
শেষ আপডেট: 9 January 2024 21:40
দ্য ওয়াল ব্যুরো: সুপার কাপে জয় মোহনবাগান সুপার জায়ান্টসেরও। তারা ভুবনেশ্বরের কলিঙ্গ স্টেডিয়ামে প্রথম ম্যাচেই হায়দরাবাদের শ্রীনিধি ডেকানকে হারাল ২-১ গোলে। একইদিনে ইস্টবেঙ্গল জয় পাওয়ার পরে বাগানের এই জয় সমর্থকদের উদীপ্ত করবে।
ম্যাচের শুরু থেকে আক্রমণে যায়নি মোহনবাগান। বরং তারা বিপক্ষ দলকে দেখে নিয়ে আক্রমণে যেতে চাইছিল। আগের কোচ জুয়ান ফেরান্দো সরে যাওয়ার পরে বর্তমানে সবুজ মেরুনের নয়া হেডস্যার আন্তোনিও লোপেজ হাবাস। তাঁর কাছে কঠিন পরীক্ষা ছিল দলকে জয়ে ফেরানো। সেই কাজে তিনি সফল। তিনি দলের আমূল বদল করতে পারেননি এই সময়ের মধ্যে, কিন্তু মানসিকতার বদল আনতে পেরেছেন।
ম্যাচের শেষ দশ মিনিটের মতো মোহনবাগানকে দশজনে খেলতে হয়েছে। অভিষেক দু’বার হলুদ কার্ড দেখায় দল একজন কম নিয়ে খেলে। তারপরেও কোচ হাবাস তুলে নেন দলের দুই অস্ত্রকে। কামিন্সকে তুলে নামান সুরজিৎকে। আবার সাদিকুকে তুলে নামান সুহেলকে। দুই গোলদাতা উঠে গেলেও দলের খেলায় ঝাঁঝ ছিল। হাবাসের কাছে রিজার্ভ বেঞ্চের শক্তি নেই। আগের কোচ ফেরান্দো বিকল্প ফুটবলার আনার কাজে ব্যর্থ হয়েছিলেন। তাই হাবাসের কাছে নতুন করে সব সাজাতে হবে।
মোহনবাগান অবশ্য মঙ্গলবারের ম্যাচে প্রথম গোল হজম করেছে। ম্যাচের ২৭ মিনিটে পেনাল্টি থেকে উইলিয়াম আলভেজ গোল করে এগিয়ে দেন দলকে। ৩৯ মিনিটে কামিন্স গোল করে বাগানের পক্ষে সমতা ফিরিয়েছেন। সূর্যবংশীর শট ফিরে এলে সামনে দাঁড়ানো কামিন্স বল জালে রাখেন। তার আগে অবশ্য হাবাসের দল অব্যর্থ তিনটি সুযোগ মিস করেছিল।
বিরতির পরেও পেত্রাতোস কিংবা সাদিকুরা সুযোগের অপচয় করেছেন। হাবাস এসে উইংকে কাজে লাগানোর চেষ্টা করেছেন। তবে মাঝমাঠে বল ধরে খেলার লোকের অভাব প্রতিপদে মনে হয়েছে। দিমিত্রি উপরে থাকলে সেই অঞ্চলে ফাঁক থেকে গিয়েছে। তবে কর্নার আদায় করার চেষ্টা করলেও তা থেকে সুযোগ কাজে লাগাতে পারলে আরও আগেই মসৃণ জয় চলে আসতে পারত।
মোহনবাগানের হয়ে জয়ের গোলটি করেছেন আলবানিয়ার তারকা সাদিকু। তিনি ৭১ মিনিটে গোলটি করলেও সেটি নিয়ে বিতর্ক রয়েছে। বলা হচ্ছে, রেফারি অফসাইড দেখেও বাঁশি বাজাননি। তবে গোলের পরে বাগান অনেক সুযোগ পেয়েছিল। সেইসময় বিপক্ষের কিপার দারুণ কয়েকটি সেভ না করলে হাবাসের দল আরও বেশি গোলে জিততে পারত।