
ফেসগার্ড পরে প্রস্তুত থাকলেও মাঠে নামেননি এমবাপে।
শেষ আপডেট: 22 June 2024 18:51
দ্য ওয়াল ব্যুরো: আগে ফুটবলারের সুরক্ষা, তারপর দল। সেটি বিলক্ষণ মনে করেন ফ্রান্সের কোচ দিদিয়ের দেঁশা। সেই কারণেই যখন ফুটবল দুনিয়ার উৎসাহ ছিল, আদৌ মাঠে নামবেন কিনা কিলিয়ান এমবাপে। সেইসময় দল আটকে যাবে দেখেও ফরাসি সুপারস্টারকে নামালেন না কোচ।
লাইপজিগের রেডবুল এরেনায় নেদারল্যান্ডসের বিরুদ্ধে গোলশূন্য ড্র করেছে ফ্রান্স। ম্যাচে অজস্র গোল মিস করেছেন ফরাসি তারকারা।
ফ্রান্স ম্যাচে ১৫টি সুযোগ তৈরি করেও একটি গোল করতে পারেননি। এর মধ্যে অধিনায়ক অ্যান্তোনিও গ্রিজম্যান মিস করেন দুটি বড় সুযোগ। ডাচরাও অবশ্য লড়াই করেছে। এমনকি একটি গোলও পেয়েছিল তারা। তবে ভিএআর দেখে সেই গোল বাতিল করে দেন রেফারি।
ম্যাচে বারবার দেখা গিয়েছে, ফ্রান্স রিজার্ভ বেঞ্চে বসেছিলেন এমবাপে। তিনি প্রস্তুত ছিলেন ফেস গার্ড পরেই। গত ম্যাচে নাকের হাড় ভেঙেছিল। অস্ত্রোপচার না হলেও নাকে বড় আঘাত লাগে। এমবাপে নিজে চেয়েছিলেন জাতীয় দলের হয়ে মাঠে নেমে গোল করে দলকে জেতাতে। কিন্তু দলের কোচ দেঁশা চাননি এমবাপেকে মাঠে নামাতে।
ইউরোর মতো বড় আসরে প্রথমদিকেই দলের সেরা তারকা বাদ হয়ে গেলে ঘোর বিপদ ঘনিয়ে আসবে। সেইজন্যই ডাচদের বিরুদ্ধে সমস্যার মুখে পড়েও মাঠে নামাননি ফরাসি কোচ।
খেলার প্রথম মিনিটেই ফ্রিমপংয়ের শট হালকা আলতো ছোঁয়ায় বাইরে পাঠান মাইনান। ৪ মিনিটে গ্রিজম্যানের শট ভারব্রুগেন রুখে দেন। ১৪ মিনিটে আবারও গ্রিজম্যানের শট বাইরে দিয়ে চলে যায়।
ফ্রান্সের কোচ বুঝে গিয়েছেন এমবাপে ছাড়া তাঁর গতি নেই। তাই গ্রুপ পর্বে ঝুঁকি নিয়ে মাঠে নামাতে চাননি। তবে পোল্যান্ড ম্যাচে ফরাসি গোলমেশিনকে মাঠে নামাতে হবে কোচকে, সেটিও ফুটবল বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন।
এমবাপের মাস্ক নিয়েও বিতর্ক হয়েছিল। ইউরো কাপের নিয়মে রয়েছে, একরঙের মাস্ক পরেই মাঠে নামতে হবে, কিন্তু এমবাপে প্রথমে ভেবেছিলেন তিন রংয়ের ফেস গার্ড পরবেন, সেটি বাতিল করে দেন ম্যাচ পরিচালকরা।