিন কাশ্মীর জয় করে ফিরলেও এ দিন ঘরের মাঠে লজ্জার হার হলো বাগানের। এখনও পর্যন্ত ঘরের মাঠে ৩ ম্যাচে দুই ড্র ও এক হার চিন্তায় রাখবে কোচ শঙ্করলাল চক্রবর্তীকে।